পাঠ্যবইয়ে ‘ভুল’: দায় স্বীকার করে জাফর ইকবাল-হাসিনা খানের বিবৃতি

বেশ কয়েকদিন ধরে একটি বিষয় লক্ষ্য করছি যে পাঠ্যবইয়ে ডঃ জাফর ইকবালের লেখা ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে একটি প্রবন্ধ নিয়ে। একটি প্রবন্ধ গুগল থেকে অনুবাদ করে হুবহু কপি পেস্ট করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। তবে আমরা বিষয়টা নিয়ে যতদূর জেনেছি সেটা হল ডঃ জাফর ইকবাল এই প্রবন্ধটি লেখেন নি এবং এই ভুল ইচ্ছাকৃত ভাবে হয় নি।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “একই পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে অনেকে জড়িত থাকেন, যাদের শ্রম ও নিষ্ঠার ফলাফল হিসেবে বইটি প্রকাশিত হয়।” উনি আরও বলেন “ওই অধ্যায়ের আলোচিত অংশটুকু লেখার দায়িত্বে আমরা দুজন (জাফর ইকবাল-হাসিনা খান) না থাকলেও সম্পাদক হিসেবে এর দায় আমাদের ওপরও বর্তায় ।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন কমিটির সদস্য মোহাম্মদ তারিক আহসান জাগো নিউজকে বলেন, “পাঠ্যপুস্তক হচ্ছে মূলত একটি সংকলন। এখানে অনেক লেখকের লেখা যুক্ত করা হয়ে থাকে। সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ে একটি অধ্যায়ের দুটি প্যারাগ্রাফে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানো রেফারেন্সটা লেখা হয়নি। অসতর্কতার ফলে এমন ঘটনা ঘটেছে।” – অর্থাৎ এখানে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি কে রেফারেন্স হিসাবে ব্যাবহার করা হয়েছে কিন্তু ভুল বসত এই “রেফারেন্স” কথাটি উল্লেখ করা হয় নি যা আগামী শিক্ষাবর্ষে সংশোধন করা হবে।

May be an image of 2 people and text that says "পাঠ্যবইয়ে 'ভুল': দায় স্বীকার করে জাফর ইকবাল- হাসিনা খানের বিবৃতি জযষ্ঠ প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৫:৩০ পিএম, জানুয়ারি ২০২৩ f"

কোরআনে কোন ভুল নাই কারন কোরআনে ভুল পাওয়া গেলেঃ

ইসলাম এতোটা নোংরা বর্বর মুসলিমরা বুঝতে পেরে এখন রেফারেন্স দিলেও মানেনা । এখন তারা হাদিস থেকে রেফারেন্স দিলে বলে হাদিস মানিনা, এটা মহাম্মাদের মৃত্যুর এত বছর পর অমুকের লেখা তমুকের লেখা। কোরান থেকে দেখালে বলে এটার ব্যাখ্যা আছে প্রেক্ষাপট আছে, আগের আয়াত পরের আয়াত। অনুবাদে ভুল। ইত্যাদি। আলেমদের রেফারেন্স দিলে বলে আলেম রা ভুল বলেছে। এখন হাদিস না মানলে ব্যাখ্যা, প্রেক্ষাপট এসব কোথায় পাবেন?

কোরআনে কোন ভুল নাই কারন কোরআনে ভুল পাওয়া গেলেঃ

——————————————————————-

১। এটা ভুল অনুবাদ।

২। আগে পিছে ডানে বামের আয়াত পড়তে হবে।

৩। এটার তাফসীর দেখতে হবে।

৪। এটা ভুল তাফসীর।

৫। এটা বিকৃত তাফসীর।

৬। শানে নুজুল দেখতে হবে।

৭। শানে নুজুলও ভুল বা বিকৃত হয়।

৮। হাদিসের ব্যাখ্যা দিতে হবে।

৯। প্রেক্ষাপট দেখতে হবে।

১০। এটা ভিন্ন প্রেক্ষাপট।

১১। আলেমরা কি বলে দেখতে হবে।

১২৷ আলেমদের মধ্যেও কাফের আছে।

১৩। আপনি বিজ্ঞানই বুঝেন না কোরআন বুঝবেন কেম্নে?

