Category Archives: Blog
আরও কিছু লজিকাল ফ্যালাসি
আগেও অনেক বার লজিকাল ফ্যালাসি নিয়ে লিখেছি। কিন্তু তার পরেও অনেকে সেগুলো বুঝেন নি বা পড়েন নি, এবং একই জিনিষ নিয়ে বার বার তর্ক করেন। আজ এমন কিছু কমন লজিকাল ফ্যালাসি নিয়ে লিখছি।
আর্গুমেন্ট ফ্রম অথরিটি কর্তৃত্ব যুক্তি ভ্রম (Argument from Authority Fallacy ) :
Continue reading
৪ ধরনের লোক ইসলাম নিয়ে ঘাটা ঘাটি করছে
১. যারা আসলেই সৎ। এই ধরনের মানুষ গুলি কিছুই বোঝেনা । যেটা ভালো, সেটাকেই ধর্ম মনে করে, হুযুরদের ওয়াজ এবং আলেম দের ব্যাখ্যা শুনে বিশ্বাস করে, এবং এরা ধর্ম ভিরু হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ই এমন।
২. আর এক প্রকার মানুষ আছে যারা কিছুটা পড়া লেখা করেছে। এবং তারা কিছু কিছু জায়গায় ধর্মের ভণ্ডামি গুলো দেখে ও সেগুলোকে এড়িয়ে চলে এই বলে যে এটা প্রকৃত ইসলাম নয়। তারা নিজেদের মত ধর্ম পালন করে এবং খুব একটা নামাজ রোজা নিয়ে মাথা ঘামায় না। এরা নিজেদের কে মুসলমান বলে দাবি করে এবং ইসলাম কে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করে তাদের ছোটবেলার অভ্যাস অনুযায়ী। এরা মডারেট মুসলমান বা আধুনিক মানুষ।
৩. এই প্রকার লোক গুলি খুব ভালো ভাবেই জানে যে ধর্ম মানে ভণ্ডামি। তারা খুব ভালো ভাবেই কোরান হাদিস মুখস্থ করে, এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। তারা ধর্ম কে ডিফেন্ড করতে অনর্গল মিথ্যা বলে। এমন কিছু জিনিষ চ্যালেঞ্জ করে যেটা তারা যানে কিন্তু মনে করে অন্যরা জানেনা। এরা হল প্রকৃত হিপক্রেট এবং ভণ্ড ধর্ম ব্যবসায়ী অথবা রাজনীতিবিদ। যেমন জাকির নাইক ।
৪ এর পর যারা আছেন তারা হল বিবেক বান শিক্ষিত শ্রেণী। এরা ধর্ম নিয়ে ঘাটা ঘাটি করতে গিয়ে কিছুতেই ধর্ম কে মন থেকে সমর্থন করতে পারেনা। তারা ধর্ম কে বিজ্ঞান বা যুক্তির সাথে মিলাতে পারেনা এবং অবশেষে নিজের বিবেকের কাছে হেরে গিয়ে ধর্ম ত্যাগ করে নাস্তিক হয়ে যায়। এরা সাধারণত বিজ্ঞান ও যুক্তি নিয়ে প্রচুর লেখা পড়া করে। বিভিন্ন ধর্মের বিষয়ে জ্ঞান রাখে এবং এরা দেশ বিদেশের অনেক বই ও পড়ে। এরাই বাংলাদেশের মুক্তমনা শ্রেণী।
কোরান এর আলোকে আকাশ মণ্ডলী, পৃথিবী ও মহাবিশ্ব এবং আধুনিক বিজ্ঞান
আমার এই লেখাটা পোস্ট করার পর কিছু মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে আমি জানি। একদল মুমিন বিশ্বাস করবে না যে এগুল কোরানে আছে। তারা চ্যালেঞ্জ করবে এবং রেফারেন্স চাইবে।
তবে আমি বার বার বলি যে আমি মূর্খ মানুষদের সাথে তর্ক করিনা। আপনারা আগে কোরান হাদিস পড়ুন। নিজেরা অনুবাদ সংগ্রহ করে পড়ুন, কারু ব্যাখ্যা শুনে বিশ্বাস করবেন না। কারণ অসাধু হুজুরেরা কোরানের অর্থ পরিবর্তন করে অনুবাদ করে বা তরজমা করে এবং নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা করে।
Continue reading
মুমিনদের কাছে কিছু প্রশ্নঃ আশা করি উত্তর দিবেন।
প্রশ্নগুলোর উত্তর আশা করছি মুমিন ভাইদের কাছ থেকে
মুসলিম ভাইয়েরা, যদি কিছু মনে না করেন তাহলে আপনাদের কোরান,হাদিস,নবির জীবনীগ্রন্থ থেকে আপনাদের কিছু প্রশ্ন করছি । আশা করি উত্তর দিবেন ।
১. আল্লাহ বলেছেন যে অমুসলিম/ কাফের সম্প্রদায় হল বধির, মূক ও অন্ধ ( কোরান ২:১৮ )। অথচ বিশ্বের যাবতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মূলে রয়েছে ওইসব অমুসলিমদের অবদান/আবিস্কার ( যেমন – কম্পিউটার, ইন্টারনেট, এক্স-রে,টিভি,রেডিও, রেফ্রিজারেটর, ক্যামেরা, হ্যালিকপ্টার,এন্টিবায়োটিক ওষুধ, রোগ প্রতিষেধক টিকা ইত্যাদি ) । তাহলে আল্লাহর এমন দাবির ভিত্তি কোথায় ?
Continue reading
ডাবল স্ট্যান্ডার্ড
মজার ব্যাপার হল যখন যুদ্ধ নিয়ে কথা হয় তখন মুমিনদের কাছে খ্রিষ্টান হিটলার আস্তিক থাকে না হয়ে যায় অমুসলিম।
আর যখন বিজ্ঞান নিয়ে কথা হয় তখন খৃষ্টান নিউটন বা ইহুদি বংশোদ্ভূত আইন্সটাইন অমুসলিম থাকেন না বরং তখন তারা দিব্যি মুমিন আস্তিকদের দলে হয়ে যান।
যখন কোন ধর্মটি সবচেয়ে প্রাচীন? এই নিয়ে যখন কথা হয়, তখন মুমিনরা বলেন ইসলামই একমাত্র প্রাচীন, সত্য ও স্রষ্টার একত্ববাদের ধর্ম যা আছে মানব সৃষ্টির শুরু থেকে। ইসা, মুসা এরা সবাই ইসলামের নবী। কিন্তু হিটলারের কথা উঠলেই উনি খ্রিষ্টান হয়ে যান।
ভণ্ডামি এট ইটস বেস্ট।

ধর্মের সনেট
আপনি ধর্ম পালন করেন ভালো কথা
মাইক বাজিয়ে সবাইকে বিরক্ত করেন কেন?
Continue reading
Argument from ignorance fallacy অজ্ঞতার কুযুক্তি:
কোন মুমিনের কাছে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের প্রমাণ চাইলে যে সব লজিকাল ফেলাসি বা কুযুক্তি পাওয়া যায় তা হল ঃ
১. আপনি যে আপনার বাবার সন্তান তার প্রমাণ কি?
২. আপনার বিবেক কি দেখা যায়? তার মানে কি বিবেকের অস্তিত্ব নেই?
৩. ভালোবাসা কি দেখা যায়? শুধু অনুভব করতে হয়। ইত্যাদি।
এগুল লজিকাল ফেলাসি এই কারণে যে এই যুক্তির উপর নির্ভর করে আপনি পৃথিবীর যে কোন অদ্ভুত এবং অবাস্তব দাবি কেই বিশ্বাস করতে পারেন।
বিবেক, ভালোবাসা, এইগুলি আমাদের মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভব হয় এবং নিউরলজিকাল ফাংশন। ধর্মীয় বিশ্বাস বা ফেইথ ও তাই। তাই বলে একজন অতি-প্রাকৃতিক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে এমনটা প্রমাণ হয় না।
তার মানে তাদের কাছে কোন যুক্তি বা প্রমাণ নেই। শুধুমাত্র অনুভবের উপর ভিত্তি করে বিশ্বাস, এবং সেই বিশ্বাস নিয়ে মারা মারি, খুনা খুনি।
Confirmation bias fallacy: নিশ্চিতকরণ পক্ষপাত কুযুক্তি:
এই যুক্তি ভ্রম টা হল আগেই বিশ্বাস করা এবং পরে যুক্তি প্রমাণ খুজা। যেমন মুমিনরা আগেই জন্ম গত ভাবে বিশ্বস করে এবং পরে যুক্তি খুজে। কিন্তু বিজ্ঞান কাজ করে ঠিক তার উলটো ভাবে। বিজ্ঞান আগে তথ্য সংগ্রহ করে, পরে সিদ্ধান্তে আসে।

কোরআনের অলৌকিক ভ্রূণতত্ব (Embryology Miracle in Quran)
মুমিনরা প্রায়ই দাবি করে যে কোরআনের ভ্রূণতত্ব নিখুঁত ভাবে বর্ণনা করা আছে, যা ১৪০০ বছর আগে লেখা সম্ভব না, তাই এটা কোরানের একটি অলৌকিক তেলেসমাতি, যা আল্লাহ ছাড়া কেউ লিখতে পারেনা।
আমি ধার্মিক
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি আসমান সাতটা
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি আকাশে এক আসনে বসে আছেন সৃষ্টিকর্তা
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি কালো পাথরে চুমু খেলে পাওয়া যায় জান্নাত
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি আকাশ টা কঠিন পদার্থ দিয়ে তৈরি বিশাল এক ছাদ
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি ছেঁড়া জামাকাপড়ের মতো আত্মা শরীর পাল্টায়
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি মরার পর মানুষ জান্নাতে মদের নদে হাবুডুবু খায়
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি ডানা ওয়ালা ঘোড়ার পিঠে করে মহাকাশ ভ্রমণ করা যায়
আমি বিশ্বাস করি জীন, ভূত, পানি পড়ায়, নিন্তু বিবর্তনবাদ নয়।
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি দুনিয়া সৃষ্টির আগে আল্লাহ পানির উপরে ভাসমান ছিল
কিন্তু দুনিয়া সৃষ্টির আগে পানি কোথা থেকে এল?
আমি ধার্মিক, আমি বিশ্বাস করি ইহুদিরা নিকৃষ্ট প্রানী, আমার ধর্ম শ্রেষ্ঠ
কেউ কি প্রমাণ করতে পারবে আমি ভুল আমি পথ ভ্রষ্ট?


