১. “There is no book so far that I’ve read that talks about the fact of evolution” উনি নাকি এখনো পর্যন্ত এমন কোন বই ই পড়েন নি যেটা বিবর্তনবাদকে “fact ” হিসাবে বর্ণনা করে। আমার সন্দেহ হচ্ছে উনি কি আসলেই মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করেছেন নাকি মাদ্রাসা থেকে? নাকি জেনেশুনে সত্য গোপন করছেন? https://www.amazon.com/Fact-Evolution-Cameron-M-Smith/dp/1616144416
অনেকেই আমাকে এই প্রশ্ন টা করেছেন যে কোরান যদি আল্লাহ্র বানী না হয় তো কোরান কে লিখেছে? আসলে কোরানে যা আছে তা নিরক্ষর মহাম্মাদের পক্ষে লেখা সম্ভব নয় – একথা আমিও স্বীকার করি।
কোরান মহাম্মদ একা লেখেন নি, তাঁর সাথে অনেকেই জড়িত ছিল, যারা কোরানের তথ্য গুলি সংগ্রহ করেছিল এবং সংকলন ও কোরান রচনা করেছিলেন। এর মধ্যে তৎকালীন কবি, বিজ্ঞানি, এবং স্কলার রাও জড়িত ছিল। অনেক তথ্যই বাইবেল, তওরাত, পেগান ধর্ম, এবং পূর্ববর্তী ধর্ম ও ধর্ম গ্রন্থ গুলি থেকে এসেছে। এর মধ্যে গ্রিক পুরান এবং ফিলসফি উল্লেখ যোগ্য। আমার মতে কোরান যে আল্লাহ্র বানী এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, যে মিথ্যা টা আমরা হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বাস করে আসছি।
প্রশ্ন ২ ঃ আপনি কি আপনার দাদার দাদার দাদার দাদার দাদার দাদার দাদার দাদাকে দেখেছেন?
ঊত্তরঃ এই প্রশ্নটা আপাত দৃষ্টিতে একটা সরল প্রশ্ন মনে হলেও, এই প্রশ্নটা মোটেও সরল নয়। আস্তিক রা বলতে চাচ্ছেন যে আপনি যদি আপনার দাদার দাদার দাদার ………দাদাকে না দেখে বিশ্বাস করতে পারেন তাহলে আল্লাহ কে কেন নয়?
এখন প্রথম কথা হচ্ছে আমার দাদার দাদার দাদার …..দাদা একজন ছিলেন সেটা বিশ্বাস করা কতখানি যুক্তি সঙ্গত? আর এই যুক্তিতে একজন সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্বকে বিশ্বাস করা কতখানি যুক্তিসঙ্গত?
৪১ঃ৯ নং আয়াতে আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ২ দিনে।
৪১ঃ১০ নং আয়াতে ৪ দিনের মধ্যে খাবারের বন্দোবস্ত করেছেন।
৪১ঃ১১ নং আয়াতে ” অতঃপর আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন।”
৪১ঃ১২ নং আয়াতে ২ দিনে সপ্ত আকাশ নির্মাণ করেন।
৭ঃ৫৪ নং আয়াতে – সব কিছু সৃষ্টি করেছে ৬ দিনে।
২ঃ২৯ নং আয়াতে দুনিয়ার সব কিছু মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছে, অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন। Continue reading →
অনেক আস্তিক ভাইয়েরা আমাকে প্রশ্ন করেন আমি কেন নাস্তিক? বা নাস্তিকতা কাকে বলে? আমি যে একজন নাস্তিক এটা অনেকে কল্পনাই করতে পারেনা। তারা মনে করে আমি আসলে নাস্তিক নই, কুসংসর্গে পড়ে অথবা কোন দুর্ঘটনার কারণে নাস্তিক হয়ে গেছি। এবং তারা প্রায়ই আমাকে আস্তিক বানানোর চেষ্টা করে কিছু প্রশ্ন করে, যা নিতান্তই হাস্যকর। তাদের এমন একটা ধারনা যে প্রশ্ন করে করে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারবেন। আমি বেশিরভাগ সময়ই প্রশ্ন গুল এড়িয়ে যাই কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রস্ন গুল খুব সিলি, এবং একটু গুগলে সার্চ করলেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। আর উত্তর দিলেই শুরু হয় তেনা প্যাঁচানো আর মেনশন করা ।
একদিন দুই বন্ধু মিলে পাখি শিকারে গেল। তো, প্রতিবার গুলি করে পাখি মরছিল না- আর নাস্তিক বন্ধু বিরক্তির স্বরে বলে উঠে: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
শুনে আস্তিক বন্ধু কানে হাত দিয়ে সংশোধন করে দেয়: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন…
নাস্তিক বন্ধু সরি-টরি করে আবার পাখি শিকারে ব্যস্ত হলো।