উল্কাপাত হচ্ছে শয়তানদের তাড়াবার জন্য আল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র। হ্যা, আপনি ঠিকই পড়েছেন। এটা লেখা আছে কোরানের ৩৭ নং সূরা – সূরা আস-সাফফাত এর ৬-১০ নম্বর আয়াতে।
“নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি । এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।
ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।Continue reading →
আপনি কোনদিন কন্সপিরেসি থিয়োরিস্টদের সাথে তর্ক করে পারবেন না। কারণ তারা কোন যুক্তি প্রমাণের ধার ধারেনা । তারা একটার পর একটা লেম যুক্তি খাড়া করবেই। উদাহরণ দেই –
🌑পৃথিবী গোল নয়, সমতল থালার মতো 🌑মানুষ চাঁদে যায় নাই 🌑সব ইহুদি নাসারাদের ষড়যন্ত্র 🌑মিডিয়া এবং বিজ্ঞানিরা মিথ্যা বলছে 🌑আইসিস আমেরিকার সৃষ্টি 🌑এলিয়েন সত্য 🌑বিবর্তনবাদ মিথ্যা
অনেক দিন আগের কথা । লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্ট অপেক্ষা করছি ট্রান্সিট প্লেনের জন্য । যাবো বাল্টিমোর । যাওয়ার কথা ছিল ভার্জিনিয়ার ডালাস এয়ারপোর্টে, কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকুল থাকার কারণে ফ্লাইট টি পরিবর্তন করে বাল্টিমোর করা হয়েছে দেখলাম । যাই হোক, বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে, তাই হিথরো এয়ারপোর্ট টি একটু ঘুরে দেখতে লাগলাম।
১। ঈশ্বরে বিশ্বাসের পেছনে কোন যুক্তি বা প্রমাণ নেই । এটি একটি যুক্তিহীন প্রমাণহীন বিশ্বাস । ঈশ্বরের অস্তিত্ব কেবল মানুষের মনে আছে, বাস্তবে নেই । তাই ঈশ্বরে বিশ্বাস মানুষকে অযৌক্তিক চিন্তা করতে শেখায়।
২। যখন আর অন্যকিছু করার থাকে না তখন মানুষ ঈশ্বরের কাছে সাহায্য চায়, এতে মনে কিছুটা সান্তনা পায় । কিন্তু আসলে ঈশ্বরের কোন কিছু করার শক্তি নেই
৩। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলে কেবল মানুষের মনোবল একটু বৃদ্ধি পায়- এছাড়া আর কোন উপকার নাই।
প্রিয়া সাহা ট্রাম্পের কাছে গোটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলি করলো, সেটাকি একেবারেই ভিত্তিহীন? হয়তো প্রিয়া যে সংখ্যা গুলো দিয়েছে সেগুলো সঠিক নয়, কিন্তু আমরা এ ধরনের বেশ কিছু খবর পেয়েছি ।
ধর্মের কারণে, বিশেষ করে, একটি বিশেষ ধর্মের অত্যাচারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, এবং নাস্তিকদের প্রাণ দিতে হয়েছে, ঘর বাড়ি ছাড়া হতে হয়েছে, এমন ঘটনা বিরল নয়।
কিছু দিন আগে, সাফা কবির মোসাররফ করিমকেও, শুধু মাত্র তাদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের জন্য, বিশাল এক হুমকির মুখে পড়তে হয়। Continue reading →
আমি আফ্রিকার গাম্বিয়ায় বেড়াতে গেছি, সাথে আমার এক বিজ্ঞানী বন্ধু। বেড়াতে গিয়ে সেখানকার ধর্ম গুরুর সাথে তুমুল তর্ক বেধে গেল। তার দাবি পুঙ্গা পুঙ্গা ধর্ম গ্রন্থে ৪০০০ বছর আগেই বিগ ব্যাং এর কথা লেখা আছে।
মুসলমানদের দাবি যে কোরান আল্লাহ্র বানী, এতে একটা ভুল ও নেই, থাকতে পারেনা। যদি এতে একটাও ভুল পাওয়া যায় তবে এই কুরআন মিথ্যা বলে প্রমাণিত হবে । দুঃখের বিষয় হল কোরানে অনেক ভুল থাকা সত্ত্বেও মুমিনরা এই ভুল গুলো মেনে নেয় না । তারা একের পর এক আর্গুমেন্ট এনে খাড়া করে এবং এক ধরনের মেন্টাল জিমনাস্টিক করে এই ভুল গুলোকে সহিহ করে নেয়।
আমরা প্রায়ই গর্ব করে বলি যে কোরান বিজ্ঞানে ভরপুর। বিজ্ঞান মহাবিশ্বের যেসব রহস্য উদঘাটন করেছে কিছু দিন আগে, তা ১৪০০ বছর আগেই কোরানে লিপিবদ্ধ করা ছিল। যেমন বিগ ব্যাং, দিন রাত্রি কিভাবে হয়, পৃথিবীর আকৃতি, ইত্যাদি ইত্যাদি।
যারা বলেন যে কোরানে কোন বৈজ্ঞানিক ভুল নেই, কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সাথে কোন সংঘর্ষ নেই অথবা কোরানে অমুক জিনিষ ১৪০০ বছর আগেই বলা ছিল, তাদের জবাবে অনেক গুলো লেখা অলরেডি লিখেছি কিন্তু মনে হচ্ছে তারা এগুলো পড়েনি বা মাথায় ঢুকে নি তাই তারা এখনো ত্যানা পেচিয়ে যাচ্ছে। Continue reading →