নবী মোহাম্মদ (সঃ) এর গুপ্ত হত্যার তালিকা

নবীজি মুখে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে শুধু যারা তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদেরকেই হত্যা করতে। কিন্তু বস্তুত তিনি গোপনে বেশ কিছু বেসামরিক মানুষকে হত্যা করেছিলেন। সে সব গুপ্ত হত্যার তালিকা এবং সংক্ষিপ্ত বর্ণনা পেতে নিচের আর্টিকেল পড়ুন।


নবী মোহাম্মদ ইসলাম ধর্ম প্রচারকালীনে প্রচুর মানুষকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। তৎকালীন অনেক শিক্ষিত লোক এবং কবি/লেখকরা মোহাম্মদের অন্যায়ের সমালোচনা করায় মোহাম্মদ তাদের হত্যার নির্দেশ দেন।

কিছু কিছু লোককে-

(ক) মোহাম্মদের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে।

(খ) অন্য মুসলমান হত্যা করার পর মোহাম্মদ তা সমর্থন করেছে।

(গ) মোহাম্মদ হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পর আবার তা বাতিল করেছে।

আসুন এক নজরে দেখে নিই সেইসব হতভাগ্যদের নাম :

১. আসমা বিনতে মারওয়ান

মোহাম্মদের অন্যায়ের সমালোচনা করে কবিতা লেখার জন্য মোহাম্মদ তাকে হত্যার নির্দেশ দেন। এরপর মোহাম্মদের অনুসারী উমায়ের রাতের বেলায় গিয়ে এই মহিলা কবি আসমাকে হত্যা করে। সেসময় এই মহিলা তার বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করাচ্ছিলেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 675-676.

Ibn. Sa’d Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2. Page-35.

২. আবু আফাক

মোহাম্মদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা লেখার জন্য মোহাম্মদ তাকে হত্যার নির্দেশ দেন। এরপর সালিম বিন উমায়ের নামক মোহাম্মদের এক অনুসারী ১২০ বছর বয়সী এই কবিকে হত্যা করেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 675-676.

Ibn Sa’d Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2. Page-31.

৩. আল নাদির ইবনে আল হারিস

মুবারকপুরীর মতে, বদর যুদ্ধের সময় আল নাদিরকে বন্দী করা হয়েছিল। তিনি কুরআনকে “প্রাচীনদের কাহিনী” হিসাবে উপহাস করতেন। এ নিয়ে কোরানের একটি আয়াতও নাজিল হয়। তিনি মুহাম্মদকে উপহাস ও হেনস্থা করেন এবং তাঁর সমালোচনা করে কবিতা ও কাহিনী রচনা করেন। পরে আল নাদির ইবনে আল হারিসকে আলী হত্যা করেন।

Tafsir- quran-83:13 ;

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 162-163.

(also in page-308)

Safi ur Rahman Al Mubarakpuri, The sealed nectar: biography of the Noble Prophet, p. 274.

৪. উকাবা বিন আবু মুয়ায়েত

মোহাম্মদের নির্দেশে আছিম বিন থাবিত তাকে হত্যা করে।

Sahih Bukhari 1:9:499 ,

Sahih Bukhari 6:60:339,

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page-308.

Al Tabari, Volume 9,page-121

৫. কাব ইবনে আল আশরাফ

মোহাম্মদের নিন্দা করে কবিতা আবৃত্তির জন্য মোহাম্মদ তাকে হত্যার নির্দেশ দেন। এরপর মোহাম্মদ বিন মাসলামা নামক মোহাম্মদের এক অনুসারীসহ আরো কয়েকজন মিলে এই কবিকে হত্যা করে।

Sahih Bukhari 5:59:369 ,

Sahih Muslim 19:4436 ,

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page-364-369.

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)

অধ্যায়ঃ ৫১/ মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) (كتاب المغازى)

হাদিস নম্বরঃ ৩৭৪২

২১৭৭. কা’ব ইবনু আশরাফের হত্যা

৩৭৪২। আলী ইবনু আবদুল্লাহ‌ (রহঃ) … জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, (একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কা‘ব ইবনু আশরাফের হত্যা করার জন্য প্রস্তুত আছ কে? কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দিয়েছে। মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) দাঁড়ালেন, এবং বললেন ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি চান যে আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হাঁ। তখন মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) বললেন, তাহলে আমাকে কিছু (কৃত্রিম) কথা বলার অনুমতি দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ বল। এরপর মোহাম্মদ ইবনু মাসলাম (রাঃ) কা‘ব ইবনু আশরাফের নিকট গিয়ে বললেন, এ লোকটি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে সা’দ্‌কা চায়। এবং আমাদেরকে বহু কষ্টে ফেলেছে। তাই (বাধ্য হয়ে) আমি আপনার নিকট কিছু ঋণের জন্য এসেছি।

কা‘ব ইবনু আশরাফ বলল, আল্লাহর কসম পরে সে তোমাদেরকে আরো বিরক্ত করবে এবং আরো অতিষ্ট করে তুলবে। মুহাম্মদ ইবনু মাসলাম (রাঃ) বললেন, আমরা তো তাঁকে অনুসরণ করছি। পরিণাম ফল কি দাঁড়ায় তা না দেখে এখনই তাঁর সঙ্গ পরিত্যাগ করা ভাল মনে করছিনা। এখন আমি আপনার কাছে এক ওসাক বা দুই ওসাক খাদ্য ধার চাই। বর্ণনাকারী সুফিয়ান বলেন, আমর (রহঃ) আমার নিকট হাদিসখানা কয়েকবার বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথা উল্লেখ করেননি। আমি তাকে (স্মরণ করিয়ে) বললাম, এ হাদীসে তো এক ওসাক ও দুই ওসাকের কথাটি বর্ণিত আছে। তখন তিনি বললেন, মনে হয় হাদীসে এক ওসাক বা দুই ওসাকের কথাটি বর্ণিত আছে।

কা‘ব ইবনু আশবাফ বলল, ধারতো পেয়ে যাবে তবে কিছু বন্ধক রাখ। মোহাম্মদ ইবনু মাসলাম (রাঃ) বললেন, কি জিনিস আপনি বন্ধক চান। সে বলল, তোমাদের স্ত্রীদেরকে বন্ধক রাখ। মোহাম্মদ ইবনু মাসলাম (রাঃ) বললেন, আপনি আরবের অন্যতম সুশ্রী ব্যাক্তি, আপনার নিকট কি করে, আমাদের স্ত্রীদেরকে বন্ধক রাখব আমরা? তখন সে বলল, তাহলে তোমাদের পুত্র সন্তানদেরকে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, আমাদের পুত্র সন্তানদেরকে আপনার নিকট কি করে বন্ধক রাখি? (কেননা তা যদি করি তাহলে) তাদেরকে এ বলে সমালোচনা করা হবে যে, মাত্র এক ওসাক বা দুই ওসাকের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে। এটাতো আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাকর বিষয়। তবে আমরা আপনার নিকট অস্ত্রশস্ত্র বন্ধক রাখতে পারি। রাবী সুফিয়ান বলেন, লামা শব্দের অর্থ হল অস্ত্রশস্ত্র।

অবশেষে তিনি (মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা) তাকে (কা’ব ইবনু আশরাফকে) পুনরায় যাওয়ার ওয়াদা করে চলে আসলেন। এরপর তিনি কা’ব ইবনু আশরাফের দুধ ভাই আবূ নাইলাকে সঙ্গে করে রাতের বেলা তার নিকট গেলেন। কা’ব তাদেরকে দুর্গের মধ্যে ডেকে নিল এবং সে নিজে (উপর তলা থেকে নিচে নেমে আসার জন্য প্রস্তুত হল। এ সময় তার স্ত্রী বলল, এ সময় তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে বলল, এইতো মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা এবং আমার ভাই আবূ নাইলা এসেছে। (তাদের কাছে যাচ্ছি) আমর ব্যতীত বর্ণনাকারীগণ বলেন যে কা’বের স্ত্রী বলল, আমি তো এমনই একটি ডাক শুনতে পাচ্ছি যার থেকে রক্তের ফোঁটা ঝড়ছে বলে আমার মনে হচ্ছে। কা’ব ইবনু আশরাফ বলল, মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা এবং দুধ ভাই আবূ নাইলা, (অপরিচিত কোন লোক তো নয়) ভদ্র মানুষকে রাতের বেলা বর্শা বিদ্ধ করার জন্য ডাকলে তার যাওয়া উচিৎ। (বর্ণনাকারী বলেন) মুহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) সঙ্গে আরো দুই ব্যাক্তি নিয়ে (তথায়) গেলেন। সুফিয়ানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, ‘আমর কি তাদের দু’জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন? উত্তরে সুফিয়ান বললেন, একজনের নাম উল্লেখ করেছিলেন।

