ঢাকা শহরে কেন বার বার ঘটে ভয়াবহ যত অগ্নিকাণ্ড

ঢাকা শহরে ঘটে যাচ্ছে একের পর এক অগ্নিকাণ্ড । এত ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ড: জীবনের মূল্য কি কমছে? !!!!! সচেতন না হলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আগুন লাগার পরে আফসোস না করে আগুন লাগার আগে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নেন। নাইলে এইরকম আগুন আরো লাগবে। এইরকম রায়ট আরো দেখবেন।

আজ ঢাকার অন্যতম প্রধান কাপড়ের মার্কেট বঙ্গবাজারে ঘটে গেল এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। ফায়ার সার্ভিস, বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনী, সবাই মিলেও সেই অগ্নিকান্ডের আগুন নেভাতে হিম সিম খেয়েছে। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর বঙ্গবাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, ফায়ার সার্ভিস অফিসে হামলা হয়েছে । কিন্তু আমার প্রশ্ন হল এমন ঘটনা কেন ঘটছে বার বার?

এরকম ঘটনা তো ঢাকা শহরে প্রতি বছর ঘটে কিন্তু কেউ এর প্রতিকারের জন্য চিন্তা করে না। আমাদের যে ব্যাবস্থাগুলা থাকা প্রয়োজন যেমন আগুন নেভানোর জন্য এক্সটিঙ্গুইশার, স্প্রিংক্লার সচেতন করার জন্য এলারম সিস্টেম কিংবা জীবন রক্ষার ফার্স্ট এইড, ফায়ার এস্কেপ বা প্রপার ট্রেইনিং, ইত্যাদি নাই কেন? তাহলে জান ও মাল উভয় রক্ষা পেত।


সরকারের নীতিমালা বা কমপ্লায়েন্স রয়েছে কিন্তু তা শুধু দায় সারা, এর জন্য যথাযথ ইন্সপেকশন বা মনিটরিং হয় না। সরকারের হাত থেকে বাচার জন্য কিছু প্রক্রিয়া বা ঘুষ দিয়ে পাশ করানো কিছু ছাড়পত্র ছাড়া কিছু হয় না।

শুধু বঙ্গ বাজার এর মতো বস্তি এলাকায় না। আধুনিক এবং কমারশিয়াল বিল্ডিং এবং গার্মেন্টস সহ অনেক জায়গায় আগুন লেগেছে। এর মধ্যে আছে বসুন্ধরা সিটি: ২০০৯ সালে, নিমতলী: ২০১০, তাজরীন ফ্যাশন: ২০১২ সালে, রাজধানীর বস্তি: ২০১৭, ডিএনসিসি মার্কেট: ২০১৭ সালে, চকবাজারের চুড়িহাট্টা: ২০১৯, বনানী এফআর টাওয়ার: ২০১৯ সালে। গার্মেন্টস শিল্প: ২০১২ সালে গরীব অ্যান্ড গরীব গার্মেন্টসে নিহত হন ২১ জন।

এছাড়া হামীম গ্রুপের অগ্নিকাণ্ডে ২৯ জনের প্রাণহানী ঘটে। ২০১৩ সালের ২৮ জুন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে স্মার্ট এক্সপোর্ট গার্মেন্টস লিমিটেডে আগুনে পুড়ে ৭ নারী পোশাকশ্রমিক নিহত হন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসগুলোতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। এর পরেও বাঙ্গালীর চোখ খোলে না।

