আমি যখন মুলসিম ছিলাম, আমার বিশ্বাস ছিল ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু তখন কোন মুসলিম জঙ্গি হামলা হলেই আমার প্রশ্ন থাকতো – এগুলো কে করে? কারা করে? এবং কেন করে? আমি অনেক ঘাটা ঘাটি করেছি ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদের সম্পর্ক কি – এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে । আমি যে উত্তর পেয়েছি, সেটা হল এর মুলে রয়েছে কোরান, হাদিস এবং নবীর জীবনী।
ইসলামের সাথে এক্সট্রিমিজম এবং বোমাবাজির সম্পর্ক কি? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বেশ কিছু ইসলামিক সোর্স এবং কিছু মুসল্লিদের ওয়াজ এবং বক্তব্য শুনেছি। জাকির নাইকের লেকচার শুনলে বোঝা যায় মুসলমান রা কেন এক্সট্রিমিজমে বিশ্বাসী।
সাধারণ মডারেট মুসলমানেরা এটা বুঝতে পারেনা। তারা মুখে না বললেও, মনে মনে এটা বিশ্বাস করে যে অমুসলিমরা সবাই জাহান্নামী কারণ কোরানে এটাই লেখা আছে।
তারা প্রকাশ না করলেও মনে মনে এটাই বিশ্বাস করে যে তারাই শ্রেষ্ঠ, তারাই সঠিক, এবং বাকি সবাই ভুল। মনে মনে তারা এই বিশ্বাস ই পোষণ করে কিন্তু এটা তারা বুঝতে পারেনা।
কিন্তু নিরপেক্ষ জায়গা থেকে চিন্তা করলে বুঝা যাবে যে এটা মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং সন্ত্রাস সৃষ্টির মূল কারণ।
ইসলাম শ্রেষ্ঠ, অন্য সবাই মানুষ নয়, সবাই ভুল তাই এদের মেরে ফেলা উচিৎ। কোরান এবং হাদিসে এই কথাই আছে। ধর্ম ত্যাগ করলে মারো। বিধর্মীরা ফেতনা সৃষ্টিকারী। এদের মেরে ফেল। একমাত্র ইসলাম ই শান্তির ধর্ম এবং ইসলামের দ্বীন ই একমাত্র সত্য, তা হোক যত বর্বর, তাই ইসলাম ছাড়া আর কিছু চলবে না, অমুসলিমদের কল্লা কেটে ফেল। যারা উগ্র মুসলিম তারা কোরান হাদিস থেকে এই শিক্ষাই পায়।

Related Article: কোরানে সন্ত্রাস সৃষ্টির আয়াত/ Hate Speech in Quran