আমর বর্ণনা করেন যে, তিনি আরো দু’জন মানুষ সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলেন। এবং তিনি বলেছিলেন, যখন সে (কা’ব ইবনু আশরাফ) আসবে। আমর ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ (মোহাম্মদ ইবনু মাসলামার সাথীদের সম্পর্কে) বলেছেন যে (তারা হলেন) আবূ আবস ইবনু জাব্‌র হারীস ইবনু আওস এবং আব্বাদ ইবনু বিশ্‌র। আমর বলেছেন, তিনি অপর দুই ব্যাক্তিকে সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন। এবং তাদেরকে বলেছিলেন, যখন সে আসবে তখন আমি (কোন বাহানায়) তার চুল ধরে শুঁকতে থাকব। যখন তোমরা আমাকে দেখবে যে, খুব শক্তভাবে আমি তার মাথা আঁকড়িয়ে ধরেছি, তখন তোমরা তরবারী দিয়ে তাকে আঘাত করবে। তিনি (মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা) একবার বলেছিলেন যে, আমি তোমাদেরকেও শুকাব। সে (কা’ব) চাঁদর নিয়ে নিচে নেমে আসলে তার শরীর থেকে সুঘ্রাণ বের হচ্ছিল।

তখন (মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) বললেন, আজকের মত এতো উত্তম সুগন্ধি আমি আর কখনো দেখিনি। আমর ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ বর্ণনা করেছেন যে, কা’ব বলল, আমার নিকট আরবের সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাসম্পন্ন সুগন্ধী ব্যবহারকারী মহিলা আছে। আমর বলেন, মোহাম্মদ ইবনু মাসলামা (রাঃ) বললেন, আমাকে আপনার মাথা শুকতে অনুমতি দেবেন কি? সে বলল, হাঁ এরপর তিনি মাথা শুঁকলেন এবং এরপর তার সাথীদেরকে শুঁকালেন। তারপর তিনি পুনরায় বললেন, আমাকে (আরেকবার শুঁকাবার জন্য) অনুমতি দেবেন কি? সে বলল, হাঁ। এরপর তিনি তাকে কাবু করে ধরে সাথীদেরকে বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। তাঁরা তাকে হত্যা করলেন। এরপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে এ সংবাদ জানালেন।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=4000

৬. আবু রাফি ইবনে আবি আল হুকায়েক

নবী মোহাম্মদ আবু রাফি ইবনে আবি আল হুকায়েককে হত্যার আদেশ দেন। তিনি কবিতার মাধ্যমে মোহাম্মদকে উপহাস করতেন। এরপর মোহাম্মদের কয়েকজন অনুসারী আবু রাফিকে হত্যার অনুমতি প্রার্থনা করলে মোহাম্মদ তা মঞ্জুর করেন। এরপর তারা রাতের অন্ধকারে তাঁর বাড়ীতে গিয়ে তাকে তলোয়ার দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

Sahih Bukhari 4:52:264 ,

Sahih Bukhari 5:59:370 ,

Sahih Bukhari 5:59:371 ,

Sahih Bukhari 5:59:372 ,

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page-482.

Al Tabari, Vol-7, Page-100.

৭. খালিদ ইবনে সুফিয়ান

মোহাম্মদের নির্দেশে তারই এক অনুসারী খালিদ বিন সুফিয়ানকে তলোয়ার দিয়ে হত্যা করে।

Sunan Abu Dawud 1244

Tabari, Volume 9, page-121

৮. আবু আজ্জাহ আমর বিন আবদুল্লাহ আল জুমাহি

সে ছিল একজন যুদ্ধবন্দী। মোহাম্মদের নির্দেশে আলী তাকে হত্যা করে।

Tabari, Volume 7, page- 141-142.

৯. মুয়াবিয়া বিন আল মুগিরা

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মোহাম্মদ তাকে হত্যার আদেশ দেন। তিনি আশ্রয়ের জন্য ওসমান (তার চাচাত ভাই)-এর কাছে গিয়েছিলেন এবং ওসমান মক্কা ফিরে আসার ব্যবস্থা করেছিলেন, কিন্তু তিনি মদিনায় দীর্ঘ সময় ছিলেন। মোহম্মদ যখন শুনলেন যে তিনি তখনো পর্যন্ত মদিনাতে আছেন তখন তিনি তাঁর মৃত্যুর আদেশ দেন এবং তিনি পরে কয়েকজন মুসলিমের হাতে নিহত হন।

Tabari, Volume 7, page- 141-142

Safiur-Rahman Mubarakpuri, The Sealed Nectar , Page-183

Za’d Al-Ma’ad 2/91-108

Ibn Hisham 2/60-129

Fath Al-Bari 7/345-377

Mukhtasar Seerat Ar-Rasool.Page-242-275.

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 755-756(footnote).

