মুমিন ভাইদের কাছ থেকে কিছু প্রশ্নের উত্তর পেলেই মুসলমান হয়ে যাব ইনশাল্লাহ ঃ (কউ আমিন না লিখে যাবেন না )
১. মুহাম্মদের কাছে হেরা গুহায় জিব্রাইল কোরানের বানী নিয়ে এসেছিল, এটা কি কোরানে লেখা আছে? লেখা থাকলে কোন সুরার কত নম্বর আয়াতে? আর যদি না লেখা থাকে তো মানবো কেন? আমি কিভবে বুঝব যে মহাম্মাদ (সঃ) চাপা মারেননি?
২. মোহাম্মাদের সাথে যোগাযোগ করতে আল্লাহর ফেরেস্তা কেন পাঠাতে হল? আল্লাহ্ কেন নিজে যোগাযোগ করলো না? আল্লাহ্র কমুনিকেশন স্কিল কি দুর্বল? মোহাম্মাদ কে একটা আই ফোন পাঠালেন না কেন? এখন তো আমাদের নির্ভর করতে হচ্ছে মোহাম্মাদের শ্রুতি শক্তি আর স্মৃতি শক্তির উপর, সে যে ভুল ভাল লিখতে বলেনি তার প্রমান কি?
৩. আল্লাহ ফেরেস্তা গোপনে কেন পাঠালেন ? সবার সামনে কেন পাঠালেন না? এখন তো কোন সাক্ষী সবুত পাওয়া যাবে না, আবার আমাদের মহাম্মদের কথার উপরি নির্ভর করতে হচ্ছে? .
বর্তমান যুগে কেউ যদি একই সাথে বহু স্ত্রীর সাথে ঘর করতে চায় তবে তাকে আমরা লুইচ্চা বলি। উদাহরন সরূপ আমরা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান, হোমো এরশাদের কথা স্মরণ করতে পারি, যিনি ছিলেন একজন সেলিব্রেটি লুইচ্চা।উনার ঘরে সুন্দরী বউ থাকা সত্বেও বহু নারীর সাথে সম্পর্ক রাখতেন, এবং বিয়েও করেছিলেন বেশ কয়েকটা।
আগেকার দিনের রাজা বাদশাহ রাও লুইচ্চা ছিল। তাঁরা মেয়ে মানুষ দিয়ে হেরেম খানা পূর্ণ করে রাখত। তা ছাড়া তাদের কোন দাসী বান্দি পছন্দ হলে তাদের সাথেও যৌন সম্পর্ক থাকত। ইতিহাসে একজন বিখ্যাত নবীর চরিত্র সেই রকম ছিল।
তার ঘর ভর্তি বউ (১৩/১৪ টা) থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধ বন্দীদের সাথে সঙ্গম করতো, দাসীর সাথে সংগম করত। তার নিজের বন্ধুর ৬ বছরের মেয়েকে এবং তার নিজের পালিত পুত্রের বউ কে দেখে ও সে লোভ সামলাতে পারেনি। তাহলে তাকে কেন লুইচ্চা বলা যাবে না ?
১. অজ্ঞতা থেকে যুক্তি (Argument from Ignorance Fallacy)ঃ “যদি আল্লাহ মহাবিশ্ব সৃষ্টি না করে তবে কে করলো?” আসলে এটি একটি “অজ্ঞতা থেকে যুক্তি” কারন তার আর কোন বিকল্প উত্তর জানা নাই ।
এই ধরনের কুযুক্তি বা কুতর্কের উদ্রেক ঘটে মূর্খতা বা অজ্ঞতা থেকে। এই ধরনের তার্কিকরা দাবি করে যে তার ধারনা টি সত্য কারন এটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়নি। তা ছাড়া তার ধারনা তার দাবিটা মিথ্যা প্রমান করতে হলে তার দাবির একটি বিকল্প সমাধান আমাকে দেখাতে হবে, তা না হলে তার টাই সত্য। সমস্যা হচ্ছে প্রতিটি দাবিই সত্য বলে প্রমান করার দায়িত্ব দাবি কারির নিজের । অন্য দের সেটা মিথ্যা প্রমান করার আগে সেটা তাকেই সত্য বলে প্রমান করতে হবে, নাহলে সেটা গ্রহনযোগ্য হবেনা। Continue reading →
যুক্তিতর্ক করার আগে ভালোরকম যুক্তি শেখা দরকার। যুক্তি শেখার সাথে সাথে কুযুক্তি কী জানা দরকার। নতুবা যুক্তির নামে কুযুক্তি দিয়ে মানুষ অযথা চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এতে যুক্তি তর্কের ফলে সংশ্লেষণ বা সিনথেসিসটি ঠিকমত হয় না; থিসিস এন্টিথিসিসের দ্বারা সিনথেসিস না হলে তর্ক বিতর্কের কোন মূল্যই থাকে না।
নাস্তিক বনাম আস্তিক পেইজে অনেকে তর্কের নামে যা বলে তা কুতর্ক ছাড়া আর কিছুই নয়। বিশেষত আস্তিকরা এই মূর্খামিটা বেশি করে। কারণ কোন কিছু না জেনে না বুঝে আস্তিক বা মুমিন হওয়া যায়, কিন্তু নাস্তিক হতে গেলে অনেক বেশি জানতে হয়।
১. আয়েশা যদি ৯ বছর বয়সে আডাল্ট হতে পারে তবে বিয়ে করলে প্রব্লেম টা কি?
২. বঙ্গবন্ধু যখম শেখ ফজিলাতুন্নেসাকে বিয়ে করেন তখন ওনার বয়স ৯-১০ বছর ছিল।
৩. ‘আইফেল টাওয়ার’ কি জিরাফের বিবর্তিত রুপ???
৪. কোরআন হল ১০০ % সত্য।।।আপনি একটা ভুল যদি খুজে পান।।।তাহলে আমি আজকেই খ্রিস্টান ধর্ম পালন করব।।।
৫. কোন মানুষের ক্ষেত্রে এতগুলো বৈঙ্গানিক সত্য ১৪০০ বছর আগে কিভাবে বলতে পারে?মাথা খাটান!
৬. আমার নাস্তিকদের কাছে এইক্কান অনেক বড় প্রশ্ন। বিজ্ঞান কোথায় বলেছে স্রষ্টা নেই???
৭. প্রায় ১৪০০ বছর আগে নাজিল হওয়া আল কোরআনের বিশ্লেষণ করে মানুষ মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন, তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে।
৮. বাস্তবে সকল নাস্তিক কিন্তু সমকামী না কিন্তু সকল সমকামীই নাস্তিক !!!
৯. একজন মুসলিম, খৃষ্টান, হিন্দু সমকামি হতে পারে। যে সমকামি সে মুসলিম নয়। ইসলামে সমকামিতার অনুমতি নাই।
১০. নাস্তিকীয় যুক্তি : যেহেতু গ্যাগারিন মহাকাশ ভ্রমণে ঈশ্বর দেখেন নি , সুতরাং ঈশ্বর নাই 🤣🤣🤣🤣🤣
১১. আচ্ছা!নাস্তিকরা কবে মানুষ থেকে বানরে বিবর্তিত হবে?কেও কি বলতে পারেন?
১. চন্দ্রের নিজস্ব আলো – “তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে ।” ( ৭১:১৫, ৭১:১৬ )
২. আকাশ একটি শক্ত কঠিন পদার্থ দিয়ে তৈরি, এর সংখ্যা সাতটি, এবং এতে কোন ফাটল নাই। – “যিনি সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন সুবিন্যস্তভাবে l তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোন অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না l তারপর তুমি দৃষ্টি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে নাও, তুমি কি কোন ফাটল দেখতে পাচ্ছ ?” (৬৭ঃ৩)
৩. মৌমাছির খাদ্য ফল – ” আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতগাহ্রে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর, এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। ” (১৬ঃ৬৮, ১৬ঃ৬৯)
৪. সূর্য রাতে জলাশয়ে ডুব দেয়! – “অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন” (১৮ঃ৮৬)
৫. সূর্য পৃথিবীকে আবর্তন করে। – “সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।” (৩৬ঃ৩৮)
৬. আল্লাহ শয়তান তাড়ানোর জন্য নক্ষত্র ছুড়ে মারে! – “আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি।” (৬৭ঃ৫)
৭. পুরুষের বীর্য নির্গত হয় মেরুদণ্ড এবং বক্ষ পাঁজরের মধ্য থেকে। – “অতএব, মানুষের দেখা উচিত কি বস্তু থেকে সে সৃজিত হয়েছে। সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে। এটা নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষপাজরের মধ্য থেকে।” (৮৬ঃ৫ – ৮৬ঃ৭ )
১. দাবা খেলা?
২. ছবি তোলা?
৩. প্রেম করা?
৪. সিনেমা দেখা?
৫. গনিমতের মাল?
৬. ৬ বছরের মেয়ে বিবাহ করা ?
৭. দাসীর সাথে সেক্স?
৮. ৪ জন বিবি?
৯. শুকর খাওয়া
১০.উটের পেশাব খাওয়া
১১. মেয়েদের পর্দা না করা
১২. ইসলাম ধর্মের বাইরে বিয়ে করা
১৩. মাসটার বেসন (হস্ত মৈথুন)
১৪. পর্ণ দেখা
১৫. বিয়ের আগে সেক্স
১৬. মদ্য পান
১. বিজ্ঞান সম্বন্ধে যত কম জানবে তত সে ঈশ্বর বিরোধী হবে… আর বিজ্ঞান সম্বন্ধে যে যত বেশি জনবে.. সে তত ঈশ্বরের আনুগত্য হবে
২. বিজ্ঞান এটা কালকে জেনেছে কিন্তু কোরানে এটা ১৪০০ বছর আগেই বলাছিল।
৩. প্রতিটি ধর্ম গ্রন্থেই নবিজীর কথা উল্লেখ আছে। প্রত্যেক মানুষের উচিৎ নবিজীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করা
৪. সন্ত্রাসীর কোন ধর্ম নেই, বোমা মারার আগে তারা কাফের হয়ে যায়
৫. বানর থেকে মানুষ হতে পারেনা কিন্তু মানুষ বানর হয়ে যেতে পারে
৬. পৃথিবীর সর্ব প্রথম ও সর্বশেষ ধর্ম ইসলাম
৭. ৯০% মুসলমানের দেশে সব পাপ নাস্তিকরাই করে
৮. আসলে কেউ নাস্তিক না, সবাই ইসলাম বিদ্বেষী ছুপা হিন্দু
৯. নাস্তিকতা বলে কিছু নাই, সবই অবাধ সেক্স আর জার্মানি যাওয়ার ধান্দা
১০. ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান
১১ প্রত্যেকটি শিশুই যখন জন্ম গ্রহণ করে তখন মুসলিম হয়েই জন্ম গ্রহন করে
১২.ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম, ইসলামের আইন অনুসরণ করলে সারা পৃথিবীতে শান্তি নেমে আসবে !!!!
এ ছাড়া আপনার যদি আরও কিছু চিরন্তন বানী জানা থাকে, নিচে কমেন্ট করুন!!
১. নাস্তিকদের ওস্তাদ কে, ডারউইন, মোফা, না নিল নিমু, ?
২. আল্লাহ আপনাদেরকে কোন মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন?
৩. নাস্তিক হইয়া লাভ কি ?
৪. যদি সৃষ্টিকর্তা না’ই থাকে তবে আমরা মারা যাবো কেনো?
৫. নাস্তিকদের কি কোন বই আছে যার ভিত্তিতে তাদের সম্পর্কে আমরা জানতে পারব?
৬. যত বড় নাস্তিকই হোক বিপদে পড়লে ঠিকই আল্লাহ আল্লাহ করে !!
৭. বিবর্তনের ফলে কি আমার symphony সেটখানা apple লেপ্টপে পরিনত হবে?
৮. গ্রুপটা আস্তিক বনাম নাস্তিক না হয়ে ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দু হওয়া উচিৎ ছিলো!
৯. আপনারা মৃত্যু বরন করলে কোন ধর্মের প্রথা অনুসারে ব্যবস্থা করবে???
১০. ফেরাউনকে দেখে যদি কেউ শিক্ষা গ্রহণ না করে তাহলে সে অত্যন্ত দুর্ভাগা।
১১. নাস্তিকদের আমন্ত্রণ জানাই যুক্তির টেবিলে। 🤣🤣😳😰😛😛
১২. নাস্তিকরা কেনো তাদের আপন মা বোনকে বিয়ে করেনা,নাকি তারা এ ক্ষেত্রে ধর্ম মেনে চলে…..??
আমার প্রশ্ন, কোন “রাষ্ট্র” ইসলামী হবে কেন? রাষ্ট্র হবে নিরপেক্ষ, সবার জন্য সমান।
“ঊত্তরে একজন মুমিন বলছেন ঃ আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ধর্ম ই হচ্ছে ইসলাম. বিজ্ঞানের যুগে ও তা প্রমাণিত যে ইসলামের ধর্ম গ্রন্থই মানুষকে সঠিক তত্থ দিয়েছে ১৪০০ বছর আগে, যা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক যুগ আগে। তাই মুসলমানরা তাদের সন্তানদের কোনো অজ্ঞ ওস্তাদ অথবা ভুলেভরা বই দিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করাকে সম্মতি না দেয়ার ই কথা. কারণ তারা জানে ২+২=৪ কেউ যদি বলে ৫ তাহলে তার থেকে কি বা শিক্ষার আছে???”
হায় মুমিন গন, আপনি কখনো অন্য কোন ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়ে জানার চেষ্টাও করেছেন?!!! জন্ম হয়েছে মুসলিম পরিবারে, বড় হয়েছেন কট্টর মুসলিম পরিবেশে তাই আপনার এমন মন্তব্য। আপনি তো নিজের ধর্মই ঠিক মত জানেন না। আপনাদের ব্রেন অয়াস করা হয়েছে। কোরানে অসংখ্য ভুল রয়েছে এবং অনেক নীতি বর্জিত কাজকে সমর্থন করা হয়েছে যেটা আপনারা অন্ধভাবে এড়িয়ে যান বা কোন ভাবে ন্যায়সংগত বা “ঠিক হইয়াছে” বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।