ইদানীং একটা খবর আসছে মিডিয়াতে যে গাজীপুরে এক গার্মেন্টস কারখানায় নামাজ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই খবর শুনে হাজার হাজার মুমিন মুসলমানরা “আলহামদুল্লিলাহ, সুভান আল্লাহ্,আমিন” ইত্যাদি কমেন্ট করে ফেসবুক ভাসিয়ে দিচ্ছেন। জি, এটাই সঠিক ইসলাম।
যারা বলে ইসলামে জোর জবরদস্তি নেই তারা ইসলাম সম্পর্কে না জেনেই বলেন অথবা জেনেশুনে মিথ্যা বলেন। আসলে ইসলাম একটি অত্যন্ত পলিটিকাল এবং সুবিধাবাদী ধর্ম। এই ধর্মের মানুষ গুলি যখন ইউরোপ আমেরিকায় থাকে তখন তারা শান্তির বার্তা ছড়ায়। তখন তারা এই সব সুন্দর সুন্দর কথা বলে যে “তোমার বিশ্বাস তোমার আমার বিশ্বাস আমার ।” কিন্তু তারা সেই দেশের সকল সুবিধা ভোগ করেও তাদের ইহুদি, নাসারা কাফের বলে গালি দেয়।
ইসলামে একজন পিতা অথবা মাতা যদি কট্টর মুসলিম হয় তবে তাদের ছেলে মেয়েদেরও জোর করে ইসলাম পালন করায়। কারণ ইসলামে কোন বাবা মা যদি তাদের সন্তানদের ইসলাম ধর্ম পালন না করায় তবে তার দায় ভার পিতা মাতার এবং এর জন্য তাকে জাহান্নামী হতে হবে।
মডারেট মুসলিমরা ইসলামের সুন্দর সুন্দর আয়াত গুলো আওড়ায় কিন্তু অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা ও বৈষম্য মূলক আয়াত গুলো এড়িয়ে যায়।
মুসলিম প্রধান দেশে লাউড স্পিকারে আজান শোনা যায় । জোর করে নামাজের সময় গান বাজনা বন্ধ রাখা হয়। দোকান পাঠ ও বন্ধ থাকে । কোন কোন দেশে রোজার সময় জোর করে হোটেল বন্ধ রাখা হয় এবং অন্য ধর্মের মানুষদের প্রতি সরাসরি বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ দেখা যায়। এর মুলে রয়েছে কোরান ও হাদিস।
এখানে অনেকে বলবেন যে ইসলাম তো অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীল আচরণ করতে বলা হয়েছে, ইত্যাদি। কিন্তু তারা হয় মিথ্যা বলে না হয় ভুল বলে ।
নিচের আয়াত গুলো লক্ষ্য করুনঃ
খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো । কারণ, ওরা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি। আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন। বস্তুতঃ জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট। [কোরান ৩:১৫১]
নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট জীব তারাই যারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে এবং অবিশ্বাস করে। [৮:৫৫]
তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়। পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর। বস্তুতঃ আল্লাহই জানেন, তোমরা জান না। [২:২১৬]
হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদী ও খৃষ্টানদের বন্ধু এবং অভিভাবক রূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু এবং অভিভাবক। এবং তোমাদের মধ্যে যে কেহ তাদের [বন্ধু এবং অভিভাবক রূপে] গ্রহণ করবে, সে তাদেরই একজন হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ অন্যায়কারীকে [সুপথে] পরিচালিত করেন না। [কোরান ৫:৫১]
নিশ্চয় আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য ধর্ম একমাত্র ইসলাম’ (সূরা আলে-ইমরান-১৯)।
এই আয়াত গুলো পড়ে কি মনে হচ্ছে ইসলাম শান্তির ধর্ম? সাম্যের ধর্ম? এখানে কি অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীল মনোভাব প্রকাশ পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে?
আসলে মোহাম্মাদ যখন মক্কায় ছিল, তখন সে ছিল দুর্বল । তাকে অনেকটা ইসলামের দায়ী হিসাবে দেখা যায় । যে অত্যন্ত ভদ্র ভাবে মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে বেড়াত। আর তাই সে শান্তির বানী আওড়াত।
“তোমার ধর্ম তোমার, আমার ধর্ম আমার ইত্যাদি আয়াতের প্রেক্ষাপট দেখলেই বুঝতে পারবেন এগুলো কেন নাজিল হয়েছিল।”
কিন্তু সে লক্ষ করে যে এভাবে ইসলাম খুব বেশি দূর প্রচার করা সম্ভব নয়, তাই সে যুদ্ধের পথ বেঁছে নেয়। সে যখন মদিনায় গিয়ে শক্তি সঞ্চয় করে তখন তার আসল রুপ টা বের হয়ে আসে। সে ধর্ম গ্রহণ না করলে অথবা ধর্ম ত্যাগ করলে মানুষের গর্দান ফেলে দেওয়ার হুকুম দেয়। বিধর্মীদের উপর জিজিয়া কর আরোপ করা হয়। বিধর্মীদের সাথে যুদ্ধ করে, তাদের আক্রমণ করে তাদের নারী ও মূল্যবান সম্পদ গুলি গনিমতের মাল হিসাবে নিজেরা ভাগ করে নেয়। এটাই ছিল তার আসল রুপ। ধর্মের ভয় দেখিয়ে তার সেনাবাহিনী গঠন করে লুট পাট করাই ছিল তার আসল উদ্দেশ্য।



You know how many people are convarted Islam religion in the world.islam always talk about peace.if you don’t have enough idea about islam why you talk about it. No religion support war and kelling.
LikeLike
How do you explain this https://shottershondhani.wordpress.com/2019/06/14/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8-%e0%a6%b8%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0/
LikeLike