“তোমার ধর্ম তোমার কাছে আর আমারটা আমার”। মডারেট মুসলিমরা প্রায়ই বলে থাকে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নেই। কোরানের ১০৯ নম্বর সূরা কাফিরুনের ৬ নম্বর আয়াতে ওই কথাই লেখা আছে। কোরানের ২ নম্বর সূরা আল বাকারার ২৫৬ নম্বর আয়াতে লেখা “ধর্মের ব্যাপারে কোন জোরজবরদস্তি নেই” ।
এই লেখাটি কিছু টা লজিকাল ফ্যালাসি নিয়ে কথা হবে। কিন্তু আজকে আমি কোন লজিকাল ফ্যালাসি সংজ্ঞা দিব না বি লিস্ট দিব না। কিন্তু আজকে আমি কিভাবে লজিকাল ফেলাসি চিনতে হয় এবং কিভাবে ব্যাবহার করতে হয়, বা লজিকাল ফ্যালাসি শিখলে আমাদের কি সুবিধা হবে সেটা নিয়ে আলোচনা করবো।
সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড নির্ধারিত হয়েছে আগেই। হেমলক বিষের পেয়ালা যখন সক্রেটিসের দিকে এগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল তখন এক ভক্ত অনেক কান্না করছিল। সক্রেটিস তাঁকে বললেন;- “তুমি কাঁদছ কেন? আমি যদি প্রাণ বাঁচানোর জন্য সময়ের সাথে আপোষ করতাম তাহলেই বরং আমার মৃত্যু ঘটত। এখন আমার মরণ হচ্ছে না। তোমার তো আনন্দ করা উচিত।” আর একজন ছিলেম পাগলাটে জিয়োর্দানো ব্রুনো। ব্রুনো ছিলেন ছোটবেলা থেকেই অনাথ, জন্ম ১৫৪৮ খৃষ্টাব্দে ইতালীর নোলা শহরে। উরোপ তখন চলত চার্চের উপর ভিত্তি করে। সেসময় যেকোন বিজ্ঞানের যেকোন মতামত যা বাইবেলের বিপক্ষে যায় তা কেউ প্রকাশ করলেই ধর্মযাজকেরা ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে উঠতেন। নেমে আসত অমানুষিক নির্যাতন। যদিও তবু নতী স্বীকার না করে তাহলে মৃত্যুদন্ড। প্রায় সাড়ে চারশো বছর আগে তখন সবাই চার্চের কথামতো বিশ্বাস করত;- “এই মহাবিশ্বের কেন্দ্রে রয়েছে পৃথিবী এবং পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে গ্রহ, উপগ্রহ, কাশের নক্ষত্র সবকিছু।” — তখন ইতালিতে “দ্যা রেভোলিউশ্যানিবাস” নামে একটি বই বের করেন কোপার্নিকাস যেখানে তিনি লিখেছেন;- “সূর্যই সৌরজগতের কেন্দ্র এবং সূর্যকে কেন্দ্র করে সকল গ্রহ উপগ্রহ নিজের কক্ষপথে ঘুরছে। আমরাই শুধু বুঝি না।”
“বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করা দরকার।” – ছাগুদের যুক্তি
১. একজন হিন্দুর লেখা সংগীত আমাদের দেশের জাতীয় সংগীত হবে কেন?
২. রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় না হওয়ার পক্ষে ছিলেন, তিনি বলেছিলেন মুসলিম রা মুর্খ তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় করে লাভ কি?
৩. অন্য দেশের রচয়িতার সংগীত আমাদের দেশের জাতীয় সংগীত করা হবে কেন?
মুলত ধর্মান্ধ মুসলিমরাই এই দাবি তুলছেন। দুঃখের বিষয় এদের সংখ্যাই বাংলাদেশে বেশি। মৌলবাদীদের চাপে পড়ে সরকার যদি জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়, আমি বিন্দু মাত্র আশ্চর্য হব না। Continue reading →
আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মানুষ কেন আল্লাহ্ ভগবান বা ঈশ্বরে বিশ্বাস করে তা বুঝতে পারছি না। আমি কোন আল্লাহ্ ভগবান বা ঈশ্বরে বিশ্বাস করার কারণ বা যুক্তি এখন পর্যন্ত পেলাম না।
হয়তো আস্তিকরা বিশেষ কোন জ্ঞান বা যুক্তির খবর জানেন যেটা আমি জানিনা, এবং তাদের জিজ্ঞেস করলে সেই জ্ঞান বা যুক্তি শেয়ার করতেও তারা রাজি নন।
উল্কাপাত হচ্ছে শয়তানদের তাড়াবার জন্য আল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র। হ্যা, আপনি ঠিকই পড়েছেন। এটা লেখা আছে কোরানের ৩৭ নং সূরা – সূরা আস-সাফফাত এর ৬-১০ নম্বর আয়াতে।
“নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি । এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।
ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।Continue reading →
আপনি কোনদিন কন্সপিরেসি থিয়োরিস্টদের সাথে তর্ক করে পারবেন না। কারণ তারা কোন যুক্তি প্রমাণের ধার ধারেনা । তারা একটার পর একটা লেম যুক্তি খাড়া করবেই। উদাহরণ দেই –
🌑পৃথিবী গোল নয়, সমতল থালার মতো 🌑মানুষ চাঁদে যায় নাই 🌑সব ইহুদি নাসারাদের ষড়যন্ত্র 🌑মিডিয়া এবং বিজ্ঞানিরা মিথ্যা বলছে 🌑আইসিস আমেরিকার সৃষ্টি 🌑এলিয়েন সত্য 🌑বিবর্তনবাদ মিথ্যা
অনেক দিন আগের কথা । লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্ট অপেক্ষা করছি ট্রান্সিট প্লেনের জন্য । যাবো বাল্টিমোর । যাওয়ার কথা ছিল ভার্জিনিয়ার ডালাস এয়ারপোর্টে, কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকুল থাকার কারণে ফ্লাইট টি পরিবর্তন করে বাল্টিমোর করা হয়েছে দেখলাম । যাই হোক, বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে, তাই হিথরো এয়ারপোর্ট টি একটু ঘুরে দেখতে লাগলাম।
১। ঈশ্বরে বিশ্বাসের পেছনে কোন যুক্তি বা প্রমাণ নেই । এটি একটি যুক্তিহীন প্রমাণহীন বিশ্বাস । ঈশ্বরের অস্তিত্ব কেবল মানুষের মনে আছে, বাস্তবে নেই । তাই ঈশ্বরে বিশ্বাস মানুষকে অযৌক্তিক চিন্তা করতে শেখায়।
২। যখন আর অন্যকিছু করার থাকে না তখন মানুষ ঈশ্বরের কাছে সাহায্য চায়, এতে মনে কিছুটা সান্তনা পায় । কিন্তু আসলে ঈশ্বরের কোন কিছু করার শক্তি নেই
৩। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করলে কেবল মানুষের মনোবল একটু বৃদ্ধি পায়- এছাড়া আর কোন উপকার নাই।