রাস্তায় বেরিয়েছি একটু হাওয়া খাব বলে, আর অমনি আবার দুই হুজুর আমাকে পাকড়াও করলো। বলল আসেন আমরা একসাথে ইফতারি করি। আরেকজন বলল বেস ভাল ইফতারির আয়োজন করা হয়েছে আমাদের মসজিদে। গরুর হালিম, জিলাপি… বলতে বলতে হুজুরের জিভে পানি এসে গেল।

আমিও লোভ সামলাতে না পেরে বললাম চলেন। অজু টজু করে বসলাম মসজিদে। গিয়ে দেখলাম হুজুর মিথ্যা বলেনি। বিপুল ইফতারির আয়োজন। আজান দিতেই ভালো মত পেট পুরে খেলাম।

এবার হুজুর বললেন – ইফতারি যখন করেছেন, মাগরিবের নামাযটা ও পড়ে যান। আমি দেখলাম বেস ভালো মত খেয়েছি, তো নামাজ না পড়লে হুজুর নারাজ হবেন, তাই নামায টা ও পড়ে নিলাম।

এবার হুজুর বয়ান শুরু করলেন – রমজানের কতো ফজিলত, রোজা অত্যন্ত বিজ্ঞান সম্মত একটা ব্যবস্থা। এখানে একমাস সিয়াম সাধনা করা হয়, মানে আমারা সকল পাপ থেকে দূরে থাকি আর আমাদের শরীর টাও সুস্থ থাকে।
সবাই বলল, হু, আল্লাহ মালিক সব ব্যবস্থা সুন্দর করে রেখেছেন আমাদের জন্য।

আমি বললাম আচ্ছা আল্লাহ কি জানতো না যে পৃথিবীর কোথাও কোথাও ২২-২৩ ঘণ্টা রোজা রাখা লাগবে? তারা তো মারা যাবে। আর উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরুতে তো ৬ মাস দিন আর ৬ মাস রাত, ওখানে কিভাবে রোজা রাখবে?

হুজুর বিরক্ত হয়ে বলল, আরে পাগল, ওইসব দেশে কি মুসলমান আছে?
আমি বললাম, না নেই, যারা ছিল তারা হয় মারা গেছে, না হয় নাস্তিক হয়ে গেছে, বলে দ্রুত রাস্তায় নেমে পড়লাম।

ramadan

Leave a Reply

Discover more from সত্যের সন্ধানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading