বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নাস্তিকতা

সংক্ষিপ্ত ভূমিকা
বাংলা সমাজে নাস্তিকতা নিয়ে প্রচলিত ধ্যান-ধারণাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো — “নাস্তিকরা মানসিকভাবে দুর্বল বা ‘সোসাল এনজাইটি’–এর মতো রোগে আক্রান্ত।” কিন্তু বাস্তবতা জটিল এবং বহুস্তরীয়। বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জগতে যে অনেকে ঈশ্বর-অবিশ্বাসী (atheist) বা অজ্ঞেয়বাদী (agnostic), তা কেবল ব্যক্তিগত ধর্মানুভব নয়—তার পেছনে রয়েছে ঐতিহাসিক, জ্ঞানতাত্ত্বিক ও সামাজিক কারণ। নিচে এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হলো। Pew Charitable Trust

উল্লেখযোগ্য নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদী বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের তালিকা

🔬 জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা

  • রিচার্ড ডকিন্স – বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানী, The God Delusion গ্রন্থের লেখক, স্পষ্ট নাস্তিক।
  • ফ্রান্সিস ক্রিক – ডিএনএ-র গঠন আবিষ্কারক, প্রকাশ্যে নাস্তিক।
  • জেমস ডি. ওয়াটসন – ডিএনএ আবিষ্কারে ক্রিকের সহ-আবিষ্কারক, নিজেকে নাস্তিক বলে পরিচিত।
  • জে. বি. এস. হ্যালডেন – বিখ্যাত জেনেটিসিস্ট, মার্ক্সবাদী ও নাস্তিক।
  • অ্যান্ড্রু ফায়ার – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, আরএনএ ইন্টারফারেন্স আবিষ্কারক, নাস্তিক।
Continue reading

ব্যক্তি নির্ভর রাজনীতি বনাম গণতান্ত্রিক চেতনা: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

🔶 ভূমিকা

বাংলাদেশের রাজনীতি যেন এক অবিচ্ছেদ্য নাট্যশালার মঞ্চ, যেখানে কেবল কয়েকজন চিরচেনা অভিনেতার আবর্তে কাহিনী আবদ্ধ। প্রতিনিয়ত আমরা শুনি—শেখ হাসিনা না খালেদা জিয়া, কিংবা মাঝে মাঝে উঠে আসে ডঃ ইউনুসের নাম। রাজনৈতিক আলোচনায় নীতির চেয়ে ব্যক্তির গুরুত্ব বেশি, আর গণতন্ত্র রয়ে গেছে স্লোগানে বন্দি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা কি কেবল ব্যক্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে? এবং যদি সেই ব্যক্তি হঠাৎ না থাকেন, তখন কী ঘটে?


🔶 ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বাস্তবতা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো বেশিরভাগ সময় ব্যক্তির নামেই পরিচিত।

  • আওয়ামী লীগ মানে শেখ হাসিনা
  • বিএনপি মানে খালেদা জিয়া বা তারেক রহমান
  • বিকল্প চিন্তা মানেই ইউনুস বা কেউ “নতুন”
    দলীয় গঠনতন্ত্র, আদর্শ, রাজনৈতিক কর্মসূচি বা গণতান্ত্রিক চর্চা তেমন আলোচনার মধ্যেই আসে না।

এই সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিকে এমন এক পর্যায়ে এনেছে, যেখানে জনগণও নেতৃত্বের গুণাবলি নয়, বরং ‘কে’ সেটা করছে, সেটাই বড় করে দেখে।

Continue reading

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও মুসলমানদের ‘জয়’: বাস্তবতা বনাম ভেলকি-তন্ত্র

মুসলমান সমাজে একটি ব্যাপক প্রচলিত বিশ্বাস আছে—যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়, তবে সব ইহুদি, খ্রিষ্টান, নাস্তিক, কাফের একেবারে ছাই হয়ে যাবে, আর মুসলমানদের জয় হবে সর্বত্র। ইসলাম ছড়িয়ে পড়বে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ার থেকে শুরু করে মস্কোর লাল স্কোয়ার পর্যন্ত। এমনকি গুগলের লোগোও কালেমা পড়ে উঠবে।

অনেকের ধারণা, তখন সব মুসলমান তরবারি হাতে ঘোড়ায় চড়ে “আল্লাহু আকবার” বলে দুনিয়া জয় করবে। ব্যাপারটা যেন “Game of Thrones” আর “বদর যুদ্ধ” মিলিয়ে একটা নতুন ওয়েব সিরিজের মতো শোনায়।

Continue reading

নৈতিকতার উৎস কি?

“নৈতিকতার উৎস কী?” — এটি একটি গভীর দার্শনিক প্রশ্ন এবং এর একক উত্তর নেই। বিভিন্ন দর্শন, ধর্ম ও মনোবিজ্ঞান এটি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়। নিচে কিছু প্রধান দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হলো:

✅ ১. ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি:

অনেক ধর্ম মনে করে নৈতিকতা আসে ঈশ্বর বা ধর্মীয় বাণী থেকে।
উদাহরণ:

  • ইসলাম বলে, হালাল-হারাম বা ভালো-মন্দ নির্ধারিত হয়েছে আল্লাহর বিধানে।
  • খ্রিষ্টানরা বলে, নৈতিকতা এসেছে ঈশ্বরপ্রদত্ত “টেন কমান্ডমেন্টস” থেকে।
  • হিন্দু ধর্মে ধর্ম (Dharma) হলো জীবনের নৈতিক কর্তব্য, যা শাস্ত্র অনুসারে নির্ধারিত।

সমালোচনা: ধর্ম ছাড়া কি নৈতিকতা থাকতে পারে না? ধর্ম না মানা মানুষরাও তো নৈতিক হয়!

Continue reading

নাস্তিকতা কি ধর্ম?

১. পদার্থের “ধর্ম” বনাম প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম

আপনি খুব সঠিকভাবে আলাদা করেছেন যে “আগুনের ধর্ম” বা “জলের ধর্ম” বলতে বোঝানো হয় তাদের স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য — যেমন আগুন পোড়ায়, জল ভিজায়। এই ব্যবহারটি ভাষাগত ও বৈজ্ঞানিক, ধর্মতাত্ত্বিক নয়।

কিন্তু আমরা যখন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম নিয়ে কথা বলি — যেমন ইসলাম, খ্রিষ্টান ধর্ম, হিন্দু ধর্ম — তখন বিষয়টি হয়:

  • একটি বিশ্বাস ব্যবস্থা (বিশেষত ঈশ্বর বা অতিপ্রাকৃত সত্ত্বায় বিশ্বাস),
  • নীতিনৈতিক কাঠামো (হালাল-হারাম, পাপ-পুণ্য),
  • আচার-অনুষ্ঠান (নামাজ, পূজা, যাজকীয় আচরণ),
  • এবং একটি সংগঠিত সামাজিক কাঠামো

২. নাস্তিকতা শুধুই ঈশ্বরে অবিশ্বাস

আপনি একদম ঠিক বলেছেন—নাস্তিকতা নিজে কোনো ধর্ম নয়। নাস্তিকতা হলো একপ্রকার বিশ্বাসহীনতা (বিশেষ করে ঈশ্বর বা অতিপ্রাকৃত সত্তায় অবিশ্বাস)।

নাস্তিকতা:

  • কোনো নির্ধারিত আচরণবিধি বা আচার-অনুষ্ঠান অনুসরণ করে না,
  • কোনো পবিত্র গ্রন্থ বা নৈতিক নির্দেশাবলি দিয়ে পরিচালিত হয় না,
  • এবং নিজেই কোনো “ধর্ম” নয়, বরং অনেক সময় ধর্মের প্রতিপক্ষ।
Continue reading

পহেলা বৈশাখ ও পান্তা-ইলিশ: ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প

পহেলা বৈশাখ— বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ দিনটিকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় পুরো বাংলাদেশজুড়ে। রঙিন পোশাক, মঙ্গল শোভাযাত্রা, গান-বাজনা, আর ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজন মিলেই বাঙালির নববর্ষ উদযাপন। আর এই খাবারের তালিকায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একেবারে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পান্তা-ইলিশ। কিন্তু এই পান্তা-ইলিশ কি আদিকাল থেকেই পহেলা বৈশাখের অংশ ছিল? না কি এটি আধুনিক যুগে তৈরি হওয়া এক নতুন রীতি?

প্রাচীন পান্তার চর্চা

ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের শ্রেষ্ঠ কবি বিজয়গুপ্ত লিখেছেন:

“আনিয়া মানের পাত বাড়ি দিল পান্তাভাত।”

এখানে ‘মান’ বলতে বোঝানো হয়েছে মানকচুর পাতা, যা দিয়ে পান্তা পরিবেশন করা হতো। পান্তার সঙ্গে তখন সহজলভ্য দেশি মাছ যেমন পুঁটি, কৈ, টাকি কিংবা ট্যাংরা খাওয়ার প্রচলন ছিল। ইলিশ মাছ তখন পান্তার সঙ্গী ছিল না।

Continue reading

পহেলা বৈশাখ মানি না

😤

—————————————————-

✍️একজন গাঁজায়-অনুপ্রাণিত মুমিন

১৪ ই ফেব্রুয়ারীর মতোই এটা একটা বেহায়া দিবস। 😡😡

এতদিন ধৈর্য ধরছিলাম, কিন্তু পহেলা বৈশাখ আসলেই দেখি দেশের সর্বনাশের মৌসুম শুরু হইয়া যায়!

নাচ, গান, ঢোল-তবলা, মাথায় পাখার মতো ফুল, আর মূর্তি… হ্যাঁ, মূর্তি পূজা! নাউজুবিল্লাহ মিন জালিখখ।

Continue reading

যেখানে আল্লাহ ফেল মারে

নূহ (আ.)-এর কাহিনি সংক্ষেপে:

নূহ (আ.) প্রায় ৯৫০ বছর তার জাতিকে এক আল্লাহর উপাসনা করতে আহ্বান করেছিলেন।

কিন্তু তার জাতির অধিকাংশ মানুষ তার কথা মানেনি এবং আল্লাহর অবাধ্য হয়েছিল।

তারা শুধু অমান্যই করেনি, বরং নূহ (আ.) ও তার অনুসারীদের কষ্ট দিয়েছে, অপমান করেছে এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট বলেছে।

আল্লাহ তাদের ওপর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং নূহ (আ.)-কে একটি নৌকা বানানোর নির্দেশ দেন।

তারপর মহাপ্লাবন (বড় বন্যা) আসে, যা অবিশ্বাসীদের ধ্বংস করে ফেলে।

Continue reading

ধর্ম, নাস্তিকতা ও নৈতিকতা নিয়ে কিছু কথা

আজকাল মুমিনরা দেখি বেশিরভাগ সময়ে নাস্তিকদের গালি গালাজ করে লাইভ করে, কিন্তু আল্লাহর প্রমাণ নিয়ে কোনো লাইভ করেন না। কথা হচ্ছে, নাস্তিক খারাপ হলে ধর্ম ভালো হয়ে যায় না, বা আল্লাহ আছে প্রমাণ হয়ে যায় না।

প্রথমত, মুমিনদের ধারণা নেই নাস্তিকতা কাকে বলে বা একজন মানুষ কেন নাস্তিক হয়। তারা যা করেছে সেটা হচ্ছে ধর্মের নামে মিথ্যাচার ছড়ায়, পক্ষান্তরে নাস্তিকরাই সঠিক ধর্ম প্রচার করে। একজন মানুষ নাস্তিক হয় যখন সে বুঝতে পারে ধর্মগুলো ভুয়া। এর সাথে অপরাধ বা অন্য কিছুর কোনো সম্পর্ক নেই।

একজন মানুষের কি ভালো হতে বা মানবিক হতে ধর্মের প্রয়োজন হয়? মানুষ ভালো হতে হলে ধর্মের প্রয়োজন নেই। কোনো একটি কাজ ভালো বা খারাপ হয় যুক্তির উপর নির্ভর করে। কোনো কাজ যদি ভালো হয়, সেটা যুক্তি দিয়েই প্রমাণ করা যায়। সেটা ধর্মে আছে কি নেই, তাতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু যদি মানুষ ধর্মকে মানদণ্ড মনে করে, তবে ধর্মের সব খারাপ দিকগুলোও সঠিক বলে মেনে নিতে হবে।

একজন নাস্তিক খারাপ হতে পারে অথবা ভালো হতে পারে, কিন্তু একজন ধার্মিক, যে কিনা অন্ধভাবে ধর্ম বিশ্বাস করে, কোনোদিন ভালো হতে পারে না কারণ তার কাছে ভালো-খারাপের মানদণ্ড ধর্ম। ধর্মে যদি হিংস্রতা, অমানবিকতা, নৃশংসতা থাকে তবে সেগুলোকেও তারা ভালো মনে করে। আসলে মানুষ যদি চিন্তাশীল না হয়, তবে সে ভালো-মন্দের বিভেদ করতে পারে না।

মুমিনদের উদ্দেশ্যে বলি, আপনাদের নাস্তিকতা নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে। আপনারা নাস্তিকতাকে ধর্মের মতোই মনে করেন। এবং আপনারা প্রচার করেন যে নাস্তিকতায় কোনো বাছ-বিচার নেই, যে যা খুশি করতে পারে ইত্যাদি।

নাস্তিকতা হচ্ছে এমন একটি অবস্থান যেখানে কোনো ব্যক্তি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না, অথবা ধর্মের প্রথা ও বিশ্বাসকে সত্য মনে করেন না। নাস্তিকতার প্রধান বিষয় হচ্ছে যুক্তি ও প্রমাণের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধর্মীয় ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। নাস্তিকরা সাধারণত মনে করেন যে মানবিকতা ও নৈতিকতার ভিত্তি যুক্তি, মানবিক চেতনা, এবং অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে, ধর্মীয় বিধানের ওপর নয়।

অন্যদিকে, ধর্ম একটি সংস্কৃতি বা বিশ্বাসের ব্যবস্থা যা সাধারণত মানুষকে ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে এবং বিশেষ নৈতিক আদর্শ অনুসরণ করতে বলে। যদিও অনেক ধার্মিক ব্যক্তিই ধর্মকে মানবিকতা ও ভালো কাজের উৎস হিসেবে দেখেন, তবে ধর্মীয় বিশ্বাস অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার, বা সীমাবদ্ধ নৈতিকতা তৈরি করতে পারে।

একজন মানুষের ভালো বা খারাপ হওয়া তার চিন্তাভাবনা, যুক্তি, এবং কর্মের ওপর নির্ভর করে, ধর্মে বিশ্বাস করার ওপর নয়। এই যুক্তি বিভিন্ন দর্শনের মধ্যেও পাওয়া যায়, যেমন সেকুলার হিউম্যানিজম, যেখানে নৈতিকতা ও মানবিক আচরণের মূল ভিত্তি ধর্ম নয়, বরং মানবিক অভিজ্ঞতা ও বোধ।

একজন ধার্মিক ব্যক্তি সবসময় ভালো না হতে পারেন, যদি তিনি অন্ধভাবে ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণ করেন এবং নিজে কোনো যুক্তি ব্যবহার না করেন। অন্যদিকে, একজন নাস্তিক ভালো হতে পারেন কারণ তিনি যুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করেন। তবে এটা বলাও গুরুত্বপূর্ণ যে, একজন ধার্মিকও তার ধর্মীয় শিক্ষার বাইরে গিয়ে যুক্তি এবং মানবিকতাকে গ্রহণ করে ভালো হতে পারেন।

শেষ কথা হলো, একজন নাস্তিক ধর্ম ত্যাগ করে ধর্মের অমানবিকতা, অযৌক্তিকতা এবং বিশ্বাস করার মতো কোনো যুক্তি বা প্রমাণের অভাবে। যুক্তি-প্রমাণ থাকলে কেউ নাস্তিক হতে পারে না।

ধর্ম এবং নাস্তিকতা উভয় ক্ষেত্রেই মানুষ তার নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের উন্নতি করতে পারে, যদি তিনি চিন্তাশীল এবং মানবিক হন।

May be an image of 1 person and text

খুলনার সোনাডাঙ্গা ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ

🚨 খুলনার সোনাডাঙ্গা ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ 🚨

🌟 আমাদের প্রশ্ন: আমরা কি সত্যিই মানবতা ও সহমর্মিতার পথে এগোচ্ছি?

খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ১৫ বছরের একটি কিশোরের গণপিটুনি, যা নবীকে নিয়ে কটুক্তির একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে, অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা আমাদের সমাজের জন্য একটি অশনি সংকেত এবং এর আগে ফেসবুকের ভুয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

💥আমরা সঠিকভাবে কি দেখতে চাই? ১. গণপিটুনি ও সহিংসতার তীব্র প্রতিবাদ: আইন বহির্ভূত বিচার কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ২. আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ: কিশোরের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং ঘটনার সত্যতা প্রকাশে সহযোগিতা করতে হবে। ৩. মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ: সমাজ গঠনে সহানুভূতি, শ্রদ্ধা এবং মানবিকতার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।

🚫 আমাদের প্রত্যাশা:

অবিলম্বে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

সামাজিক শান্তি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই সচেতন হোন।

আজকের এই ঘটনায় আমরা সবাই মিলে নীরব না থেকে, সোচ্চার হই। আমাদের সমাজের শান্তি ও মানবিকতা রক্ষায় সকলে এগিয়ে আসুন।

‘নবীকে নিয়ে কটূক্তি’ করায় পুলিশ কার্যালয়ের ভেতরেই গণপিটুনির শিকার কিশোর

#প্রতিরোধ#সহিংসতারবিরুদ্ধে#মানবিকতা#শান্তি