পাঠ্যবইয়ে ‘ভুল’: দায় স্বীকার করে জাফর ইকবাল-হাসিনা খানের বিবৃতি

বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বিষয় লক্ষ্য করছি যে পাঠ্যবইয়ে ডঃ জাফর ইকবালের লেখা ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে একটি প্রবন্ধ নিয়ে। একটি প্রবন্ধ গুগল থেকে অনুবাদ করে হুবহু কপি পেস্ট করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। তবে আমরা বিষয়টা নিয়ে যতদূর জেনেছি সেটা হল ডঃ জাফর ইকবাল এই প্রবন্ধটি লেখেন নি এবং এই ভুল ইচ্ছাকৃত ভাবে হয় নি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একই পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে অনেকে জড়িত থাকেন, যাদের শ্রম ও নিষ্ঠার ফলাফল হিসেবে বইটি প্রকাশিত হয়।” উনি আরও বলেন “ওই অধ্যায়ের আলোচিত অংশটুকু লেখার দায়িত্বে আমরা দুজন (জাফর ইকবাল-হাসিনা খান) না থাকলেও সম্পাদক হিসেবে এর দায় আমাদের ওপরও বর্তায় ।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন কমিটির সদস্য মোহাম্মদ তারিক আহসান জাগো নিউজকে বলেন, “পাঠ্যপুস্তক হচ্ছে মূলত একটি সংকলন। এখানে অনেক লেখকের লেখা যুক্ত করা হয়ে থাকে। সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে একটি অধ্যায়ের দুটি প্যারাগ্রাফে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানো রেফারেন্সটা লেখা হয়নি। অসতর্কতার ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে।” – অর্থাৎ এখানে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কে রেফারেন্স হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে কিন্তু ভুল বসত এই “রেফারেন্স” কথাটি উল্লেখ করা হয় নি যা আগামী শিক্ষাবর্ষে সংশোধন করা হবে।

May be an image of 2 people and text that says "পাঠ্যবইয়ে 'ভুল': দায় স্বীকার করে জাফর ইকবাল- হাসিনা খানের বিবৃতি জযষ্ঠ প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৫:৩০ পিএম, জানুয়ারি ২০২৩ f"

সহিহ মুসলিম কে?

এক হুজুর বয়ান দিচ্ছিলেন। ইসলাম হল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান ধর্ম। বর্তমানে পৃথিবীতে ১৮০ কোটির মুসলমান আছে যা ২০৬০ সালের মধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি হতে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত গর্বের কথা। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমাদের মধ্যে কোন ভেদাবেদ নাই। আমরা সারা পৃথিবীতে ছেয়ে যাবো আর শান্তিতে বসবাস করবো । আমাদের মধ্যে কোন মারা মারি কামড়া কামড়ি নেই। নাস্তিকরা নিজেদের মধ্যে কামড়া কামড়ি করে মারা যাবে।

হুজুরের বয়ান শুনে এক উটকো নাস্তিক হাত তুলে বলল আচ্ছে হুজুর আমার একটা প্রশ্ন ছিল। এই যে বললেন ২০৬০ সালের মধ্যে ৩০০ কোটি মুসলমান হতে যাচ্ছে। তো তার মধ্যে শিয়ারা থাকবে? ইরাকে তো শিয়া সুন্নি সংঘর্ষ চলছে।

হুজুর বিরক্ত হয়ে বলেনঃ – কি শিয়া? ওরা আবার মুসলিম নাকি? যারা আমার নবিকে নিয়ে মিথ্যাচার করে, যারা মোহাম্মাদ (সঃ) কে শেষ নবী না বলে হযরত আলীকে বলে তারা আবার মুস ল মান ? আর শিয়াদের কে আমারা মাথায় তুলে রাখবো কি কারনে? তারা কি আমাদের খুব আদর করেছে? আমাদের জও*ঙ্গি, ব*র্বর বলা !ঐ ভালো মানুষ শিয়ারা যে গত ১০ বছর ধরে সুন্নিদের কে আদর করে কর্তন করছিল,তাঁদের মা,মেয়েদের কে ধ*র্ষণ করছিল,পেট চিঁরে গর্ভবতীর অকালপক্ব সন্তানের দেহ নিয়ে ফুটবল খেলছিল,বৃদ্ধা আর শিশুরাও যেখানে শিয়াদের ফুর্তির রসদ ছিল,সেই খবর বা তথ্য কি কোথাও কেউ প্রচার করেছে?

নাস্তিকঃ – ও আচ্ছা তো কাদিয়ানি? তারা কি মুসলিম?

হুজুর – কি? কাদিয়ানি? মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী সাহেব রীতিমতো নবী হওয়ার দাবিই করেছেন। নাউজুবিল্লাহ। ওরা জাহান্নামী । তারা তো ভ্রান্ত পথে আছে । তারা কোরান হাদিসের অপব্যাখ্যা করে। নবীজির নামে মিথ্যাচার করে। এদের বিরুদ্ধে কোরানে কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া আছে। কাদিয়ানী সম্প্রদায় কোন মুসলমান নয় এরা ইসলাম বিকৃতকারি। তাদের ক ল্ল আ।। ফেলে দেওয়া উচিত ।

তারা বিশ্বাস করে যে মির্যা গোলাম আহমদ ইসলামকে তার আসল প্রথমযুগীয় অবস্থায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী কেতাবে উল্লেখিত যীশু বা ঈসার গুণবিশিষ্ট ইমাম মাহদী হয়ে এসেছেন ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করতে ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে এর নৈতিক ব্যবস্থা চলমান করতে। তারা আরও বিশ্বাস করে যে মির্যা গোলাম আহমদ ইসলামের শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ(সা.) এর প্রদর্শিত পথে পাঠানো একজন “উম্মতী নবী”। নাউজুবিল্লাহ। সৌদি আরবে পুরো দেশে তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের কেউ সেখানে গোপনে হজ পালন করতে গেলে তাকে আটক করা হয়।

নাস্তিকঃ আচ্ছা মাজহাবিদের সম্পর্কে আপনার ধারনা কি? তারা কি মুসলিম?

হুজুরঃ – ইসলামের মধ্যে মাঝহাব সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ বিদাত। যারা নিজেদের প্রাথমিক সুন্নি মাজহাব থেকে – হানাফি, শাফিয়ী, মালেকী এবং হাম্বালি বলে পরিচয় দেয় তারা সম্পূর্ণ ভুল পথে আছে। মাযহাব নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি উম্মার জন্য ভয়ঙ্কর ফিতনা । মাজহাব মানা বলতে বুঝানো হচ্ছে কোন একজন নির্দিষ্ট ইমামের মত ও পথ অনুসরণ করা । কিন্তু আমাদের নবিজি তো সেটা করতে নিষেধ করেছেন।

আর এখন নাকি আহলে হাদিস আহলে কোরান আর মডারেট মুসলিমের আবির্ভাব হয়েছে এদের ভিড়ে সঠিক ইসলাম প্রচার করা মুস্কিল হয়ে যাচ্ছে দিন কে দিন। আচ্ছা আপনিই বলেন কোরান হাদিস সহিহ তারিকায় আমল না করলে কেউ কি আর মুসলিম থাকে?

নাস্তিকঃ – আচ্ছা ইসলাম তো সুদ ঘুষ, দুর্নীতি এগুলো সমর্থন করে না। তার পরেও আমরা কেন বাংলাদেশে এত দুর্নীতি, খুন ধর্ষণ, বাটপারি, ভেজাল ইত্যাদি দেখতে পাই?

হুজুরঃ- বাংলাদেশ ৯০% মুসলিমের দেশ ঠিক ই কিন্তু সহিহ মুসলিম কয়জন? সবাই যদি সঠিক ইসলাম মেনে চলতো তাহলে তো আর এসব হত না।

নাস্তিকঃ – আপনি ঠিক ইলেছেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং বাংলাদেশে ৯০%, মুসলমান আর সারা বিশ্বে ৩০০ কোটি হবে তখন পৃথিবীতে থাকবে শুধু শান্তি আর শান্তি। আমিন।

কোরআনে কোন ভুল নাই কারন কোরআনে ভুল পাওয়া গেলেঃ

ইসলাম এতোটা নোংরা বর্বর মুসলিমরা বুঝতে পেরে এখন রেফারেন্স দিলেও মানেনা । এখন তারা হাদিস থেকে রেফারেন্স দিলে বলে হাদিস মানিনা, এটা মহাম্মাদের মৃত্যুর এত বছর পর অমুকের লেখা তমুকের লেখা। কোরান থেকে দেখালে বলে এটার ব্যাখ্যা আছে প্রেক্ষাপট আছে, আগের আয়াত পরের আয়াত। অনুবাদে ভুল। ইত্যাদি। আলেমদের রেফারেন্স দিলে বলে আলেম রা ভুল বলেছে। এখন হাদিস না মানলে ব্যাখ্যা, প্রেক্ষাপট এসব কোথায় পাবেন?

কোরআনে কোন ভুল নাই কারন কোরআনে ভুল পাওয়া গেলেঃ

——————————————————————-

১। এটা ভুল অনুবাদ।

২। আগে পিছে ডানে বামের আয়াত পড়তে হবে।

৩। এটার তাফসীর দেখতে হবে।

৪। এটা ভুল তাফসীর।

৫। এটা বিকৃত তাফসীর।

৬। শানে নুজুল দেখতে হবে।

৭। শানে নুজুলও ভুল বা বিকৃত হয়।

৮। হাদিসের ব্যাখ্যা দিতে হবে।

৯। প্রেক্ষাপট দেখতে হবে।

১০। এটা ভিন্ন প্রেক্ষাপট।

১১। আলেমরা কি বলে দেখতে হবে।

১২৷ আলেমদের মধ্যেও কাফের আছে।

১৩। আপনি বিজ্ঞানই বুঝেন না কোরআন বুঝবেন কেম্নে?

১৪। ১৪০০ বছর আগে যেটা কোরআনে লিখা আছে মাত্র ২০০ বছর আগে তা বিজ্ঞান জানতে পেরেছে।

১৫। কোরআন পড়ে অনেক বিজ্ঞানী মুসলিম হয়েছে।

১৬৷ কোরআন যদি মিথ্যা হত তাহলে আগুনে পুড়ত।

১৭। কোরআনই একমাত্র ধর্মীয় কিতাব যা মুখস্থ করা যায়।

১৮। কোরআন বুঝা এত্ত সহজ!

১৯। অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।

২০। কোরআন বুঝলে আপনি কোরআনের ভুল ধরতে পারতেন না।

২১। কোরআন বুঝার জ্ঞান আপ্নার নাই।

২২। কোরআন পড়ার আগে তা আপনাকে সত্য বলে মেনে নিতে হবে।

২৩। আপনি মানসিক রো গী।

২৪৷ এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। এখানে কো পা কুপি বলতে কোলাকুলি বুঝতে হবে।

২৫। এটা হাই লেভেল, মানুষের মাথার উপর দিয়ে যাবে।

২৬। বাসার ঠিকানা দে, তোর নাম পাল্টাস না কেন?

২৭। তুই নাস্তিক নাকি হিন্দু?

২৮। তুই ইস লাম বিদ্বেষী।

২৯। বা*ইঞ্চো দ, কু*ত্তার বা চ্চা, জা*নোয়ার।

৩০। আরে বোকা চো দা না বুঝে লাফায় বেশি।

৩১। কোরআনই বিজ্ঞান।

৩২। আপনি মূ র্খ।

৩৩। তুই জা র জ।

৩৪। আরবি জানেন?

৩৫। তখনকার ৬বছর মানে এখনকার ২০ বছর।

——————-

আর লিখতে পারছি না

আসলে কাফেরদের অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন তাই আপ্নে কোরআন বুঝেন নি, তবে – মরার পর বুঝবেন ।!!!!!

নাস্তিকদের নৈতিকতার মানদন্ড কি?

মুমিনদের ধারনা যেহেতু নাস্তিক কোন ধর্ম মানে না। সুতরাং তারা কি করবে না করবে সে বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট বাধ্য বাদকতা নেই অর্থাৎ আপনি নাস্তিক হলে যা খুশি তাই করতে পারেন।

আসলে মুমিনদের জ্ঞান সিমিত থাকায় তারা নাস্তিকতা, মুক্তমনা, ব্যাক্তি স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয় গুলি গুলিয়ে ফেলেন, এবং বার বার বুঝিয়ে বলার পরেও তাদের মাথায় এগুলো ঢুকেন ।

অনেক মুমিন কে বলতে শুনা যায় নাস্তিকতা একটি ধর্ম এবং এই ধর্ম পালন করতে হলে ইসলামের বিপক্ষে যেতে হবে অর্থাৎ ইসলামে যেগুলা হালাল সেগুলা নাস্তিক ধর্মে হারাম আর ইসলামে যেগুলা হারাম নাস্তিক ধর্মে হালাল ।

আসলে নাস্তিকতা শুধু মাত্র ঈশ্বর বিশ্বাসের একটি অবস্থান মাত্র। অর্থাৎ ঈশ্বরে বিশ্বাস না করাকে নাস্তিকতা বলে। এর সাথে অন্য কিছু যুক্ত নয়। যেমন একজন নাস্তিক কি খাবে, কি পরবে, কার সাথে ঘুমাবে, এসব কিছুই নাস্তিকতার অন্তরভুক্ত নয়।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে একজন নাস্তিক তাহলে কি ভাবে আচরন করবে? এখানে নাস্তিক শুধু মাত্র নাস্তিক হয় না। সে মানবিক হতে পারে। জ্ঞানী হতে পারে। আবার মূর্খ ও হতে পারে। এটা নির্ভর করবে তার পারিবারিক শিক্ষার উপর । আমরা অধিকাংশ নৈতিকতা শিখি আমাদের পরিবার এবং সমাজের রীতি অনুযায়ী । এর সাথে যুক্ত হয় দেশের আইন।

একজন নাস্তিক সমস্ত নৈতিকতা বর্জন করে না। বরং সে মনে করে তার নৈতিকতার উৎস ঈশ্বর নয়। তার নৈতিকতার উৎস যুক্তি তথ্য এবং প্রমান।

একজন মানুষ ধর্ম মেনে সম্পূর্ণ নৈতিক হতে পারে না। অর্থাৎ যে মানুষটা সম্পূর্ণ রুপে ধর্ম পালন করে সে কোন দিন নৈতিক হতে পারে না। এর কারন হচ্ছে সে তার বিবেক বুদ্ধি, যুক্তি তথ্য প্রমান ইত্যাদি ব্যাবহার না করে ধর্মে যেটা আছে সেটাই পালন করে। উদাহরন সরূপ আমরা দেখতে পাই বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, সমর্থন করা মুমিনের সংখ্যা কম নয়। আবার দাসী সে*ক্স তারা নৈতিক মনে করে। এর বিপরিতে যুক্তি দেয় মেয়েরা অল্প বয়সে প্রেম করা শুরু করে অথবা পরস্পর সম্মতিতে তো যত খুশি সে* ক্স করা যায় নাস্তিক ধর্মে । তো সমস্যা কোথায়?

