সুরা- আছ-ছাগু (ফেসবুকে – দুপেয়ে হালাল জন্তুর উপর অবতীর্ণ) আয়াতঃ১৮
০১) বলুন তারা ইসলামের একনিষ্ঠ সেবক। শান্তির ধর্ম ইসলাম নিয়ে কেউ কোন বাজে কথা বললে এরা প্রয়োজনে কল্লা নমিয়ে ফেলবে।
০২) তারা অশ্লীলতার ফুল ঝুরি ছোটাবে,বাপ মা তুলে গালি দেবে। তবু ইসলামের পবিত্রতা রক্ষায় এরা আপোষহীন,প্রয়োজনে জীবন দেবে।
০৩) নারীর পোশাক নিয়ে এদের উত্তেজনার শেষ নাই,নারী যেরকম পোশাকই পরুক না কেন এরা উত্তেজিত হবেই।নিশয়ই আমি তাদের ইমানদন্ড মজবুত করে তৈরি করিনি।
০৪) নারী টি শার্ট পরলে এরা উত্তেজিত হয়,বলে এতো খৃষ্টানদের রীতি।
০৫) কামিজ পরলেও উত্তেজিত হয়ে বলে কামিজ এত খাটো কেন?
০৬) শাড়ী পরলে উত্তেজিত হয়ে বলে এত আটসাঁট কেন?
০৭) বোরকা পড়লেও উত্তেজিত হয়ে বলে মুখ খোলা কেন? বা বোরকার কাটিং ঠিক নাই শরীরের ভাজ দেখা যায়।
০৮) তারা নারী দেখে শরীয়তি কায়দায় চোখ ফিরিয়ে নিয়ে রাতের বেলা সেই নারীর কথা ভেবে দুই পায়ের চিপা থেকে রস নিঃসরণ করে।
০৯) দেহ যাদের বীর্য থেকেই প্রস্তুতহোক না কেন, মন থাকবে সাচ্চা পাকিস্তানি।
১০) মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নাকি ৩ লক্ষ – তা নিয়ে তারা সর্বদা সন্দিহান।
১১) তারা যুদ্ধাপরাধীদের প্রসঙ্গ নিয়ে অযথাই বাড়াবাড়ি করা হচ্ছে বলে “এতো মানবতা বিরোধী,” জামাত শিবিরের নেতাদের সততায় তারা মুগ্ধ। ভাষা(উর্দু)সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আযম তাদের আদর্শ পুরুষ।
১২) তারা নিজেকে ‘বাঙালি’ না, ‘মুসলিম বাঙালি’ হিসেবে নিজের পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন।
১৩) একজন ভারতীয় হিন্দু(রবীন্দ্র নাথের)লেখা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বদলানো উচিত বলে মনে করেন।
১৪) তারা লালনের ভাস্কর্যসহ (তাদের ভাষায় মূর্তি) সব বেদাতি স্তম্ভ ভাঙার আহবান জানায়, শহীদ মিনার এবং স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়াকে ইসলামবিরোধী বলে, পয়লা বৈশাখ উদযাপন শরিয়তবিরোধী বলে।
১৫) তারা বিভিন্ন পেজে ও ষ্টেটাসে ব্লগের লিখা কপি পেষ্ট করে ল্যাদাইতে থাকে,অতঃপর যুক্তিতে পেরে উঠছে না দেখলে বাংলিশ,মুরাদ টাকলা,ইংলিশ কমেন্ট করতে থাকে। শেষ ভরসা হিসাবে গালাগালি আর ঠিকানা, ফোন নাম্বার চেয়ে কল্লা ফেলানের হুমকী দিবে।
১৬) চাপাতি আর বেহেশত আমি তাদের জন্য হালাল করে দিয়েছি।
১৭) যেখানে তাদের আমি বিয়ে দিব অক্ষতযোনি হুরীদের আর চিরকুমার(!) গেলমানদের সাথে।
১৮) সেখানে তারা চিরকাল সহবত করবে,নিশ্চয়ই ছাগুরা কতই মহান!
(সংগ্রহ – বান্দা আয়াত)


Pingback: কোরানের চ্যালেঞ্জ | সত্যের পুজারি