[এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক। জীবিত, মৃত বা বাস্তব কোন ব্যক্তির সাথে মিল থাকা নিতান্ত ঘটনা চক্রের সংঘটন !!! ]

মোহাম্মাদ নবী আলম সাহেব একজন শিল্পপতি। তিনি বিশাল এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক, যা তিনি তাঁর প্রথম স্ত্রী খাদিজার কাছ থেকে পেয়ছেছেন । তার প্রথম স্ত্রীর সাথে তার বিয়ে হয় যখন তার বয়স মাত্র ২৫ বছর। খাদিজার বয়স তখন ৪০। খাদিজা তার স্বামীকে হারিয়ে একজন শক্ত, সামথ জোয়ান ছেলে খুছছিলেন বিয়ে করার জন্য, যে তার সব ব্যবসা সহ, সব ধরনের খেয়াল রাখতে পারে।

নবী সাহেবের বাবা তার জন্মের আগেই মারা যান তার কিছু দিন পরে তার মাকেও হারান তাই তার শৈশব বেশ অভাবেই কেটেছে, স্কুলে যাওয়ার সুযোগ ও হয়নি। তাই স্ত্রীর কাছ থেকে এই বিশাল সাম্রাজ্য পেয়ে তিনি আকাশের চাঁদ হাতে পান।

খাদিজা মারা যাওয়ার পর তিনি আর এক বুড়ি বিধবা কে বিয়ে করেন । সেই বুড়ি মারা গেলে তিনি আবারো বিয়ে করেন। এর পরে মেয়ে মানুষের নেশা নবী সাহেবের মাথায় ভূতের মতো সওয়ার হয়ে যায়।

সকালে নবী সাহেব অফিসে ঢুকেই দেখতে পেলেন অপূর্ব সুন্দরী এক সেক্রেটারি তার জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি কিছুক্ষন নিজের চোখ কচলিয়ে জাহেদ কে ডাকলের। জাহেদ একজন এতিম, যে নবী সাহেবের বাড়িতে বড় হয়েছে তার নিজের ছেলের মতই। এখনে সে নবী সাহেবের ম্যানেজার। নবী সাহেব তাকে বিয়ে ও দিয়েছেন তার ফুফাত বোন জয়নাবের সাথে। জয়নাব নবী শাহেব কে বাসায় খেদমত করে, আর জাহেদ অফিস দেখাশুনা করে।

সুন্দরী নতুন সেক্রেটারি দেখে নবী সাহেব বললেন জাহেদ আমি এক ঘণ্টার জন্য নতুন সেক্রেটারির সাথে একটা জরুরি মিটিং সেরে নিতে চাই। কেউ ডাকলে বলবে আমি ব্যস্ত আছি।

জাহেদ বলল, জি সার, কিন্তু একটা জিনিষ আপনাকে বলে রাখি যে মেডাম আপমার রুমে সি সি ক্যামেরা ফিট করে গেছে। আপনি অফিসে যা করেন তা সবাই দেখে ছি ছি করে।

শুনে নবী সাহেব বললেন এই কথা? এক্ষুনি আমার মারসিডিস গাড়ি টা বের কর, আমি বাড়ি যাব। এই বলে উনি তড়িঘড়ি বাড়ি চলে এলেন।

বাড়ি এসেই বউ কে ডাকলেন। এই শুনছ, আমি আজকে হট হয়ে গেছি। বউ বলল রাখো তোমার হট, এদিকে তোমার ছেলে কাজের মেয়ে নিয়ে দরজা লক করে দিয়েছে, কিছু খোজ রাখো? নবী সাহেব বললেন, বল কি? বউ বলল আর বলছি কি? একদম বাপের স্বভাব পেয়েছে। আমিও তো এই বাড়িতে প্রথমে কাজের মেয়ে হয়েই এসেচিলাম।

নবী বললেন, ডাকো ইব্রাহিম কে, তার বিয়ের ব্যবস্থা করছি। ইব্রাহিম কে ডাকা হোল। নবী বললেন, দেখ বাবা তুই এখন বড় হয়েছিস, লজ্জা করিস না, কোন গার্লফ্রেন্ড থাকলে বলে ফেল, আমরা বিয়ের ব্যবস্থা করি।

ইব্রাহিম বলল, না বাবা, আমার কোন গারলফ্রেন্ড নেই, বয় ফ্রেন্ড ও নেই। কিন্তু আমার আবু বকর চাচার ম্যেয়ে আয়েশা কে কিন্তু বেশ লাগে। ঝংকার দিয়ে মা বললেন, তর কি মাথা খারাপ নাকি? আয়েশার বয়স তো ৬, আমাকে রান্না বান্নায় কোন সাহায্য হবে তাতে? ইব্রাহিম বলল তাহলে জাহেদের বউ জয়নাবকে চাই। এবার নবী সাহেব গলা খাকারি দিয়ে বললেন দুনিয়ায় আর মেয়ে পেলেনা? যে দুটা মেয়ের কথা বললে, সে দুটা তো আমারই পছন্দ। জাহেদ বলল, সার, বউ চিজ কেয়া হায়, আপনার জন্য জান হাজির হায়।

ইব্রাহিম মন খারাপ করে চায়ের পেয়ালা নিয়ে ছাদে চলে গেল। সেখানে জাহেদ আগেই গাজা ভরা একটা সিগারেত টানছিল । ইব্রাহিম কে আসতে দেখে সে বলল, ভাইজান, মাথায় অনেক প্রশ্ন আসে, কিন্তু কোন উত্তর পাইনা। যেমন আল্লাহ যদি হও বললেই হয়, তো ৬ দিন সময় লাগে কেন? এই দিন আবার আমাদের দিন না, আল্লাহর এক একটা দিন নাকি ৫০,০০০ বছর, হু।
ইব্রাহিম বলল, তুই আব্বাজান কে জিজ্ঞাসা করিস না কেন? জাহেদ বলল, জিজ্ঞাসা করলে তো বলে তুই খারাপ হয়ে যাচ্ছিস, এসব তোর মাথায় ঢুকবে না।

তারচেয়ে চল ওই সামনের বাসায় যে কাফের রা থাকে, তাদেরকে লুট করি। তাদের মাল পত্র আমি আর তুই ভাগ করে নিব, তাদের মেয়ে গুলিকে গণিমতের মাল বানাবো হাহা । চল যাই।

তারা দুজন নিচে নামতেই বাবা পিছন থেকে ডাক দিল, কোথায় যাচ্ছ শুনি? মসজিদে যাচ্ছি বাবা। ইব্রাহিম বলল। একটু তাড়া আছে নামাজ টা আবার কাজা হয়ে যেতে পারে।

বাবা বলল, বটে, তোরা আমাকে ছাগু মনে করিস না? তোরা ছাদে কি নিয়ে কথা বলছিলি আমি সব শুনেছি। আমাকে ভাগ না দিয়ে কোন গণিমতের মাল হবেনা, এখন যা, কাজ কর।

All-New-Hyundai-Genesis-UAE-Launch

Leave a Reply

Discover more from সত্যের সন্ধানী

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading