প্রিয়া সাহা – ট্রাম্পের কাছে গোটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ

প্রিয়া সাহা ট্রাম্পের কাছে গোটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলি করলো, সেটাকি একেবারেই ভিত্তিহীন? হয়তো প্রিয়া যে সংখ্যা গুলো দিয়েছে সেগুলো সঠিক নয়, কিন্তু আমরা এ ধরনের বেশ কিছু খবর পেয়েছি ।

ধর্মের কারণে, বিশেষ করে, একটি বিশেষ ধর্মের অত্যাচারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, এবং নাস্তিকদের প্রাণ দিতে হয়েছে, ঘর বাড়ি ছাড়া হতে হয়েছে, এমন ঘটনা বিরল নয়।

কিছু দিন আগে, সাফা কবির মোসাররফ করিমকেও, শুধু মাত্র তাদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের জন্য, বিশাল এক হুমকির মুখে পড়তে হয়। Continue reading

আফ্রিকার পুঙ্গা পুঙ্গা ধর্ম গ্রন্থে বিগ ব্যাং –

আমি আফ্রিকার গাম্বিয়ায় বেড়াতে গেছি, সাথে আমার এক বিজ্ঞানী বন্ধু। বেড়াতে গিয়ে সেখানকার ধর্ম গুরুর সাথে তুমুল তর্ক বেধে গেল। তার দাবি পুঙ্গা পুঙ্গা ধর্ম গ্রন্থে ৪০০০ বছর আগেই বিগ ব্যাং এর কথা লেখা আছে।

Continue reading

তিমি মাছের উপরে পৃথিবী? কোরানে বৈজ্ঞানিক ভুল ৪

মুসলমানদের দাবি যে কোরান আল্লাহ্‌র বানী, এতে একটা ভুল ও নেই, থাকতে পারেনা। যদি এতে একটাও ভুল পাওয়া যায় তবে এই কুরআন মিথ্যা বলে প্রমাণিত হবে । দুঃখের বিষয় হল কোরানে অনেক ভুল থাকা সত্ত্বেও মুমিনরা এই ভুল গুলো মেনে নেয় না । তারা একের পর এক আর্গুমেন্ট এনে খাড়া করে এবং এক ধরনের মেন্টাল জিমনাস্টিক করে এই ভুল গুলোকে সহিহ করে নেয়।

Continue reading

সাত আসমান রহস্য – কোরানে বিজ্ঞান – ৩

আমরা প্রায়ই গর্ব করে বলি যে কোরান বিজ্ঞানে ভরপুর। বিজ্ঞান মহাবিশ্বের যেসব রহস্য উদঘাটন করেছে কিছু দিন আগে, তা ১৪০০ বছর আগেই কোরানে লিপিবদ্ধ করা ছিল। যেমন বিগ ব্যাং, দিন রাত্রি কিভাবে হয়, পৃথিবীর আকৃতি, ইত্যাদি ইত্যাদি।

Continue reading

আকাশ কি কঠিন পদার্থ? কোরানের বৈজ্ঞানিক ভুল – ২

যারা বলেন যে কোরানে কোন বৈজ্ঞানিক ভুল নেই, কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সাথে কোন সংঘর্ষ নেই অথবা কোরানে অমুক জিনিষ ১৪০০ বছর আগেই বলা ছিল, তাদের জবাবে অনেক গুলো লেখা অলরেডি লিখেছি কিন্তু মনে হচ্ছে তারা এগুলো পড়েনি বা মাথায় ঢুকে নি তাই তারা এখনো ত্যানা পেচিয়ে যাচ্ছে। Continue reading

বিজ্ঞানময় কোরান মতে পৃথিবী আগে সৃষ্টি হয়েছে না আকাশ? এবং কিছু হাস্যকর আয়াত

সূরা ফুস্‌সিলাত, (سورة فصلت‎‎), এর ১০ এবং ১১ নম্বর আয়াত লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে আল্লাহ্‌ আগে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন তার পর আকাশ।

সূরা ফুস্‌সিলাত, (سورة فصلت‎‎), এর ১০ এবং ১১ নম্বর আয়াত ঃ


“তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।

Continue reading

মুনিনের সাথে তর্ক বিষয় আপনি আল্লাহ্‌ বিশ্বাস করেন না কেন?

১. মুমিনঃ ইসলাম যদি সত্য না হত তাহলে পৃথিবীর কোটি কোটি লোক এটা কিভাবে বিশ্বাস করে? সমাজের অনেক জ্ঞানী গুনি, শিক্ষিত লোক এটা বিশ্বাস করে, তো তারা কি সবাই বোকা?

নাস্তিকঃ একটা জিনিষ সত্য কি না তা কত জন বিশ্বাস করে, বা যারা বিশ্বাস করে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক স্ট্যাটাস, এসবের উপর নির্ভর করে না। সত্য নির্ভর করে প্রমাণের উপর।

Continue reading

আসমানি কিতাব বনাম বৈজ্ঞানিক থিওরি

মুমিনরা কোন থিওরির কথা শুনলে মনে করে যে সেটা সেই বিজ্ঞানীর উপর ওহি নাজিল হয়েছিল। আর মানুষ তাদের বই পড়ে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। আসলে ব্যাপারটা তা নয়। একটা বিজ্ঞানী কোন কিছু আবিষ্কার করলে বা থিওরি দিলে সেটা নিয়ে অনেক গবেষণা হয়। সেটা পেপারে আসে, জার্নালে ছাপা হয়। অন্যান্য। বিজ্ঞানীরা সেটা নিয়ে রিসার্চ করে। তারপর সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়।

Continue reading

কোরআনে সন্ত্রাস সৃষ্টির আয়াত/ Hate Speech in Quran

মুসলিমরা দাবি করে ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম মানবতার ধর্ম, ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। এতে কোন হিংসা বিদ্বেষ নেই। কোন জঙ্গি হামলা হলেই মুসলমানরা বলেন, ইসলামে জঙ্গিবাদের কোন স্থান নেই। যারা জঙ্গি এবং জিহাদি, তারা সহিহ মুসলিম নয়।

কিন্তু আপনি যদি কোন ওয়াজ মাহফিলে যান, তবে আপনি ঠিক তার উলটো কথাটা শুনতে পারবেন। আসলে যারা বলে ইসলাম শান্তির ধর্ম তারা প্রকৃত ইসলাম জানেনা এবং কোনদিন কোরআন হাদিস পড়েনি। কারণ আপনি যদি নিচের আয়াত গুলো পড়েন, তো শুধু অন্য ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা আর বিদ্বেষ দেখতে পাবেন।

# সন্ত্রাস সৃষ্টি করো ( কোরআন ৩:১৫১)

খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো। কারণ, ওরা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি। আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন। বস্তুতঃ জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট।

# কাটো জোড়ায় জোড়ায়

“… আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাটো জোড়ায় জোড়ায়।” (কোরান ৮ঃ১২)

Continue reading

মহাবিজ্ঞানময় গ্রন্থ!!!

পৃথিবীতে তিনটি মহাবিজ্ঞানময় গ্রন্থের নাম আমরা শুনি-
১। খৃস্টানদের বাইবেল
২। মুসলিমদের কোরান
৩। হিন্দুদের বেদ

Continue reading