Author Archives: সত্যের সন্ধানী
কোরান ও হাদিস মতে পৃথিবী সমতল এবং স্থির প্রমানঃ
১। বাকারা; আয়াত ২২ : “যে পবিত্র সত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন,
২। সুরা আল হিজর; আয়াত ১৯ : “পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং ওতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; “
৩। সুরা ক্বাফ; আয়াত ৭ : “আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি ও তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি”
৪। সুরা আন- নাবা ; আয়াত ৬ :”আমি কি পৃথিবীকে বিছানা বানিয়ে দেইনি?”
Continue reading
ডঃ জাকির নাইকের ডিম
ডঃ জাকির আব্দুল করিম নায়েক হলেন ইসলামের একজন অতিজনপ্রিয় চিন্তাবিদ, ধর্মপ্রচারক, এবং বক্তা । এক কালে আমি উনার একজন ভক্ত ছিলাম। মুগ্ধ হয় পিছ টিভিতে আর ইউ টিউবে উনার লেকচার শুনতাম, আর দেখতাম উনি কিভাবে উইলিয়াম ক্যাম্বল আর শ্রী শ্রী রবি সংকরের ন্যায় বিশাল বিশাল বক্তাদের নাকানি চুবানি খাইয়েছেন ।
কিন্তু তার যেমন অতিজনপ্রিয়তা আছে, তেমনি সমালোচকেরও অভাব নাই। আমার পরিচিত কিছু সংখক হুজুরেরা মন্তব্য করেছে
Continue reading
নাস্তিকরা কি জারজ ?
মুমিনদের মতে যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন নি তাঁরা সবাই জারজ কারন তাদের বাবা মায়ের বিবাহ বৈধ নয়।
পৃথিবীর প্রতিটি ধর্ম ই নিজেদের শ্রেষ্ঠ বলে দাবি করে, কিন্তু ইসলাম এ ব্যপারে এক ধাপ এগিয়ে। তাঁরা শুধু শ্রেষ্ঠ বলেই দাবি করেনা, তাঁরা অন্য সব ধর্ম কে তুচ্ছ আর অবৈধ বলেও দাবি করে।
যেহেতু নাস্তিকদের বিবাহ বৈধ নয়, তাই তাদের সন্তানেরা জারজ, আর কারো বাবা মা যদি বিধর্মী হয়, তারাও জারজ, আর এই সুবাদে আমাদের বাঙালি মুসলমানেরা আমাদের মত যারা ধর্ম নিয়ে সমালোচনা করে তাদেরকেে জারজ বলে গালি দিতেও ছাড়েনা।
Continue reading
সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ একজন আছেন তার প্রমানঃ
বেশ কিছুদিন ধরে সৃষ্টিকর্ত যে আছেন তার অস্তিত্বের প্রমান খুজচ্ছি। যে প্রমাণ গুলো পেয়েছি তা নিম্নরুপঃ
.
.
.
.
(আপমার কাছে থাকলে নিচে কমেন্ট করুন)

অগণিত নেয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাত !!
অগণিত নেয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাত ! আহা, হাদীসে আছে আল্লাহ যাকে সবচেয়ে ছোট জান্নাত দেবেন তাকেও এ পৃথিবীর মতো দশ পৃথিবীর সমান জান্নাত দেবেন।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন-
” সেখানে (জান্নাত) যে দিকে তোমরা তাকাবে শুধু নিয়ামত আর নিয়ামত এবং একটি বিরাট সাম্রাজ্যের সাজ-সরঞ্জাম তোমরা সেখানে দেখতে পাবে। (সূরা দাহ্র করানঃ ৭৬ঃ২০) “
Continue reading
কোরানে মশা মাছির কথা আছে কিন্তু ডাইনোসরের কথা নাই কেন?
আমি বেয়াদব নাস্তিকদের জালায় অস্থির। তারা প্রায়ই আমাকে প্রশ্ন করে, কোরানে সামান্য মশা মাছির মতো তুচ্ছ প্রাণীর কথা লেখা আছে কিন্থু ডাইনোসরের মতো বিশাল বিশাল প্রাণীর কথা উল্লেখ নাই কেন? নাস্তিকদের কথা শুনে হাসি পায়। তাদের কোরানে ভুল ধরাটা স্বভাবে পরিণত হয়ে দাড়িয়েছে। শুধু বলে কোরানে এটা নাই কেন ওটা নাই কেন? মশা মাছির উদাহরন দিলে বলে হাতি ঘোড়া নাই কেন? আর হাতি ঘোড়া দেখালে বলে ডাইনোসর নাই কেন? যতসব …কাফেরের দল।
ওরে অভিস্পত নাস্তিক, তোরা মশা মাছিকে এত তুচ্ছ করে দেখিস কেন? আল্লাহ্র চোখে তো তোরা মশা মাছির চেয়েও তুচ্ছ। আর মশার কামড়ে আজ সমস্ত জাতিই ধরাশায়ী। পারলে এমন একটি কিট তোরা তৈরি করে দেখা?
Continue reading
এবার নাস্তিকদের কাছ থেকে জানতে চাই, উত্তর দিবেন প্লিজঃ এবং একটি ওপেন চ্যালেঞ্জ
বিজ্ঞান যা কিছু দিন আগে আবিষ্কার করেছে তা কোরানে ১৪০০ কছর আগেই ছিল।
যেমন চাঁদের আলোযে প্রতিফলিত আলো তা বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে কিছু দিন আগে, কিন্তু কোরানে তা ১৪০০ কছর আগেই লিখা ছিল। আর আকাশ যে সাতটি আছে তা আধুনিক বিজ্ঞান এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি।
“তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে ।” ( ৭১:১৫, ৭১:১৬ )
এখানে “আলোরূপে” বলতে আল্লাহ বুঝিয়েছেন প্রতিফলিত বা ধার করা আলোক রুপে (সুভানআল্লাহ)
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে। বুখারী ও ইবনে মাজাহ হাদীসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয় সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়। কেননা তার একটি ডানায় রোগ জীবানু রয়েছে, আর অপরটিতে রয়েছে রোগনাশক ঔষধ”(বুখারী)।
সত্যিই তিনি একজন প্রকৃত বিজ্ঞানী ছিলেন!!
জাহান্নামি নাস্তিকরা দাবি করে যে কোরান মুহম্মদের নিজের লেখা কিতাব কিন্তু কোরান আর হাদিস পড়লে যে জ্ঞান বিজ্ঞান পাওয়া যায় তা একজন নিরক্ষর অশিক্ষিত মেষপালকের ১৪০০ বছর আগে কিভাবে লিখা সম্ভব ???
পারলে কোরানের মতো একটি আয়াত লিখে দেখান তো (নিচে কমেন্ট করুন)

মুমিন ভাই দের কাছে আমার ৩ টি প্রশ্ন
১. আপনারা তো কোরানে নাই কিন্তু বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত থিওরি বিশ্বাস করেন। যেমন এটমিক থিওরি, জার্ম থিওরি, ইত্যাদি, তো ইভল্যুশন থিওরি বা বিবর্তন বাদ কেন বিশ্বাস করেন না?
২. আপনারা দাবি করেন যে আল্লাহ অতি-প্রাকৃতিক এবং সময় ও মহাশূন্যের বাইরে, তো মিরাজের রাতে ” নবিজী ঊর্ধ্বাকাশে সিদরাতুল মুনতাহায় আল্লাহ’র সাক্ষাৎ লাভ করেন।” আল্লাহ কি আকাশে থাকে? ডানা ওয়ালা বোরাকের পক্ষে কি মহাশুন্য পাড়ি দেওয়া সম্ভব?
৩. ডাইনোসর তো কোরানে নাই, আপনারা কি ডাইনোসরে বিশ্বাস করেন?

আমি মুসলমান ধর্ম গ্রহন করতে চাই, কেউ সাহায্য করুন?
মুমিন ভাইদের কাছ থেকে কিছু প্রশ্নের উত্তর পেলেই মুসলমান হয়ে যাব ইনশাল্লাহ ঃ (কউ আমিন না লিখে যাবেন না )
১. মুহাম্মদের কাছে হেরা গুহায় জিব্রাইল কোরানের বানী নিয়ে এসেছিল, এটা কি কোরানে লেখা আছে? লেখা থাকলে কোন সুরার কত নম্বর আয়াতে? আর যদি না লেখা থাকে তো মানবো কেন? আমি কিভবে বুঝব যে মহাম্মাদ (সঃ) চাপা মারেননি?
২. মোহাম্মাদের সাথে যোগাযোগ করতে আল্লাহর ফেরেস্তা কেন পাঠাতে হল? আল্লাহ্ কেন নিজে যোগাযোগ করলো না? আল্লাহ্র কমুনিকেশন স্কিল কি দুর্বল? মোহাম্মাদ কে একটা আই ফোন পাঠালেন না কেন? এখন তো আমাদের নির্ভর করতে হচ্ছে মোহাম্মাদের শ্রুতি শক্তি আর স্মৃতি শক্তির উপর, সে যে ভুল ভাল লিখতে বলেনি তার প্রমান কি?
৩. আল্লাহ ফেরেস্তা গোপনে কেন পাঠালেন ? সবার সামনে কেন পাঠালেন না? এখন তো কোন সাক্ষী সবুত পাওয়া যাবে না, আবার আমাদের মহাম্মদের কথার উপরি নির্ভর করতে হচ্ছে? .
আশা করি মুমিনরা কোরানের আয়াত থেকে বিষয় গুলি খোলাসা করবেন !! (মাহশাল্লাহ)

