
নাস্তিক্যবাদের সাথে মানবতার বা বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নেই। এটা শুধু ঈশ্বরে অবিশ্বাস মাত্র। কিন্তু তবুও বিজ্ঞান, যুক্তি এবং মানবতা নাস্তিক্যবাদের সাথে জড়িয়ে গেছে। এর কারণ হচ্ছে যখন শুনি কারো রোগ হলে তাকে ঝাড় ফুক করা হচ্ছে অথবা পানি পড়া দেওয়া হচ্ছে। এপিলেপ্সির রুগিকে জীনে ধরেছে মনে করে মার ধোর করা হচ্ছে। জীনের প্রমাণ চাইলে অজুহাত দেখানো যে “বিজ্ঞান এখনো এত দূর পৌছায় নি কিন্তু জীন আছে হ” এডা কোরানে আছে” – তখন বিজ্ঞান দিয়ে ছাড়া বুঝানোর উপায় নেই।
এর পর আসে বিবর্তনবাদ আর কসমোলজি । বিগ বাং কেন ঘটল এটা নিয়ে গবেষণা না করে যখন শুনি আল্লাহ্ সব সৃষ্টি করেছে,তখন বিজ্ঞান দিয়ে বুঝানো ছাড়া উপায় থাকে না যে কোন কিছু ঘটার পিছনে সৃষ্টিকর্তার কোন হাত নেই।
এরা বিশ্বাস করে শুধু মাত্র এদের শিখানো হয়েছে বলে । অবাক হতে হয় যখন শুনি জাকির নাইকের মতো একজন ডাক্তার ও বিবর্তনবাদকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেয় কারণ এটা আদম হাওয়ার কাহিনীর বিপক্ষে যায় বলে। এরা সৃষ্টিকর্তা সব করেছে বলে দাবী করে কিন্তু কোন প্রমাণ দিতে পারেনা অথবা বলে প্রমাণ পাওয়ার কোন উপায় নেই।
এদের প্রমাণ গুলো অনেকটা এরকম থাকে, যে আপনি আপনার বাবার সন্তান তার প্রমাণ কি? অথবা ভালোবাসা, বুদ্ধি, চিন্তা এগুলো কি দেখা যায়? আপনি এই যুক্তিতে পৃথিবীর যে কোন অবাস্তব দাবী বিশ্বাস করতে পারেন।
তাদের যুক্তি মতে আমরা সৃষ্টি, এটাই সৃষ্টিকর্তার প্রমাণ। এটা কতকটা চক্রাকার যুক্তি। একই যুক্তিতে হিন্দুরা বলতে পারে তাদের সৃষ্টিকর্তা সত্য। খ্রিস্টান বলতে পারে তাদের যীশু সত্য। যে যুক্তি যে কোন অবাস্তব বস্তু এবং দাবী বিশ্বাস করা যায় সেটা কি কোন Valid যুক্তি হতে পারে? আমরা চাই আমাদের বিশ্বাস বাস্তব হোক এবং সত্য হোক।
Pingback: বিশ্বাস প্রমাণ এবং ঈমান | সত্যের সন্ধানী