মুমিনরা যখন মুসলিম বিজ্ঞানী নিয়ে বড়াই করে বা ইসলামের স্বর্ণযুগ নিয়ে কথা বলে তখন আমার হাসি পায়। মনে পড়ে সেই ফকিরের গল্প যে বহুদিন আগে মাংস দিয়ে ভাত খেয়েছিল কিন্তু এখনো হাতের সেই গন্ধ শুকছে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেটা নিয়ে এত মাতামাতি করার কি আছে সেটা আমি বুঝলাম না। ভিডিওটি এমন যে একজন মহিলা ডাক্তারের গাড়ী পুলিশ থামিয়ে সেই ডাক্তারের আইডি চাওয়াতে ডাক্তার প্রচণ্ড ক্ষেপে যায় এবং ম্যাজিস্ট্রেট সহ সকল পুলিশদের তুই তুকারি এবং গালাগালি করতে থাকে।
ভাইরাল ভিডিওর ডাক্তার মহিলাটি কি কারনে ক্ষিপ্ত তা বুঝা যায়নি। এই ভিডিও থেকে যতদূর বুঝা যাচ্ছে যে পুলিশ খুব ভদ্র ভাবেই মহিলার আইডি চেয়েছিল । একজন দায়িত্বরত পুলিশ যে কোন কারণে আপনার পরিচয়পত্র চাইতে পারে। এ ব্যাপারে পুলিশের উপর সরকারের কড়া নির্দেশ আছে। যেখানে আইডি প্রয়োজন সেখানে অন্য কিছু, যেমন গাড়ীর স্টিকার, ডাক্তারের এপ্রন, ইত্যাদি দেখিয়ে লাভ নেই।
“দেশ কিংবা বিদেশ থেকে সোশাল মিডিয়ায় সরকার, জনপ্রতিনিধি, সেনা কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে ‘অপপ্রচার’ বিষয়ে সতর্ক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
“সংশয়বাদ শব্দটি অনেক বৃহৎ পরিসরে ব্যবহৃত হয়। যেকোন কিছুকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মনোভাবকেই সংশয়বাদ বলা যেতে পারে। সাধারণ্যে বহুল প্রচলিত কোনো ধারণাকে সন্দেহ করা অর্থে সংশয়বাদ শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কোনো কিছুর নিদর্শন পেলে তাকে বিনা বাক্য ব্যায়ে মেনে না নিয়ে বরং সেই নিদর্শনটিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করাই সংশয়বাদ। যারা সংশয়বাদের প্রতি আস্থা রাখেন বা সংশয়বাদ চর্চা করেন তাদেরকে সংশয়বাদী বলা হয়।” – Nirbik
“কে পৃথিবীকে করেছে আবাসযোগ্য এবং তার মধ্যে প্রবাহিত করেছেন নদী-নালা। আর তাতে স্থাপন করেছেন সৃদৃঢ় পর্বতমাল এবং দুই সাগরের মাঝখানে সৃষ্টি করেছেন অন্তরায় । আল্লাহর সঙ্গে কি অন্য কোনো ইলাহ আছে? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না। (নামাল, ২৭ : ৬১)”
যারা ইসলাম কে শান্তির ধর্ম বলেন এবং বলেন যে ইসলামে কোন বিদ্বেষ পূর্ণ কিছু নাই বা কোন জোর জবরদস্তি নাই, তারা ইসলামের ভয়ঙ্কর বিধান গুলো সম্পর্কে জানেন না। ইসলামে যদি জোর জবরদস্তি না থাকে তাহলে ইসলাম ত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন? শুধু মাত্র ধর্ম পালন না করার কারণে যে ধর্মে শিরচ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের মতো বর্বর বিধান রয়েছে, সে ধর্ম আবার শান্তির ধর্ম হয় কিভাবে?
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দক্ষিণ এশিয়া গবেষক সুলতান মোহাম্মেদ জাকারিয়ার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই ব্লগার আসাদ নুরের বাবা মাকে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে, যারা তাদের ছেলের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যক্রমের জন্য টার্গেটে পরিণত হয়েছেন”।