১৪। ১৪০০ বছর আগে যেটা কোরআনে লিখা আছে মাত্র ২০০ বছর আগে তা বিজ্ঞান জানতে পেরেছে।

১৫। কোরআন পড়ে অনেক বিজ্ঞানী মুসলিম হয়েছে।

১৬৷ কোরআন যদি মিথ্যা হত তাহলে আগুনে পুড়ত।

১৭। কোরআনই একমাত্র ধর্মীয় কিতাব যা মুখস্থ করা যায়।

১৮। কোরআন বুঝা এত্ত সহজ!

১৯। অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।

২০। কোরআন বুঝলে আপনি কোরআনের ভুল ধরতে পারতেন না।

২১। কোরআন বুঝার জ্ঞান আপ্নার নাই।

২২। কোরআন পড়ার আগে তা আপনাকে সত্য বলে মেনে নিতে হবে।

২৩। আপনি মানসিক রো গী।

২৪৷ এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। এখানে কো পা কুপি বলতে কোলাকুলি বুঝতে হবে।

২৫। এটা হাই লেভেল, মানুষের মাথার উপর দিয়ে যাবে।

২৬। বাসার ঠিকানা দে, তোর নাম পাল্টাস না কেন?

২৭। তুই নাস্তিক নাকি হিন্দু?

২৮। তুই ইস লাম বিদ্বেষী।

২৯। বা*ইঞ্চো দ, কু*ত্তার বা চ্চা, জা*নোয়ার।

৩০। আরে বোকা চো দা না বুঝে লাফায় বেশি।

৩১। কোরআনই বিজ্ঞান।

৩২। আপনি মূ র্খ।

৩৩। তুই জা র জ।

৩৪। আরবি জানেন?

৩৫। তখনকার ৬বছর মানে এখনকার ২০ বছর।

——————-

আর লিখতে পারছি না

আসলে কাফেরদের অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন তাই আপ্নে কোরআন বুঝেন নি, তবে – মরার পর বুঝবেন ।!!!!!

নাস্তিকদের নৈতিকতার মানদন্ড কি?

মুমিনদের ধারনা যেহেতু নাস্তিক কোন ধর্ম মানে না। সুতরাং তারা কি করবে না করবে সে বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট বাধ্য বাদকতা নেই অর্থাৎ আপনি নাস্তিক হলে যা খুশি তাই করতে পারেন।

আসলে মুমিনদের জ্ঞান সিমিত থাকায় তারা নাস্তিকতা, মুক্তমনা, ব্যাক্তি স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয় গুলি গুলিয়ে ফেলেন, এবং বার বার বুঝিয়ে বলার পরেও তাদের মাথায় এগুলো ঢুকেন ।

অনেক মুমিন কে বলতে শুনা যায় নাস্তিকতা একটি ধর্ম এবং এই ধর্ম পালন করতে হলে ইসলামের বিপক্ষে যেতে হবে অর্থাৎ ইসলামে যেগুলা হালাল সেগুলা নাস্তিক ধর্মে হারাম আর ইসলামে যেগুলা হারাম নাস্তিক ধর্মে হালাল ।

আসলে নাস্তিকতা শুধু মাত্র ঈশ্বর বিশ্বাসের একটি অবস্থান মাত্র। অর্থাৎ ঈশ্বরে বিশ্বাস না করাকে নাস্তিকতা বলে। এর সাথে অন্য কিছু যুক্ত নয়। যেমন একজন নাস্তিক কি খাবে, কি পরবে, কার সাথে ঘুমাবে, এসব কিছুই নাস্তিকতার অন্তরভুক্ত নয়।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে একজন নাস্তিক তাহলে কি ভাবে আচরন করবে? এখানে নাস্তিক শুধু মাত্র নাস্তিক হয় না। সে মানবিক হতে পারে। জ্ঞানী হতে পারে। আবার মূর্খ ও হতে পারে। এটা নির্ভর করবে তার পারিবারিক শিক্ষার উপর । আমরা অধিকাংশ নৈতিকতা শিখি আমাদের পরিবার এবং সমাজের রীতি অনুযায়ী । এর সাথে যুক্ত হয় দেশের আইন।

একজন নাস্তিক সমস্ত নৈতিকতা বর্জন করে না। বরং সে মনে করে তার নৈতিকতার উৎস ঈশ্বর নয়। তার নৈতিকতার উৎস যুক্তি তথ্য এবং প্রমান।

একজন মানুষ ধর্ম মেনে সম্পূর্ণ নৈতিক হতে পারে না। অর্থাৎ যে মানুষটা সম্পূর্ণ রুপে ধর্ম পালন করে সে কোন দিন নৈতিক হতে পারে না। এর কারন হচ্ছে সে তার বিবেক বুদ্ধি, যুক্তি তথ্য প্রমান ইত্যাদি ব্যাবহার না করে ধর্মে যেটা আছে সেটাই পালন করে। উদাহরন সরূপ আমরা দেখতে পাই বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, সমর্থন করা মুমিনের সংখ্যা কম নয়। আবার দাসী সে*ক্স তারা নৈতিক মনে করে। এর বিপরিতে যুক্তি দেয় মেয়েরা অল্প বয়সে প্রেম করা শুরু করে অথবা পরস্পর সম্মতিতে তো যত খুশি সে* ক্স করা যায় নাস্তিক ধর্মে । তো সমস্যা কোথায়?

অনেকে প্রশ্ন করে কোনটা নৈতিক এবং কোনটা অ-নৈতিক এটা কে ঠিক করে দেয়? বা অমুক দেশে তো এটা মানে । আসলে নৈতিকতা কেউ ঠিক করে দেয় না। এটা নির্ভর করে যুক্তি তথ্য প্রমানের উপর। যুক্তি দিয়ে বিচার করুন কোনটা সঠিক । আর ভুল কাজ টা ভুল। সেটা যদি সবাই করে তবুও। তাই রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর বা শেখ মুজিবর রহমান কিছু করলেই সেটা সঠিক হয়ে যায় না।

আপনার কি খাওয়া উচিত, কি পরা ইচিত বা কার সাথে কি আচরন করা ইচিত এসবের জন্য যদি কিতাব প্রয়োজন হয় তাবে বুঝতে হবে আপনার প্রাইমারি লেভেলের শিক্ষার অভাব আছে। এই শিক্ষা আমরা পরিবার থেকেই পাই স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেই। আর স্কুল জীবনে আমরা এসব নৈতিকতা বেশির ভাগই শিখে ফেলি। কিন্তু মুমিন ভাইয়েরা আল্লাহ ছাড়া কিছু বুঝে না। তাদের প্রতিটা কাজ করার জন্য কিতাব প্রয়োজন হয়।

আমরা ১৪০০ বছর আগে একজন মরু ডাকাতের লেখা সেই কিতাবের নৈতিকতা থেকে অনেক এগিয়ে গেছি। আর কতো আমাদের জোর করে একজন মরু ডাকাতের দেওয়া নৈতিকতা পালন করতে বাধ্য করবেন?

অলৌকিক কুরান / ইসলামের গাণিতিক মিরাক্কেল

অলৌকিক কুরান / ইসলামের গাণিতিক মিরাক্কেলঃ –

১. মোহাম্মাদ (সঃ) ৫৪ বছর বয়সে মা আয়সা (রাঃ) কে বিবাহ করেন। এবং আয়শা (রাঃ) এর ৯ বছর বয়স হলে তিনি ছহবত করেন।

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৫+৪ = ৯

২. আয়শা (রাঃ) মোহাম্মাদের ৩ নম্বর স্ত্রী ছিলেন। মোহাম্মাদ (সঃ) তাকে ৬ বছর বয়সে বিবাহ করেন।

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৩+৬ = ৯

৩. মোহাম্মাদ (সঃ) এর নাম ইংলিশে লিখলে তার কাব্জাব ভ্যালু = ৪৭, আয়শা (রাঃ) এর নাম ইংলিশে লিখলে তার কাব্জাব ভ্যালু = ৩৮

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৪৭-৩৮=৯

৪. মোহাম্মাদ (সঃ) ৫৪ বছর বয়সে মা আয়সা (রাঃ) কে বিবাহ করেন। এবং আয়শা (রাঃ) এর ৯ বছর বয়স হলে তিনি ছহবত করেন।

৫৪+৯=৬৩, ৬+৩=৯

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৬৩ থেকে প্রথম সংখ্যা নিলে হয় ৬ এর পর মোহাম্মাদ (সঃ) এর বয়স লিখলে হয় ৬৫৪ অর্থাৎ ৬৫ নং সুরা, সুরা তালাকের ৪ নং আয়াত যেখানে বলা হচ্ছে যে কোন বয়সের মেয়েকে বিয়ে করা হালাল।

৫. মোহাম্মাদ (সঃ) এর ৩০ হর্স পাওয়ার যৌন শক্তি ছিল। তিনি এক রাতে তার ১১ বিবি এবং দাসীদের সাথে সেক্স করে মাত্র একবার গোসল করতেন। সুভান আল্লাহ। এই ভাবে সেক্স করলে তার ২০ টি যৌন রোগ হওয়ার স্মভাবনা ছিল, কিন্তু হয় নি। সুভান আল্লাহ।

গাণিতিক মিরাক্কেলঃ ৩০হর্স পাওয়ার -২০ যৌন রোগ =১০+১ গোসল=১১ বিবি, ২০রোগ -১১ বিবি=৯ সেক্স করার সময় আয়শার বয়স!!!

ওয়াও 😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍

ডাক্তার বড় না পুলিশ বড়? হায়রে বাংলার মানুষ!!

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেটা নিয়ে এত মাতামাতি করার কি আছে সেটা আমি বুঝলাম না। ভিডিওটি এমন যে একজন মহিলা ডাক্তারের গাড়ী পুলিশ থামিয়ে সেই ডাক্তারের আইডি চাওয়াতে ডাক্তার প্রচণ্ড ক্ষেপে যায় এবং ম্যাজিস্ট্রেট সহ সকল পুলিশদের তুই তুকারি এবং গালাগালি করতে থাকে।

ভাইরাল ভিডিওর ডাক্তার মহিলাটি কি কারনে ক্ষিপ্ত তা বুঝা যায়নি। এই ভিডিও থেকে যতদূর বুঝা যাচ্ছে যে পুলিশ খুব ভদ্র ভাবেই মহিলার আইডি চেয়েছিল । একজন দায়িত্বরত পুলিশ যে কোন কারণে আপনার পরিচয়পত্র চাইতে পারে। এ ব্যাপারে পুলিশের উপর সরকারের কড়া নির্দেশ আছে। যেখানে আইডি প্রয়োজন সেখানে অন্য কিছু, যেমন গাড়ীর স্টিকার, ডাক্তারের এপ্রন, ইত্যাদি দেখিয়ে লাভ নেই।

Continue reading

বাল্যবিবাহ : একটি সামাজিক ব্যাধি

বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি । বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষেরই কোন ধারণা নেই যে বাল্যবিবাহ এক প্রকারের ধর্ষণের পর্যায় পড়ে। এর প্রধান কারন হচ্ছে ধর্ম।

Continue reading

‘অপপ্রচার’ নিয়ে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের

সম্প্রতি একটা প্রেস রিলিস পাওয়া গেল যেটা বলছে –

“দেশ কিংবা বিদেশ থেকে সোশাল মিডিয়ায় সরকার, জনপ্রতিনিধি, সেনা কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে ‘অপপ্রচার’ বিষয়ে সতর্ক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Continue reading

আল্লাহর কী কুদরত – দুই দরিয়ার পানি মিশে না! কুরআনের মিরাকল?

পবিত্র কোরআনে এরশাদ হচ্ছে

“কে পৃথিবীকে করেছে আবাসযোগ্য এবং তার মধ্যে প্রবাহিত করেছেন নদী-নালা। আর তাতে স্থাপন করেছেন সৃদৃঢ় পর্বতমাল এবং দুই সাগরের মাঝখানে সৃষ্টি করেছেন অন্তরায় । আল্লাহর সঙ্গে কি অন্য কোনো ইলাহ আছে? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না। (নামাল, ২৭ : ৬১)”

Continue reading

বাংলাদেশে ইসলামী সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে (Attacks by Islamic extremists in Bangladesh থেকে পুনর্নির্দেশিত)

Continue reading