১। বাকারা; আয়াত ২২ : “যে পবিত্র সত্তা তোমাদের জন্য ভূমিকে বিছানা এবং আকাশকে ছাদ স্বরূপ স্থাপন করে দিয়েছেন,
২। সুরা আল হিজর; আয়াত ১৯ : “পৃথিবীকে আমি বিস্তৃত করেছি এবং ওতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি; “
৩। সুরা ক্বাফ; আয়াত ৭ : “আমি ভূমিকে বিস্তৃত করেছি ও তাতে পর্বতমালা স্থাপন করেছি”
৪। সুরা আন- নাবা ; আয়াত ৬ :”আমি কি পৃথিবীকে বিছানা বানিয়ে দেইনি?”
৫। সুরা আল গাশিয়াহ ; আয়াত ২০ : “এবং ভুতলের দিকে যে, কিভাবে ওটাকে সমতল করা হয়েছে ?”
৬। সুরা আয-যারিয়াত; আয়াত ৪৮: “এবং আমি পৃথিবীকে বিছিয়ে দিয়েছি, সুতরাং আমি কত সুন্দরভাবে বিছিয়েছি !”
৭। সুরা রাদ; আয়াত ৩ : “তিনিই ভুতলকে বিস্তৃত করেছেন এবং ওতে পর্বত ও নদী সৃষ্টি করেছেন
৮। সুরা ত্ত্বায়াহা; আয়াত ৫৩ : “যিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে করেছেন বিছানা এবং তাতে করে দিয়েছেন তোমাদের চলবার পথ,
৯। সুরা নূহ; আয়াত ১৯ ও ২০ : “এবং আল্লাহ তোমাদের জন্যে ভূমিকে করেছেন বিস্তৃত-” “যাতে তোমরা এর প্রশস্ত পথে চলাফেরা করতে পারো l”
১০। সুরা আয-যুখরুফ; আয়াত ১০ : “যিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে করেছেন শয্যা (বিছানা) এবং ওতে করেছেন তোমাদের চলার পথ যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পারো;
১১। একজন মুসলিমের জন্যে রোজা ফরজ করা হয়েছে (fourth Pillar of Islam) (Quran 2:183, 2:184, 2:187 Sahih Bukhari 1:2:7, 6:60:40 Sahih Muslim 1:9) যা সূর্যের উদয়-অস্তের সাথে সম্পর্কিত (24 hour cycle) ! কিন্তু আল্লাহ উত্তর এবং দক্ষিন মেরুর বাসিন্দাদের ব্যাপারে কিছু ভেবে দেখেননি কেন? তারা কি ৬ মাস রোজা রাখবে? ! আপনার কি মনে হয় না যে এটা তখনই সম্ভব যখন তিনি মনে করবেন পৃথিবীর সর্বত্র একই সময়ে দিন-রাত্রি ঘটে (অর্থাৎ পৃথিবী সমতল)।??!!
১২। কোরানে এমন কোন আয়াত নাই যেখানে বলা আছে পৃথিবী ঘুরে, বরং বলা আছে পৃথিবী স্থির আর সূর্য ঘুরে।(Quran 36:38-40, 13:2)
১৩। সূর্য পংকিল জলাশয়ে অস্ত যায় (18:86, 18:90)
১৪। হাদিস এর বিবৃতি অনুযায়ী সূর্য রাতের বেলায় আল্লাহর আরসের নিচে ইবাদত করে । (তোমরা কি জানো, এ সূর্য কোথায় যায়?)


