কোন মুমিনের কাছে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের প্রমাণ চাইলে যে সব লজিকাল ফেলাসি বা কুযুক্তি পাওয়া যায় তা হল ঃ
১. আপনি যে আপনার বাবার সন্তান তার প্রমাণ কি?
২. আপনার বিবেক কি দেখা যায়? তার মানে কি বিবেকের অস্তিত্ব নেই?
৩. ভালোবাসা কি দেখা যায়? শুধু অনুভব করতে হয়। ইত্যাদি।
এগুল লজিকাল ফেলাসি এই কারণে যে এই যুক্তির উপর নির্ভর করে আপনি পৃথিবীর যে কোন অদ্ভুত এবং অবাস্তব দাবি কেই বিশ্বাস করতে পারেন।
বিবেক, ভালোবাসা, এইগুলি আমাদের মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভব হয় এবং নিউরলজিকাল ফাংশন। ধর্মীয় বিশ্বাস বা ফেইথ ও তাই। তাই বলে একজন অতি-প্রাকৃতিক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে এমনটা প্রমাণ হয় না।
তার মানে তাদের কাছে কোন যুক্তি বা প্রমাণ নেই। শুধুমাত্র অনুভবের উপর ভিত্তি করে বিশ্বাস, এবং সেই বিশ্বাস নিয়ে মারা মারি, খুনা খুনি।
Confirmation bias fallacy: নিশ্চিতকরণ পক্ষপাত কুযুক্তি:
এই যুক্তি ভ্রম টা হল আগেই বিশ্বাস করা এবং পরে যুক্তি প্রমাণ খুজা। যেমন মুমিনরা আগেই জন্ম গত ভাবে বিশ্বস করে এবং পরে যুক্তি খুজে। কিন্তু বিজ্ঞান কাজ করে ঠিক তার উলটো ভাবে। বিজ্ঞান আগে তথ্য সংগ্রহ করে, পরে সিদ্ধান্তে আসে।


Pingback: কোরান এর আলোকে আকাশ মণ্ডলী, পৃথিবী ও মহাবিশ্ব এবং আধুনিক বিজ্ঞান | সত্যের পুজারি