ধর্মীয় অনুভুতি বড় ভয়ংকর জিনিষ

ধর্মীয় অনুভুতি বড় ভয়ংকর জিনিষ। এই অনুভুতি কিছুই মানে না, এমন কি আইন, শৃঙ্খলা, এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারিদের ও না। ধার্মিকদের দাবী হচ্ছে আল্লাহ্‌র আইন দেশের আইনের উর্ধে, তাই তারা মানুষের তৈরি আইন মানতে বাধ্য নয়।

যখনই হাজার হজার মূর্খ মানুষ এক হয়ে এই সিদ্ধান্তে আসে যে তারাই সঠিক, তখনই বিপদ টা আসে। এখানে সভ্য সমাজ এবং সরকার সবাই বিপদে পড়ে । সরকার সরাসরি বলতে পারেনা যে তোমাদের ১৪০০ বছর আগের রূপকথার কাহিনী বর্তমানে অচল কারণ সত্য কথা বললেই সরকারের গদি নিয়ে টান পড়বে। সরকার অনেক জনপ্রিয়তা হারাবে। আর সরকার তো এত গুলো ভোট হারাতে চায় না । তাই তারা মূর্খদের সাথে আপোষ করে।

আমাদের দেশের জন্য গণতন্ত্র উপযুক্ত নয়। গণতন্ত্র সেখানেই চলে যেখানে মানুষ শিক্ষিত এবং নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যারা কিতাব ছাড়াই ভালো খারাপ বুঝতে পারে। আমাদের দেশে দরকার চীনের মতো ওষুধ। সামরিক শাসন। যাতে এই সব মূর্খেরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।

রাষ্ট্র বা সরকার সব সময় সঠিক হয় না। আমরা সরকারের সমালোচনা করতে পারি। আইনের পরিবর্তন আনতে পারি কিন্তু সেটা নিয়মের মধ্যে থেকেই করতে হবে। সেটার জন্যই আমাদের গণতন্ত্র দরকার যাতে আমরা গণতন্ত্রের চেক এন্ড ব্যাল্যান্স পদ্ধতিগুলি ব্যাবহার করতে পারি আমাদের নিজেদের সুবিধার্থে।

যতদিন একটি বিশাল জনসমষ্টি শিক্ষিত না হচ্ছে এবং ভালো মন্দ বুঝার ক্ষমতা না রাখছে, ততদিন দেশে গণতন্ত্র আসা অসম্ভব। আর বাংলাদেশের মূর্খ জনগোষ্ঠী গণতন্ত্র চায় ও না। তারা ১৪০০ বছর আগের কিতাব অনুযায়ী খেলাফত চায়। তারা মনে করে নারী নেতৃত্ব হারাম, যেমনটা তাদের আসমানী কিতাবে লেখা আছে।

কিন্তু দুঃখের বিষয় যে শিক্ষিত মানুষ গুলোও আমাদের দেশে নিরব হয়ে গেছে। তারা এই সাম্প্রদায়িক ভয়ংকর ধর্মের সরূপ জেনেও কোন প্রতিবাদ করে না এবং তারা এটা ভেবে দেখেনা যে এই ধর্মের ক্যান্সার কতো ভয়াবহ রুপ থারন করতে পারে।

images (35)

Related Post: ইসলাম শান্তির ধর্ম , কিন্তু মডারেট রা যেটা জানেনা

Leave a comment