যারা বলে, “ইসলাম শান্তির ধর্ম”, তারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে সবচেয়ে কম জানে, নয়তো “ধর্ম” বা “শান্তি” শব্দগুলির অর্থই বোঝে না। অনেকেই জেনেবুঝেও কথাটি বলে, এমনকি বিধর্মীরাও বলে, ভয়ে। আর ধর্মপ্রচারক আর রাজনীতিবিদরা বলে, জীবিকার স্বার্থে।

যারা বলে, আল্লাহ মহান, সর্বশক্তিমান, পরম দয়ালু, অসীম করুণাময়, সর্বোত্তম ন্যায়বিচারক, তারা আত্মবিশ্বাসহীন, ভীরু, পাপী, মূর্খ, ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, যুক্তিবোধহীন গবেট। মুহাম্মদ জাফর ইকবাল জাতীয় কেউ কেউ বলতে পারেন, আল্লাহ অবশ্যই আছেন, সেটা ভয়ে বা জীবিকার খাতিরে।

যারা বলে, মুহাম্মাদের চরিত্র সর্বকালের সবার জন্য সবচেয়ে আদর্শ আর অনুকরণীয়, এদের বেশীরভাগই মুহাম্মাদের জীবনী ভালোভাবে পড়েনি, জানেনা, জানলেও বিশ্বাস করেনা, অথবা, তার সবচেয়ে বিতর্কিত কাজগুলির পিছনে মহান কোন উদ্দেশ্য ছিল, এরকম কোন ব্যখ্যা দাঁড় করায়। কেউ কেউ জেনেশুনে চুপচাপ থাকে, ভয়ে, নয়তো জীবিকার প্রয়োজনে।

যারা বলে, কোরান হচ্ছে একমাত্র বিশুদ্ধ ঐশী বিজ্ঞানময় জীবনবিধান, এদের বেশীরভাগই কোরান পড়েনি, অর্থ জানেনা, কোরান সংকলনের ইতিহাস জানেনা, অথবা জেনেশুনে ভিন্ন কিছু বলেনা, ভয়ে অথবা জীবিকার প্রয়োজনে।

যারা পরকাল, কবরের আজাব, বিচার দিবস, বেহেশত, দোজখ – এগুলোর সুনিপুণ বর্ণনা দেয়, তাদের কেউ এসবের কিছুই দেখেনি। কেউ কেউ এগুলো বিশ্বাস করে, অস্বীকার করার সাহস পায়না, পরকালের ভয়ে না, মুসলিমদের ভয়ে।

যারা বলে, ইসলাম নারীদেরকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সন্মান, তারা নারী বিষয়ক কোরান-হাদিসের বানীগুলি জানেনা। অনেকেই জেনে-বুঝেই কথাটি বলে, যারা নিজেরা নারীনির্যাতনকারী অথবা, সন্মান বা সমঅধিকার কথাটির মানেই বোঝেনা। মুসলিম নরীরা চুপচাপ নির্যাতিত হয়, প্রতিবাদ করেনা, ধর্মান্ধতা, ধর্মভীরুতা কিংবা মোল্লাদের ভয়ে।

মুসলমানরা তাদের ধর্মের জন্য কোনদিন কারো আন্তরিক শ্রদ্ধা ও সন্মান অর্জন করতে পারেনি। মুসলিমদের উন্মাদনা আর জঙ্গী-সন্ত্রাসী তৎপরতার ব্যপারে ভীতিই সবাইকে বাধ্য করে উপরে উপরে হলেও মুসলমানদেরকে না ঘাঁটিয়ে এদের নির্বুদ্ধিতাকে কাজে লাগিয়ে স্বার্থ উদ্ধার করতে।

( courtesey – মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুৃম)

islame jonngi

Leave a Reply

Discover more from সত্যের সন্ধানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading