ঢাকা শহরে কেন বার বার ঘটে ভয়াবহ যত অগ্নিকাণ্ড

—

1–2 minutes

ঢাকা শহরে ঘটে যাচ্ছে একের পর এক অগ্নিকাণ্ড । এত ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ড: জীবনের মূল্য কি কমছে? !!!!! সচেতন না হলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আগুন লাগার পরে আফসোস না করে আগুন লাগার আগে ঠিকঠাক প্রস্তুতি নেন। নাইলে এইরকম আগুন আরো লাগবে। এইরকম রায়ট আরো দেখবেন।

আজ ঢাকার অন্যতম প্রধান কাপড়ের মার্কেট বঙ্গবাজারে ঘটে গেল এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। ফায়ার সার্ভিস, বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনী, সবাই মিলেও সেই অগ্নিকান্ডের আগুন নেভাতে হিম সিম খেয়েছে। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর বঙ্গবাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে, ফায়ার সার্ভিস অফিসে হামলা হয়েছে । কিন্তু আমার প্রশ্ন হল এমন ঘটনা কেন ঘটছে বার বার?

এরকম ঘটনা তো ঢাকা শহরে প্রতি বছর ঘটে কিন্তু কেউ এর প্রতিকারের জন্য চিন্তা করে না। আমাদের যে ব্যাবস্থাগুলা থাকা প্রয়োজন যেমন আগুন নেভানোর জন্য এক্সটিঙ্গুইশার, স্প্রিংক্লার সচেতন করার জন্য এলারম সিস্টেম কিংবা জীবন রক্ষার ফার্স্ট এইড, ফায়ার এস্কেপ বা প্রপার ট্রেইনিং, ইত্যাদি নাই কেন? তাহলে জান ও মাল উভয় রক্ষা পেত।


সরকারের নীতিমালা বা কমপ্লায়েন্স রয়েছে কিন্তু তা শুধু দায় সারা, এর জন্য যথাযথ ইন্সপেকশন বা মনিটরিং হয় না। সরকারের হাত থেকে বাচার জন্য কিছু প্রক্রিয়া বা ঘুষ দিয়ে পাশ করানো কিছু ছাড়পত্র ছাড়া কিছু হয় না।

শুধু বঙ্গ বাজার এর মতো বস্তি এলাকায় না। আধুনিক এবং কমারশিয়াল বিল্ডিং এবং গার্মেন্টস সহ অনেক জায়গায় আগুন লেগেছে। এর মধ্যে আছে বসুন্ধরা সিটি: ২০০৯ সালে, নিমতলী: ২০১০, তাজরীন ফ্যাশন: ২০১২ সালে, রাজধানীর বস্তি: ২০১৭, ডিএনসিসি মার্কেট: ২০১৭ সালে, চকবাজারের চুড়িহাট্টা: ২০১৯, বনানী এফআর টাওয়ার: ২০১৯ সালে। গার্মেন্টস শিল্প: ২০১২ সালে গরীব অ্যান্ড গরীব গার্মেন্টসে নিহত হন ২১ জন।

এছাড়া হামীম গ্রুপের অগ্নিকাণ্ডে ২৯ জনের প্রাণহানী ঘটে। ২০১৩ সালের ২৮ জুন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে স্মার্ট এক্সপোর্ট গার্মেন্টস লিমিটেডে আগুনে পুড়ে ৭ নারী পোশাকশ্রমিক নিহত হন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসগুলোতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। এর পরেও বাঙ্গালীর চোখ খোলে না।

Leave a Reply

Discover more from সত্যের সন্ধানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading