মূর্খ ডঃ জাকির নাইক

একবার জাকির নাইকের এক লেকচারে একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট এসে প্রশ্ন করলো বিবর্তন সম্পর্কে ইসলাম কি বলে? এর উত্তরে জাকির নাইক যা বলেছে তা শুনে আমি রীতিমত থান্ডার হয়ে গেলাম। বলে কি এই মূর্খ ডাক্টার? সে কি আসলেই কোন মেডিকেল স্কুল থেকে পাশ করেছে? বিবর্তন তত্ত্ব সম্পর্কে ডঃ নাইক বললেন এটা শুধুমাত্র থিওরি। কোন ফ্যাক্ট না। আসলে বিজ্ঞানের ভাষায় থিওরি, এবং সাধারন ইংরেজী ভাষায় থিওরি যে এক না এটাও এই মূর্খ ডাক্তার জানেন না। বিজ্ঞানে থিওরি (বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব) হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক ঘটনা বা ফ্যাক্টের ব্যাখ্যা। এটা কোন অনুমান বা কল্পনা নয় যেমনটা এই ডাক্তার সাহেব বুঝাতে চেয়েছেন। একটি হাইপোথিসিস একটি অব্জারভেশনের উপর নির্ভর হয় এবং সেটা পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে থিওরি হয়।

বিবর্তন তত্ত্ব এমন একটা থিওরি যা বহু প্রমানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। এখন এই ডাক্তার সাহেব আরো একটি হাস্যকর কথা বললেন সেটা হচ্ছে থিওরি নাকি ল হয়। একটা বিজ্ঞানের থিওরি কোন দিন ল হয় না। থিওরি হচ্ছে ভিন্ন একটি জিনিষ এবং ল হচ্ছে ভিন্ন। এমন আগডুম বাগডুম বলে উনি মুমিনদের মাথা কেন নষ্ট করছেন? উনি কি আসলেই মূর্খ নাকি হিপক্রেট? জেনে শুনে সত্য গোপন করছেন? কোনটা?

তথ্য সুত্রঃ –

ডারউইনের ভুল তত্ত্ব বনাম আদম হাওয়ার ধপাস তত্ত্ব

বিজ্ঞানে থিওরি (বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব)

সহিহ মুসলিম কে?

এক হুজুর বয়ান দিচ্ছিলেন। ইসলাম হল বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান ধর্ম। বর্তমানে পৃথিবীতে ১৮০ কোটির মুসলমান আছে যা ২০৬০ সালের মধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি হতে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত গর্বের কথা। ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমাদের মধ্যে কোন ভেদাবেদ নাই। আমরা সারা পৃথিবীতে ছেয়ে যাবো আর শান্তিতে বসবাস করবো । আমাদের মধ্যে কোন মারা মারি কামড়া কামড়ি নেই। নাস্তিকরা নিজেদের মধ্যে কামড়া কামড়ি করে মারা যাবে।

হুজুরের বয়ান শুনে এক উটকো নাস্তিক হাত তুলে বলল আচ্ছে হুজুর আমার একটা প্রশ্ন ছিল। এই যে বললেন ২০৬০ সালের মধ্যে ৩০০ কোটি মুসলমান হতে যাচ্ছে। তো তার মধ্যে শিয়ারা থাকবে? ইরাকে তো শিয়া সুন্নি সংঘর্ষ চলছে।

হুজুর বিরক্ত হয়ে বলেনঃ – কি শিয়া? ওরা আবার মুসলিম নাকি? যারা আমার নবিকে নিয়ে মিথ্যাচার করে, যারা মোহাম্মাদ (সঃ) কে শেষ নবী না বলে হযরত আলীকে বলে তারা আবার মুস ল মান ? আর শিয়াদের কে আমারা মাথায় তুলে রাখবো কি কারনে? তারা কি আমাদের খুব আদর করেছে? আমাদের জও*ঙ্গি, ব*র্বর বলা !ঐ ভালো মানুষ শিয়ারা যে গত ১০ বছর ধরে সুন্নিদের কে আদর করে কর্তন করছিল,তাঁদের মা,মেয়েদের কে ধ*র্ষণ করছিল,পেট চিঁরে গর্ভবতীর অকালপক্ব সন্তানের দেহ নিয়ে ফুটবল খেলছিল,বৃদ্ধা আর শিশুরাও যেখানে শিয়াদের ফুর্তির রসদ ছিল,সেই খবর বা তথ্য কি কোথাও কেউ প্রচার করেছে?

নাস্তিকঃ – ও আচ্ছা তো কাদিয়ানি? তারা কি মুসলিম?

হুজুর – কি? কাদিয়ানি? মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী সাহেব রীতিমতো নবী হওয়ার দাবিই করেছেন। নাউজুবিল্লাহ। ওরা জাহান্নামী । তারা তো ভ্রান্ত পথে আছে । তারা কোরান হাদিসের অপব্যাখ্যা করে। নবীজির নামে মিথ্যাচার করে। এদের বিরুদ্ধে কোরানে কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া আছে। কাদিয়ানী সম্প্রদায় কোন মুসলমান নয় এরা ইসলাম বিকৃতকারি। তাদের ক ল্ল আ।। ফেলে দেওয়া উচিত ।

তারা বিশ্বাস করে যে মির্যা গোলাম আহমদ ইসলামকে তার আসল প্রথমযুগীয় অবস্থায় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী কেতাবে উল্লেখিত যীশু বা ঈসার গুণবিশিষ্ট ইমাম মাহদী হয়ে এসেছেন ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করতে ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে এর নৈতিক ব্যবস্থা চলমান করতে। তারা আরও বিশ্বাস করে যে মির্যা গোলাম আহমদ ইসলামের শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ(সা.) এর প্রদর্শিত পথে পাঠানো একজন “উম্মতী নবী”। নাউজুবিল্লাহ। সৌদি আরবে পুরো দেশে তাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের কেউ সেখানে গোপনে হজ পালন করতে গেলে তাকে আটক করা হয়।

নাস্তিকঃ আচ্ছা মাজহাবিদের সম্পর্কে আপনার ধারনা কি? তারা কি মুসলিম?

হুজুরঃ – ইসলামের মধ্যে মাঝহাব সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ বিদাত। যারা নিজেদের প্রাথমিক সুন্নি মাজহাব থেকে – হানাফি, শাফিয়ী, মালেকী এবং হাম্বালি বলে পরিচয় দেয় তারা সম্পূর্ণ ভুল পথে আছে। মাযহাব নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি উম্মার জন্য ভয়ঙ্কর ফিতনা । মাজহাব মানা বলতে বুঝানো হচ্ছে কোন একজন নির্দিষ্ট ইমামের মত ও পথ অনুসরণ করা । কিন্তু আমাদের নবিজি তো সেটা করতে নিষেধ করেছেন।

আর এখন নাকি আহলে হাদিস আহলে কোরান আর মডারেট মুসলিমের আবির্ভাব হয়েছে এদের ভিড়ে সঠিক ইসলাম প্রচার করা মুস্কিল হয়ে যাচ্ছে দিন কে দিন। আচ্ছা আপনিই বলেন কোরান হাদিস সহিহ তারিকায় আমল না করলে কেউ কি আর মুসলিম থাকে?

নাস্তিকঃ – আচ্ছা ইসলাম তো সুদ ঘুষ, দুর্নীতি এগুলো সমর্থন করে না। তার পরেও আমরা কেন বাংলাদেশে এত দুর্নীতি, খুন ধর্ষণ, বাটপারি, ভেজাল ইত্যাদি দেখতে পাই?

হুজুরঃ- বাংলাদেশ ৯০% মুসলিমের দেশ ঠিক ই কিন্তু সহিহ মুসলিম কয়জন? সবাই যদি সঠিক ইসলাম মেনে চলতো তাহলে তো আর এসব হত না।

নাস্তিকঃ – আপনি ঠিক ইলেছেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং বাংলাদেশে ৯০%, মুসলমান আর সারা বিশ্বে ৩০০ কোটি হবে তখন পৃথিবীতে থাকবে শুধু শান্তি আর শান্তি। আমিন।

মহাবিজ্ঞানী ছিলেন আমাদের নবী (সঃ) – হাদিসের আশ্চর্য বিজ্ঞান

বেশ কিছু দিন আগে মুমিনরা অনেক লাফালাফি শুরু করছিল । চাঁদে নাকি ফাটল পাওয়া গেছে, এটা নাকি প্রমাণ করে যে হাদিসে বর্ণিত রুপ কথার কাহিনী, যে নো বীচি তার হাতের ইশারায় চাঁদ দ্বি-খণ্ডিত করেছিলেন, সেটা নাকি সত্য বলে প্রমানিত হয়েছে। যাই হোক মুমিনদের লাফালাফি দেখে কে? তারা বা ন রে র মতো ফেসবুক, ইউটিউব, নাসা সাইট সব খানে লাফা লাফি করে ফাটিয়ে ফেলে। অবশেষে যা ঘটার তাই ঘটলো । নাসার বিজ্ঞানীরা একটি বিবৃতি প্রকাশ করলো তাদের সাইটে যে নাসার নামে অনেক মুলসিম বিজ্ঞানীরা অপ প্রচার করে যাচ্ছে এটা তারা মোটেও পছন্দ করছে না। তারা এই মর্মে জানালো যে নাসার বিজ্ঞানীদের নামে কেউ যদি মিথ্যা ছড়ায় সেটা কেউ যেন যাচাই না করে বিশ্বাস না করে। তাদের এই লাফালাফি নাসার বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞান অনুভুতিতে আঘাত দেয়।

এখন লক্ষণীয় হচ্ছে কোন মুলসিম যদি এমন কোন পোস্ট করে যেটা কিনা মুমিনদের পক্ষে যায়, তবে তারা চোখ বুজে সেটা বিশ্বাস করে, এবং তারা কোন দিন ও যাচাই করার চেষ্টা করে না। এমন কি এমন কোন পোস্ট যদি তারা পায় যেটা তে বলা হচ্ছে – উটের মুত খাওয়া শাস্থের জন্য উপকারি, এটা বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত, তাহলে মুমিনরা এই হেডলাইন দেখেই লাফাতে শুরু করবে।

আমি একজন বিখ্যাত মুসলিম মহা বিজ্ঞানী, ডঃ মোহাম্মাদ ইব্রাহীমের ইউটিউব ভিডিও দেখলাম- “নবীজি কেন উটের পেশাব আর দুধ মিশিয়ে খেতে বলেছিলেন” এটাও নাকি সাইন্টিফিক। মানে উটের মুত খাওয়া সাস্থের জন্য ভালো – এটাও উনি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণ করে ছেড়েছেন, এবং তাতে হাজার হাজার ধর্মান্ধ মুসল্লি হুক্কা হুয়া তুলে ফাটিয়ে ফেলছেন।

তো হাদিস টা যতই অদ্ভট আর হাস্যকর হোক, মুমিনরা কোন প্রকার প্রমাণ ছাড়াই সেটা মেনে নেবে এবং এর পক্ষে কোন পোস্ট পেলেই সেটা সমর্থন করবে অন্ধের মতো । নাসার বিজ্ঞানীরা তাদের নামে অপ্রচারের প্রতিবাদ করলেও বাংলাদেশের একজন ডাক্তারকেও পেলাম না যে উটের মুত্রের প্রতিবাদ করতে।

এখন আবার নতুন করে মুমিদের লাফালাফি দেখতে পাচ্ছি, মাছির এক ডানায় রোগ আর অপর ডানায় এর প্রতিষেধক – এই হাদিস টা নিয়ে । মুমিনরা তুমুল লাফালাফি করছে এটা নাকি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত হয়ে গেছে। তারা কিছু বৈজ্ঞানিক পেপার নিয়ে পোস্ট দিচ্ছে। তো আমি কিছু পেপার পড়ে দেখেছি। আসলেই কিছু মূর্খ মুসলিম বিজ্ঞানী এটা নিয়ে রিসার্চ পেপার জমা দিয়েছে কিছু মুলসিম বিশ্ব বিদ্যালয়ে । তবে তারা চেষ্টা করেছে আগডুম বাগডুম একটা পরীক্ষা দেখিয়ে এই হাদিসটির সত্যতার প্রমাণ দেওয়া। কারন তারা জানে একটা পেপার জমা দিলেই মুসলিম সমাজ সেটা গোগ্রাসে খাবে। এবং লাফালাফি শুরু করে দিবে। হয়েছেও তাই। তবে আমার মতে বাংলাদেশের কোন শিক্ষিত মাইক্রো বায়লজিস্ট এটার প্রতিবাদ করার মতো সাহস রাখেনা।

শেষ মেস হয়তো কোন ইহুদি মাইক্রোবায়োলজিস্ট তাদের বিজ্ঞান চর্চায় অফেন্ডেড হয়ে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হবে এবং বলবে – “বাবারা তোমরা আর বিজ্ঞানের পিছন টা মেরোনা ।” এসব হাস্যকর হাদিসকে বিজ্ঞান বলে চালালে তারা হয়তো বিজ্ঞান চর্চা ছেড়ে দিয়ে এক সময় আত্নহত্যা করতে বাধ্য হবে ।

ডারউইনের ভুল তত্ত্ব বনাম আদম হাওয়ার ধপাস তত্ত্ব

ডারউইনের ভুল তত্ত্ব

আজ বেশ কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে কিছু পোস্ট দেখালাম । বিবর্তন তত্ত্ব যে ভুল সেটা প্রমাণ করার জন্য মুমিনরা উঠে পড়ে লেগেছে। তবে দুঃখের বিষয় এখন পর্যন্ত মুমিনদের মধ্যে বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে পরিষ্কার কোন ধারণা নেই। তারা বিবর্তন তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করতে গিয়ে ডারউইন যে ভুল ছিল সেটা প্রমাণ করতে চান। কিন্তু মুমিনরা যেটা বুঝেন না সেটা হল ডারউইন আজ থেকে ১৬০ বছর আগে কি বলেছে সেটা এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়।

Continue reading

মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞানে পিছিয়ে কেন?

মুমিনরা যখন মুসলিম বিজ্ঞানী নিয়ে বড়াই করে বা ইসলামের স্বর্ণযুগ নিয়ে কথা বলে তখন আমার হাসি পায়। মনে পড়ে সেই ফকিরের গল্প যে বহুদিন আগে মাংস দিয়ে ভাত খেয়েছিল কিন্তু এখনো হাতের সেই গন্ধ শুকছে।

Continue reading

কেন এই সংশয়? সংশয়বাদ কাকে বলে?

shongshoy.info

সংশ্যবাদ কি?

“সংশয়বাদ শব্দটি অনেক বৃহৎ পরিসরে ব্যবহৃত হয়। যেকোন কিছুকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মনোভাবকেই সংশয়বাদ বলা যেতে পারে। সাধারণ্যে বহুল প্রচলিত কোনো ধারণাকে সন্দেহ করা অর্থে সংশয়বাদ শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কোনো কিছুর নিদর্শন পেলে তাকে বিনা বাক্য ব্যায়ে মেনে না নিয়ে বরং সেই নিদর্শনটিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করাই সংশয়বাদ। যারা সংশয়বাদের প্রতি আস্থা রাখেন বা সংশয়বাদ চর্চা করেন তাদেরকে সংশয়বাদী বলা হয়।” – Nirbik

Continue reading

ইসলাম ত্যাগকারী মুরতাদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

যারা ইসলাম কে শান্তির ধর্ম বলেন এবং বলেন যে ইসলামে কোন বিদ্বেষ পূর্ণ কিছু নাই বা কোন জোর জবরদস্তি নাই, তারা ইসলামের ভয়ঙ্কর বিধান গুলো সম্পর্কে জানেন না। ইসলামে যদি জোর জবরদস্তি না থাকে তাহলে ইসলাম ত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন? শুধু মাত্র ধর্ম পালন না করার কারণে যে ধর্মে শিরচ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের মতো বর্বর বিধান রয়েছে, সে ধর্ম আবার শান্তির ধর্ম হয় কিভাবে?

Continue reading

ফেরাউন নিয়ে মুসলিমদের মিথ্যাচার – ইসলাম ধর্মের ফেরাউন গল্পের সত্যতা কতটুকু ?

মুমিনদের অনেকেকেই দেখা যায় এই প্রশ্ন করেন যে ফেরাউনের লাশ কীভাবে এতবছর সমুদ্রের নীচে থাকার পরেও অক্ষত রয়েছে? এটা আল্লাহ্ ও কোরানের মোজেজা!‌ কাফেরদের জন্য নিদর্শন সরূপ!! এর পরেও কি কাফের রা ঈমান আনবে না? ইত্যাদি ইত্যাদি ।

Continue reading

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে মিথ্যাচার – কিন্তু কেন?

_102201283_34962816_1641443722648399_1857187091931201536_n.jpg

মুসলমানদের মধ্যে গুজব খুব সহজেই ছড়িয়ে যায়। এর কারণ হচ্ছে তারা যদি এমন কিছু শুনতে পায় বা জানতে পারে যেটা তাদের “পূর্ব বিদ্যমান ” বিশ্বাসের সাথে মিলে যায়, তবে তারা সেটা বিনা বাক্য ব্যয়ে এবং কোন প্রকার প্রমাণ ছাড়াই বিশ্বাস করে। এর একটা উদাহরণ হল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে ছড়ানো কিছু মিথ্যাচার, যেটা বর্তমানে মুসলমানেরা, এমন কি অনেক শিক্ষিত কিছু মহল ও বিনা বাক্য ব্যায়ে এবং বিনা বিচারে, কোন প্রকার যাচাই না করেই, বিশ্বাস করে নিচ্ছে। 

Continue reading

রোজা ও অটোফেজির মধ্যে পার্থক্য ও মুমিনদের অপপ্রচার

রোজার মাস আসলেই মুসলিমরা গর্ব করে রোজার নানা ফজিলত ব্যক্ত করে। তারা ফাস্টিং এবং অটোফেজির যে বিষয় গুলো নিয়ে আসে, সেটার সাথে আসলে রোজার কোন সম্পর্ক নেই। রোজা আর ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংকে তারা এক করে ফেলে। 

Continue reading