সান্তা ক্লজ ও ইব্রাহীম (আ.) এর কোরবানীর কাহিনী

সান্তা ক্লজ একটি কাল্পনিক চরিত্র, যিনি ক্রিসমাস উপলক্ষে শিশুদের জন্য উপহার বিতরণ করেন বিশেষত পশ্চিমা সংস্কৃতিতে । ক্রিসমাসের সময় একজন বুড়ো লোককে সব খানে দেখা যায় যার পরনে থাকে লাল জামা, মাথায় টুপি, লম্বা দাড়ী এবং সাথে অনেক উপহার থাকে। হরিন থাকে। এবং একটি বরফে টানা গাড়িও থাকে। এসব কাল্পনিক কাহিনী অনেক পুরানো এবং এর উৎপত্তি মূলত ইউরোপীয় লোককাহিনী এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য থেকে হয়েছে। সবাই জানে এগুলা কাল্পনিক কিন্তু এটা তাদের ট্রেডিশন।

আজ কেনো এই কাহিনী বলছি? কারন হচ্ছে পশ্চিমাদের এই কাহিনী ও ইব্রাহীম (আ.) এর কোরবানীর কাহিনী একই । আর মোহাম্মাদের ফেরেস্তার কাহিনী ও । কিন্তু কেউ যদি সান্তা ক্লজকে গালি দেয়, তারা বলে না যে আপনার মৃত্যু দন্ড দিতে হবে। তারা নিজেরাও জানে এগুলা কল্প কাহিনী কিন্তু মুসলমানরা তাদের কল্পকাহিনী এতটাই ভালোবাসে যে সেগুলার সমালোচনা করলে আইডি থাকবে না।

মনে করেন কেউ যদি এখন বলে সান্তা ক্লজকে গালি দিলে, এটাকে কাল্পনিক বললে তার অনুভুতিতে আঘাত লাগে তাহলে আপনি তাকে কি বুদ্ধি প্রতিবন্দী মনে করবেন না? একটা বাচ্চাও জানে কল্পনা আর বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য আছে। এটা এত সিরিয়াসলি নিতে নেই। কিন্তু এই কাহিনীর উপর নির্ভর করেই সমাজ চলে, নিতী নির্ধারিত হয়, এমনকি পাঠ্যক্রম থেকে বিবর্তন তত্ত্বকে বাদ দেওয়া হয়।

এবার ইব্রাহীম (আ.) এর কোরবানীর গল্প বলি। এটি হচ্ছে একটি কাল্পনিক চরিত্র ইব্রাহীম (আ.) এর কহিনী । ইব্রাহীম (আ.) এর স্বপ্ন দোষের কারনে আজ সমস্ত মুসলিম বিশ্ব নিরীহ প্রানী হত্যা করছে। কে কাকে কি বুঝাবে? তবে মাংস খান, কোন সমস্যা নাই। কিন্তু কল্পনা আর বাস্তবের মধ্যে যে ফারাক আছে সেটা মাথায় রাখেন। এই গুলি নিয়ে বিস্তারিত লাইভে আলাপ করবো। আপনারা যুক্ত হবেন আশা করি। প্রতিদিন রাত ৮ টা বাংলাদেশ সময়ে লাইভে আসবো। আমি না থাকলে বেবী ড্রাগন, মোঃ আল্লাহ অথবা লজিকাল পার্সন থাকবে।

পুনশ্চ ঃ মুমিনরা এখন বলবে সান্তা ক্লজ ও ইব্রাহীম (আ.) এর কোরবানীর কাহিনীর কোন মিল ই নেই। মিল আছে। দুটাই কাল্পনিক ।

-সবাইকে শুভেচ্ছা

Leave a comment