সূরা ফুস্সিলাত, (سورة فصلت), এর ১০ এবং ১১ নম্বর আয়াত লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে আল্লাহ্ আগে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তার পর আকাশ।
সূরা ফুস্সিলাত, (سورة فصلت), এর ১০ এবং ১১ নম্বর আয়াত ঃ
“তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।
১. মুমিনঃ ইসলাম যদি সত্য না হত তাহলে পৃথিবীর কোটি কোটি লোক এটা কিভাবে বিশ্বাস করে? সমাজের অনেক জ্ঞানী গুনি, শিক্ষিত লোক এটা বিশ্বাস করে, তো তারা কি সবাই বোকা?
নাস্তিকঃ একটা জিনিষ সত্য কি না তা কত জন বিশ্বাস করে, বা যারা বিশ্বাস করে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক স্ট্যাটাস, এসবের উপর নির্ভর করে না। সত্য নির্ভর করে প্রমাণের উপর।
মুমিনরা কোন থিওরির কথা শুনলে মনে করে যে সেটা সেই বিজ্ঞানীর উপর ওহি নাজিল হয়েছিল। আর মানুষ তাদের বই পড়ে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। একটা বিজ্ঞানী কোন কিছু আবিষ্কার করলে বা থিওরি দিলে সেটা নিয়ে অনেক গবেষণা হয়। সেটা পেপারে আসে, জার্নালে ছাপা হয়। অন্যান্য। বিজ্ঞানীরা সেটা নিয়ে রিসার্চ করে। তারপর সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়।
মুসলিমরা দাবি করে ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম মানবতার ধর্ম, ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। এতে কোন হিংসা বিদ্বেষ নেই। কোন জঙ্গি হামলা হলেই মুসলমানরা বলেন, ইসলামে জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই। যারা জঙ্গি এবং জিহাদি, তারা সহিহ মুসলিম নয়।
কিন্তু আপনি যদি কোন ওয়াজ মাহফিলে যান, তবে আপনি ঠিক তার উলটো কথাটা শুনতে পারবেন। আসলে যারা বলে ইসলাম শান্তির ধর্ম তারা প্রকৃত ইসলাম জানেনা এবং কোনদিন কোরআন হাদিস পড়েনি। কারণ আপনি যদি নিচের আয়াত গুলো পড়েন, তো শুধু অন্য ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা আর বিদ্বেষ দেখতে পাবেন।
খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো। কারণ, ওরা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি। আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন। বস্তুতঃ জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট।
# কাটো জোড়ায় জোড়ায়
“… আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাটো জোড়ায় জোড়ায়।” (কোরান ৮ঃ১২)
আজকাল মুমিনরা কথায় কথায় প্যারাডক্সিকাল সাজিদের রেফারেন্স দেয়। এমন একটা ভাব যে আরিফ আজাদ সাহেব বিজ্ঞানীদের থেকেও বড় বিজ্ঞানী। তো আগ্রহ নিয়েই বই দুটো পড়া শুরু করেছিলাম এবং বই দুটি পড়ে আমি যার পর নাই হতাশ হলাম ।
প্রতিটা ধর্মের একটা লুপ হোল আছে। আপনি যত খুশি পাপ করেন কিন্তু দিন শেষে রাতে শোয়ার আগে তওবা করে নিলেই হল। আর জীবনে একবার হজ্জ করে নিলেই সব পাপ ধুয়ে মুছে যাবে। তাই বাংলাদেশের মত ৯০% মুসলমানের দেশেও এত অপরাধ। Continue reading →
বেশ কিছু আর্গুমেন্ট আমার কাছে এসেছে যেগুলো আজকে খণ্ডন করতে চাই।
প্রথম যে অভিযোগ টা আসে সেটা হল কোরান বোঝার ব্যাপারে। মুমিনরা বলে আপনি আরবি বোঝেন না তাই কোরানের ভুল ধরতে আসবেন না। প্রেক্ষাপট না জেনে, তফসির না বুঝে, শানে নুযূল না পড়ে শুধু অনুবাদ পড়ে আসল অর্থ বুঝা যাবেনা ইত্যাদি।
১. পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছে?
২. তোকে কে সৃষ্টি করেছে?
৩. তোর মুসলমান নাম কেন?
৪. মরলে তোর লাশ কি করা হবে?
৫. তোরা বিয়ে করিস কিভাবে?
৬. তোরা ফ্রি সেক্স করিস কেন? Continue reading →
ব্যথা কি দেখা যায়? না, ব্যথা দেখা যায় না, শুধু অনুভব করতে হয়। এটাই মুমিনিয় যুক্তি এবং সৃষ্টিকর্তার প্রমাণ। ব্যথা দেখা যায় না শুধু অনুভব করা যায়, তাই আল্লাহ্ আছে। অনেকে আবার যুক্তি দেয় যে বুদ্ধি কি দেখা যায়? আপনার জ্ঞান আছে তা কি দেখা যায়?