পশ্চিমা বিশ্বে ১৪ ই ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ তাৎপর্য পূর্ণ দিন। এই দিনে প্রেমিক প্রেমিকারা তাদের ভালোবাসা সেলিব্রেট করে।
বাংলাদেশেও ভ্যালেন্টাইন ডে উদযাপিত হয়ে আসছে বেশ কিছু দিন ধরে। আমাদের দেশে তো অনেক আগে থেকেই পশ্চিমা কালচারের ছোঁয়া অনুভূত হয়ে আসছে । যেমন আমরা পাঞ্জাবি পায়জামা না পরে কোট টাই এবং জিনস আর টি শার্টে বেশি স্বাছন্দ বোধ করি।
বাংলাদেশে আরেকটি কালচার আছে যেটা হোল ধর্মীয় কালচার। এরা আরব দেশের কালচার কে নিজেদের কালচার মনে করে। পারলে বাংলা বাদ দিয়ে এরা আরবিতে কথা বলবে, যদিও এরা তেমন একটা আরবি বোঝে না।
তো ভালোবাসা একটি অত্যন্ত পবিত্র জিনিষ। স্বামী স্ত্রী অথবা প্রেমিক প্রেমিকা একে অপরকে ভালো বাসবে এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু এই ভালোবাসা দিবস নিয়ে বাংলাদেশে যত গণ্ডগোল। এক দল লোক এটাকে বিশ্ব বেহায়া দিবস বলে গালি দিচ্ছে।
আসলে মুসলিমদের কাছে ভালোবাসা বলতে কিছু নাই। মুসলিম কালচারে মেয়ে মানুষ কেনা বেচা হয়। বিয়ে এবং দাস দাসী ও এক প্রকার সওদা। বউ কে দেন মোহর দিয়ে কিনে নেওয়া হয়, এখানে ভালোবাসা বলে কিছু নাই। আর যে মানুষ ২/৪/৬ বা ১৪ টা স্ত্রী রাখতে পারে তাঁর আবার ভালোবাসা কিসের?
ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন শরিয়াহ আইনের পরিপন্থী নয় : সৌদি আলেম
কাগজে কলমে সৌদিতে ভালোবাসা দিবস পালন নিষিদ্ধ হলেও, সে আইন এখন অনেকটাই শিথিল। সৌদি আরবের এক আলেম বলেছেন, ভালোবাসা দিবস কোনো হারাম কিছু নয়। পরিবর্তনের যে হাওয়া সৌদি আরবে বইছে, এ যেন তারই আরেক দৃষ্টান্ত। এখন অনেক হারাম জিনিষ ই হালাল হয়ে যাচ্ছে।
ভ্যালেন্টাইনস ডে তে সৌদিতে এখন ফুলের দকান, রেস্টুরেন্ট, গিফট শপ খোলা থাকে ।
ফেসবুকে প্রাপ্ত মুসলিমদের কিছু কমেন্ট ও ছবি
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারী 
বিশ্ব বেহায়াপনা দিবস থেকে…..
আল্লাহ আমাদের সমস্ত মা’বোন’কে হেফাজত করুক আমীন!
ওহে বালিকা,,,
১৪ ফেব্রুয়ারিতে বেশী প্রেম এ হাবুডুবু খাইওনা।।।
আবার,,,
১৫ ফেব্রুয়ারিতে বমি বমি ভাব যেন না হই।
হায় বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন,আশা করা কেউ ভালো,আর কেউ মন্দ…আজ দিন টা হল ভালোবাসা দিবস ,,,,মানুষের জীবনে ভালোবাসার অভাব রয়েছে এর কারণে ভালোবাসা দিবস পালন করে,,যে যে আমার সাথে একমত সে কমেন্ট করে জানান,,,,,
আসসালামুয়ালাইকুম
বছরের এমন কোন দিন নেই যে দিনে পাসচাত্তের দেশ গুলোতে নগ্ন অসলিন কার্যকলাপ সংঘটিত হয় না। বেদীন নীরলজ্জরা প্রতিদিনিই কাটায় ব্যহায়াপানা উরমাদ হয়ে,অসভতায় ডুবে থেকে। ওরা নিজেদের এই অসভ্য কৃস্টি-কালচার গুলোকে যত্র-তত্র ছরিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু নোংরা জগন্ন দিবসের প্রচলন ঘটিয়েছে। যে সব দিবস এ তাদের অসভ্যতা চরম সিমায় পোছে যায়।তারা জন্তু জানোয়ারের মতো প্রকাস্যে যৌন আচরে লিপ্ত হয়।
পাসচাত্তের এই অসভ্য নোংরা সংকৃতিকে ছরিয়ে দেওয়ার যত নিকৃষ্ট দিবস আছে তার মধ্যে অন্যতম জঘন্য একটি দিবস হচ্ছে বেলেনটাইন ডে কথিত বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই ভালোবাসা দিবসের নামে পাসচাত্তের ন্যয় বাংলাদেশে হাজার হাজার তরুন তরুনি যেনা ব্যবিচারে মেতে উঠছে।আল্লাহ যে গুনার ধারে কাছে যেতেও আমাদের বারন করেছে আজ সেটাকেই মানুষ পবিত্র মনে করছে ।জীবনের সফলতা মাপার মাপ কাঠি মনে করছে।সবার আগে জরুরি হলো এই নোংরা সংকৃতি মঞ্চায়নের ইতিহাস টুকু জেনে নেওয়া কি এই ভালোবাসা দিবস কিভাবে এই নোংরা দিবসের সূচনা।
ভ্যালেন্টাইনস ডে নেপথ্য কাহিনিঃ
ক্যাথলিক বিশ্বকোষ এই ভ্যালেন্টাইন দিবস সম্পর্কে ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। বিভিন্ন বই এ লিখা প্রসিদ্ধ ঘটনা সরূপেই রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস এর রাজত্ব কালে বাধ্যতামূলক ভাবে অনেক রোমানীয় সদস্যকে সেনাবাহিনী তে যোগদান করতে হতো। কিন্তু বিবাহিত লোকজন স্ত্রী,সন্তান দের ছেরে সেনাবাহিনীতে যেতে চাইতো না। এ জন্য ক্লডিয়াস রোমান যুবকদের বিবাহ নিষিদ্ধ করে দিয়ে ছিল। ঐ সময় ভ্যালেন্টাইন নামক এক পাত্রী সম্রাটের এই অন্যায় ব্যবহার প্রতিবাদে গোপনে বহু প্রেমিক প্রেমিকাদের বিবাহের ব্যবস্থা করে ফলে সম্রাটের পক্ষ থেকে ঐ পাদ্রী কে গ্রেফতার করে মৃত্যু দণ্ড কার্যকর করা হয়। ঐ পাদ্রি তার মৃত্যুর পূর্বে তার এক নারী ভক্তকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি লিখে। সেই চিঠিতে লিখা ছিল LOVE FROM YOUR VALENTINE। এর পর থেকেই নাকি শুরু হয় এই দিবস। এমন অ্যারো কিছু কাহিনী কথিত আছে ।


