বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বিষয় লক্ষ্য করছি যে পাঠ্যবইয়ে ডঃ জাফর ইকবালের লেখা ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে একটি প্রবন্ধ নিয়ে। একটি প্রবন্ধ গুগল থেকে অনুবাদ করে হুবহু কপি পেস্ট করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। তবে আমরা বিষয়টা নিয়ে যতদূর জেনেছি সেটা হল ডঃ জাফর ইকবাল এই প্রবন্ধটি লেখেন নি এবং এই ভুল ইচ্ছাকৃত ভাবে হয় নি।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একই পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে অনেকে জড়িত থাকেন, যাদের শ্রম ও নিষ্ঠার ফলাফল হিসেবে বইটি প্রকাশিত হয়।” উনি আরও বলেন “ওই অধ্যায়ের আলোচিত অংশটুকু লেখার দায়িত্বে আমরা দুজন (জাফর ইকবাল-হাসিনা খান) না থাকলেও সম্পাদক হিসেবে এর দায় আমাদের ওপরও বর্তায় ।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন কমিটির সদস্য মোহাম্মদ তারিক আহসান জাগো নিউজকে বলেন, “পাঠ্যপুস্তক হচ্ছে মূলত একটি সংকলন। এখানে অনেক লেখকের লেখা যুক্ত করা হয়ে থাকে। সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে একটি অধ্যায়ের দুটি প্যারাগ্রাফে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানো রেফারেন্সটা লেখা হয়নি। অসতর্কতার ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে।” – অর্থাৎ এখানে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কে রেফারেন্স হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে কিন্তু ভুল বসত এই “রেফারেন্স” কথাটি উল্লেখ করা হয় নি যা আগামী শিক্ষাবর্ষে সংশোধন করা হবে।

