Category Archives: Blog
প্রমাণের দায় ভার (Burden of Proof)
প্রমাণের দায় ভার (Burden of Proof)ঃ প্রমাণ করার দায়িত্ব যে কোন কিছু আছে দাবী করবে তার। কোন কিছু নেই প্রমাণ করা যায় না বা অসম্ভব। কোন কিছু আছে দাবী করলে সেটা প্রমাণ করে দেখাতে হয়, প্রমান না থকলে সেটা আছে বলে বিশ্বাস করার কোন কারন নেই। যেমন আপনি নিশ্চই মামদো ভুত, শাগ চুন্নি, রাক্ষসের মত পৃথিবীর সব অবাস্তব দাবী গুলো নেই প্রমাণ করবেন না।

শুধুই একটা থিওরি (It’s Just a Theory)
আমি যখন বিবর্তন বাদ নিয়ে কথা বলি তখন সাধারণ মুমিনরা মনে করে যে আমি শুধু বই পড়ে এটা বিশ্বাস করছি। তখন তারা যুক্তি দেয় যে আপনি তো নিজে বিবর্তন বাদ গবেষণা করে দেখেন নি।
Theory কথাটা শুনলে মুমিনরা যেটা মনে করে সেটা হচ্ছে একটা ধারনা বা সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। অনেক কেই জাকির নাইকের শিখানো বুলি বলতে শোনা যায় যে এটা শুধু থিওরি, ফ্যাক্ট নয়। কিন্তু আসলে বিজ্ঞানের ভাষায় থিওরি হল পরিক্ষিত সত্য।
জনপ্রিয়তার কুযুক্তি (Argument from popularity)
দাবীঃ ১. অমুক ধর্ম যদি সত্য নাই হয়ে থাকে, তাহলে ১৬০ কোটি মানুষ কেন এটা বিশ্বাস করে? আর কেনই বা দিন দিন বিশ্বাসীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
দাবিঃ ২. অমুক বিখ্যাত ব্যক্তি এটা বলেছে তাই এটাই সত্য।
অনেক সময় মুমিনরা দাবি করে যে অমুক বিশ্বাসটা সত্য কারণ পৃথিবীর ১৬০ কোটি মানুষ এটা বিশ্বাস করে। এবং দিন দিন বিশ্বাসীর সংখ্যা বাড়ছে। সারা পৃথিবীতে ১৬০ কোটি মানুষ অমুক জিনিষটা বিশ্বাস করে। পৃথিবীর ১৬০ কোটি মানুষ কি ভোদাই হতে পারে? ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো আসলে কুযুক্তি, যার নাম জনপ্রিয়তার কুযুক্তি (Argument from popularity)
Continue reading
শব্দ এবং তার ব্যাবহার (Etymology)
কখনো ভেবে দেখেছেন যে ফোনে নাম্বার ডায়াল করা কেন বলে? আমরা আমাদের আধুনিক ফোনে আসলে কেউ ডায়াল করি না। আমরা কিছু বোতাম প্রেস করি। আমরা যারা পুরানো ফোন ব্যাবহার করেছি তারা জানি যে আগেকার দিনের ফোনে একটা গোল ডায়াল থাকতো আর সেখান থেকেই নাম্বার ডায়াল করা এসেছে।
Continue reading
ধর্মের হিপক্রেসি ও ধর্মান্ধতা – মুশফিকুর রহিম
আপনি যে বিশ্বাস ধারণ করেন, বহন করেন এবং যেটা আপনি ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেন সেটা কতটা সত্য বা যুক্তিসঙ্গত, তা কি কখন ভেবে দেখেছেন?
বিশ্বের বেশির ভাগ ধার্মিকরা আজকাল অনেকটা সুবিধাবাদী হয়ে গেছে। মানে ধর্মের যে সব বিষয় তাদের ভালো লাগে সেগুলো বিশ্বাস করে আর পালন করে। যেগুলো ভালো লাগে না সেগুলো বিশ্বাস করে না বা পালন করে না।
Continue reading
একজন নাস্তিকের কাছে সৃষ্টিকর্তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কিভাবে দিবেন
হুজুর বয়ান দিচ্ছেন – বিভাবে একজন নাস্তিকের কাছে বৈজ্ঞানিক ভাবে সৃষ্টিকর্তা, আল্লাহ সুভানবতালার অস্তিত্বের প্রমাণ দেওয়া যায়।
হুজুর বলল – নাস্তিকরা তো বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে, তো তাদের বিজ্ঞান দিয়েই সৃষ্টিকর্তার প্রমাণ দেওয়া যায়।
যেমন, একজন নাস্তিক কে জিজ্ঞাসা করুন, এমন কোন জিনিষ যদি আপনার,সামনে আনা যায়, যা পৃথিবীর কেউ দেখেনি, তবে সেই বস্তুটির সম্পর্কে কে সর্ব প্রথম বলতে পারবে?
Continue reading
বিবর্তন তত্ত্বের প্রমাণ কি? Evidence for Evolution
জৈবিক বিবর্তন তত্ত্ব জীব জগৎ সম্পর্কে দুইটি খুব সাহসী দাবী তোলে:
প্রথমত, “পৃথিবীর সমস্ত জীব পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত। তারা একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে বিবর্তিত হয়েছে।” (চিত্র ১) দ্বিতীয়ত, “জীবের বিবর্তন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় চলে।”
Continue reading
বিচারকঃ তুমি ইসলাম ধর্মের অবমাননা করলে কেন?
বিচারকঃ তুমি ইসলাম ধর্মের অবমাননা করলে কেন?
আসামিঃ হুজুর, আমি ইসলাম ধর্ম নিয়ে কোন কথাই বলিনি, আমি শুধু বলেছি – একজন ডাকাত, ভণ্ড, শিশু কামী, লুইচ্চা, নারী লিপ্সু, ধর্ষক, মূর্খ, নবী হয় কিভাবে?
বিচারকঃ আমার সাথে ইয়ার্কি? কোন ধর্মের নবী একজন ডাকাত, ভণ্ড, শিশু কামী, লুইচ্চা, নারী লিপ্সু,ধর্ষক মূর্খ, সেটা আমি জানিনা?