অনেকে প্রশ্ন করে কোনটা নৈতিক এবং কোনটা অ-নৈতিক এটা কে ঠিক করে দেয়? বা অমুক দেশে তো এটা মানে । আসলে নৈতিকতা কেউ ঠিক করে দেয় না। এটা নির্ভর করে যুক্তি তথ্য প্রমানের উপর। যুক্তি দিয়ে বিচার করুন কোনটা সঠিক । আর ভুল কাজ টা ভুল। সেটা যদি সবাই করে তবুও। তাই রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর বা শেখ মুজিবর রহমান কিছু করলেই সেটা সঠিক হয়ে যায় না।

আপনার কি খাওয়া উচিত, কি পরা ইচিত বা কার সাথে কি আচরন করা ইচিত এসবের জন্য যদি কিতাব প্রয়োজন হয় তাবে বুঝতে হবে আপনার প্রাইমারি লেভেলের শিক্ষার অভাব আছে। এই শিক্ষা আমরা পরিবার থেকেই পাই স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেই। আর স্কুল জীবনে আমরা এসব নৈতিকতা বেশির ভাগই শিখে ফেলি। কিন্তু মুমিন ভাইয়েরা আল্লাহ ছাড়া কিছু বুঝে না। তাদের প্রতিটা কাজ করার জন্য কিতাব প্রয়োজন হয়।

আমরা ১৪০০ বছর আগে একজন মরু ডাকাতের লেখা সেই কিতাবের নৈতিকতা থেকে অনেক এগিয়ে গেছি। আর কতো আমাদের জোর করে একজন মরু ডাকাতের দেওয়া নৈতিকতা পালন করতে বাধ্য করবেন?

মহাবিজ্ঞানী ছিলেন আমাদের নবী (সঃ) – হাদিসের আশ্চর্য বিজ্ঞান

বেশ কিছু দিন আগে মুমিনরা অনেক লাফালাফি শুরু করছিল । চাঁদে নাকি ফাটল পাওয়া গেছে, এটা নাকি প্রমাণ করে যে হাদিসে বর্ণিত রুপ কথার কাহিনী, যে নো বীচি তার হাতের ইশারায় চাঁদ দ্বি-খণ্ডিত করেছিলেন, সেটা নাকি সত্য বলে প্রমানিত হয়েছে। যাই হোক মুমিনদের লাফালাফি দেখে কে? তারা বা ন রে র মতো ফেসবুক, ইউটিউব, নাসা সাইট সব খানে লাফা লাফি করে ফাটিয়ে ফেলে। অবশেষে যা ঘটার তাই ঘটলো । নাসার বিজ্ঞানীরা একটি বিবৃতি প্রকাশ করলো তাদের সাইটে যে নাসার নামে অনেক মুলসিম বিজ্ঞানীরা অপ প্রচার করে যাচ্ছে এটা তারা মোটেও পছন্দ করছে না। তারা এই মর্মে জানালো যে নাসার বিজ্ঞানীদের নামে কেউ যদি মিথ্যা ছড়ায় সেটা কেউ যেন যাচাই না করে বিশ্বাস না করে। তাদের এই লাফালাফি নাসার বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞান অনুভুতিতে আঘাত দেয়।

এখন লক্ষণীয় হচ্ছে কোন মুলসিম যদি এমন কোন পোস্ট করে যেটা কিনা মুমিনদের পক্ষে যায়, তবে তারা চোখ বুজে সেটা বিশ্বাস করে, এবং তারা কোন দিন ও যাচাই করার চেষ্টা করে না। এমন কি এমন কোন পোস্ট যদি তারা পায় যেটা তে বলা হচ্ছে – উটের মুত খাওয়া শাস্থের জন্য উপকারি, এটা বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত, তাহলে মুমিনরা এই হেডলাইন দেখেই লাফাতে শুরু করবে।

আমি একজন বিখ্যাত মুসলিম মহা বিজ্ঞানী, ডঃ মোহাম্মাদ ইব্রাহীমের ইউটিউব ভিডিও দেখলাম- “নবীজি কেন উটের পেশাব আর দুধ মিশিয়ে খেতে বলেছিলেন” এটাও নাকি সাইন্টিফিক। মানে উটের মুত খাওয়া সাস্থের জন্য ভালো – এটাও উনি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণ করে ছেড়েছেন, এবং তাতে হাজার হাজার ধর্মান্ধ মুসল্লি হুক্কা হুয়া তুলে ফাটিয়ে ফেলছেন।

তো হাদিস টা যতই অদ্ভট আর হাস্যকর হোক, মুমিনরা কোন প্রকার প্রমাণ ছাড়াই সেটা মেনে নেবে এবং এর পক্ষে কোন পোস্ট পেলেই সেটা সমর্থন করবে অন্ধের মতো । নাসার বিজ্ঞানীরা তাদের নামে অপ্রচারের প্রতিবাদ করলেও বাংলাদেশের একজন ডাক্তারকেও পেলাম না যে উটের মুত্রের প্রতিবাদ করতে।

এখন আবার নতুন করে মুমিদের লাফালাফি দেখতে পাচ্ছি, মাছির এক ডানায় রোগ আর অপর ডানায় এর প্রতিষেধক – এই হাদিস টা নিয়ে । মুমিনরা তুমুল লাফালাফি করছে এটা নাকি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত হয়ে গেছে। তারা কিছু বৈজ্ঞানিক পেপার নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে। তো আমি কিছু পেপার পড়ে দেখেছি। আসলেই কিছু মূর্খ মুসলিম বিজ্ঞানী এটা নিয়ে রিসার্চ পেপার জমা দিয়েছে কিছু মুলসিম বিশ্ব বিদ্যালয়ে । তবে তারা চেষ্টা করেছে আগডুম বাগডুম একটা পরীক্ষা দেখিয়ে এই হাদিসটির সত্যতার প্রমাণ দেওয়া। কারন তারা জানে একটা পেপার জমা দিলেই মুসলিম সমাজ সেটা গোগ্রাসে খাবে। এবং লাফালাফি শুরু করে দিবে। হয়েছেও তাই। তবে আমার মতে বাংলাদেশের কোন শিক্ষিত মাইক্রো বায়লজিস্ট এটার প্রতিবাদ করার মতো সাহস রাখেনা।

শেষ মেস হয়তো কোন ইহুদি মাইক্রোবায়োলজিস্ট তাদের বিজ্ঞান চর্চায় অফেন্ডেড হয়ে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হবে এবং বলবে – “বাবারা তোমরা আর বিজ্ঞানের পিছন টা মেরোনা ।” এসব হাস্যকর হাদিসকে বিজ্ঞান বলে চালালে তারা হয়তো বিজ্ঞান চর্চা ছেড়ে দিয়ে এক সময় আত্নহত্যা করতে বাধ্য হবে ।

অলৌকিক কুরান / ইসলামের গাণিতিক মিরাক্কেল

অলৌকিক কুরান / ইসলামের গাণিতিক মিরাক্কেলঃ –

১. মোহাম্মাদ (সঃ) ৫৪ বছর বয়সে মা আয়সা (রাঃ) কে বিবাহ করেন। এবং আয়শা (রাঃ) এর ৯ বছর বয়স হলে তিনি ছহবত করেন।

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৫+৪ = ৯

২. আয়শা (রাঃ) মোহাম্মাদের ৩ নম্বর স্ত্রী ছিলেন। মোহাম্মাদ (সঃ) তাকে ৬ বছর বয়সে বিবাহ করেন।

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৩+৬ = ৯

৩. মোহাম্মাদ (সঃ) এর নাম ইংলিশে লিখলে তার কাব্জাব ভ্যালু = ৪৭, আয়শা (রাঃ) এর নাম ইংলিশে লিখলে তার কাব্জাব ভ্যালু = ৩৮

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৪৭-৩৮=৯

৪. মোহাম্মাদ (সঃ) ৫৪ বছর বয়সে মা আয়সা (রাঃ) কে বিবাহ করেন। এবং আয়শা (রাঃ) এর ৯ বছর বয়স হলে তিনি ছহবত করেন।

৫৪+৯=৬৩, ৬+৩=৯

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৬৩ থেকে প্রথম সংখ্যা নিলে হয় ৬ এর পর মোহাম্মাদ (সঃ) এর বয়স লিখলে হয় ৬৫৪ অর্থাৎ ৬৫ নং সুরা, সুরা তালাকের ৪ নং আয়াত যেখানে বলা হচ্ছে যে কোন বয়সের মেয়েকে বিয়ে করা হালাল।

৫. মোহাম্মাদ (সঃ) এর ৩০ হর্স পাওয়ার যৌন শক্তি ছিল। তিনি এক রাতে তার ১১ বিবি এবং দাসীদের সাথে সেক্স করে মাত্র একবার গোসল করতেন। সুভান আল্লাহ। এই ভাবে সেক্স করলে তার ২০ টি যৌন রোগ হওয়ার স্মভাবনা ছিল, কিন্তু হয় নি। সুভান আল্লাহ।

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৩০হর্স পাওয়ার -২০ যৌন রোগ =১০+১ গোসল=১১ বিবি, ২০রোগ -১১ বিবি=৯ সেক্স করার সময় আয়শার বয়স!!!

ওয়াও 😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍

ডারউইনের ভুল তত্ত্ব বনাম আদম হাওয়ার ধপাস তত্ত্ব

ডারউইনের ভুল তত্ত্ব

আজ বেশ কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে কিছু পোস্ট দেখালাম । বিবর্তন তত্ত্ব যে ভুল সেটা প্রমাণ করার জন্য মুমিনরা উঠে পড়ে লেগেছে। তবে দুঃখের বিষয় এখন পর্যন্ত মুমিনদের মধ্যে বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে পরিষ্কার কোন ধারণা নেই। তারা বিবর্তন তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করতে গিয়ে ডারউইন যে ভুল ছিল সেটা প্রমাণ করতে চান। কিন্তু মুমিনরা যেটা বুঝেন না সেটা হল ডারউইন আজ থেকে ১৬০ বছর আগে কি বলেছে সেটা এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়।

Continue reading

মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞানে পিছিয়ে কেন?

মুমিনরা যখন মুসলিম বিজ্ঞানী নিয়ে বড়াই করে বা ইসলামের স্বর্ণযুগ নিয়ে কথা বলে তখন আমার হাসি পায়। মনে পড়ে সেই ফকিরের গল্প যে বহুদিন আগে মাংস দিয়ে ভাত খেয়েছিল কিন্তু এখনো হাতের সেই গন্ধ শুকছে।

Continue reading

ডাক্তার বড় না পুলিশ বড়? হায়রে বাংলার মানুষ!!

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেটা নিয়ে এত মাতামাতি করার কি আছে সেটা আমি বুঝলাম না। ভিডিওটি এমন যে একজন মহিলা ডাক্তারের গাড়ী পুলিশ থামিয়ে সেই ডাক্তারের আইডি চাওয়াতে ডাক্তার প্রচণ্ড ক্ষেপে যায় এবং ম্যাজিস্ট্রেট সহ সকল পুলিশদের তুই তুকারি এবং গালাগালি করতে থাকে।

ভাইরাল ভিডিওর ডাক্তার মহিলাটি কি কারনে ক্ষিপ্ত তা বুঝা যায়নি। এই ভিডিও থেকে যতদূর বুঝা যাচ্ছে যে পুলিশ খুব ভদ্র ভাবেই মহিলার আইডি চেয়েছিল । একজন দায়িত্বরত পুলিশ যে কোন কারণে আপনার পরিচয়পত্র চাইতে পারে। এ ব্যাপারে পুলিশের উপর সরকারের কড়া নির্দেশ আছে। যেখানে আইডি প্রয়োজন সেখানে অন্য কিছু, যেমন গাড়ীর স্টিকার, ডাক্তারের এপ্রন, ইত্যাদি দেখিয়ে লাভ নেই।

Continue reading