১০. আল হারিথ বিন সুবায়েত আল আনসারি

ইসলাম ত্যাগ করায় মোহাম্মদের নির্দেশে ওসমান তাকে হত্যা করে।

Qur’an 3:86-88

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 755-756

১১. আবু সুফিয়ান

মোহাম্মদের নির্দেশে আমর বিন উমায়া আল দামরি তাকে হত্যা করে।

Al Tabari, Volume 7, page-147-150.

১২. বনু কুরাইজা

জিব্রাইলের পরামর্শে মুহাম্মদ তার বাহিনী নিয়ে বনু কুরাইজা আক্রমণ করেন। এ অভিযানে ৬০০-৯০০ জন্য পুরুষকে শিরঃশ্চেদ করা হয়। তাদের সকল সম্পত্তি, মহিলা ও শিশুদের গনিমতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সুন্দরী মহিলাদের সাহাবীদের মাঝে বেছে নিতে বলা হয়। বাকী বন্দীদের বাজারে নিয়ে দাস হিসেবে বিক্রয় করা হয়।

Qur’an 33:26 , Qur’an 33:09 & 33:10

Sunan Abu Dawud 38:4390,

Sahih Bukhari 4:52:68,

(বুখারি, ৫ম খণ্ড, হাদীস নং-২৬১৮)

Sahih Bukhari 4:57:66

(বুখারি, ৬ষ্ঠ খণ্ড, হাদীস নং-৩৪৫৩)

সীরাতে ইবনে হিশাম, পৃষ্টা-২২৫,

Al Tabari, Volume 8, Page-35–36.

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah. page- 461-469.

১৩. আবদুল্লাহ ইবনে উবায়

আয়েশার বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়ার জন্য মোহাম্মদ তাকে হত্যার আদেশ জারি করেন।

Tafsir(ibn kathir) Qur’an 63:7-8

Sahih Bukhari 6:60:424

(বুখারি, ৮ম খণ্ড, হাদীস নং-৪৫৪০)

Sahih Bukhari 5:59:462

(বুখারি, ৭ম খণ্ড, হাদীস নং-৩৮৩৫)

১৪. আল যুসায়ের ইবনে রিজাম

মোহাম্মদের নির্দেশে তার অনুসারীরা আল যুসায়ের ইবনে রিজামকে হত্যা করে।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah. page- 665-666.

১৫. উকিল গোত্রের ৮ জন লোক

মোহাম্মদের নির্দেশে এই আট জন লোকের হাত-পা কেটে ফেলা হয় । উত্তপ্ত লৌহশলাকা দিয়ে তাদের চোখ ফুঁড়ে দেওয়া হয়। তারা পানি খেতে চাইলেও দেওয়া হয়নি এবং এ অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

Qur’an 5:33-39

Sahih Bukhari 1:4:234 ,

(বুখারি, ১ম খণ্ড, হাদীস নং-২৩৩)

Sahih Bukhari 5:59:505 ,

(বুখারি, ৭ম খণ্ড, হাদীস নং-৩৮৭৮)

Sahih Bukhari 7:71:623.

(বুখারি, ৯ম খণ্ড, হাদীস নং-৫৩১৬)

১৬. রিফা বিন কায়েস

মোহাম্মদের অনুসারীরা এই লোককে হত্যা করে এবং মোহাম্মদ এ হত্যাকান্ডে সমর্থন দেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 671-672.

Al Tabari, Volume-8, page- 151.

১৭. আবদুল্লাহ বিন কাতাল

একটি ক্রীতদাস হত্যা করে পালানোর জন্য এবং মোহাম্মদকে অপমানজনক কবিতা শোনার জন্য মোহাম্মদ তাকে হত্যার নির্দেশ দেয়।

Sahih Bukhari 5:59:582 ,

(বুখারী, ৭ম খণ্ড, হাদীস নং-৩৯৫৭)

Sahih Bukhari 3:29:72

(বুখারী, ৩য় খণ্ড, হাদিস নং-১৭২৭)

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 551.

Ibn Sa’d,s Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2. page- 174.

১৮. ফারতানা

এই মহিলা আবদুল্লাহ ইবনে কাতালের একজন ক্রীতদাসী। মোহাম্মদ ফারতানাকে হত্যা করার আদেশ দেন। কারণ তিনি মোহাম্মদ সম্পর্কে ব্যঙ্গাত্মক গান গেয়েছিলেন।

Sunan Abu Dawud 14:2677

Sunan Abu Dawud 14:2678

(আবু দাউদ, ৪র্থ খণ্ড, হাদীস নং- ২৬৭৫)

Sunan an-Nasa’i 5:37:4072

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, page- 550-551.

Ibn Sa’d,s Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2. Page- 174.

১৯. কুরায়বা

এই মহিলা আবদুল্লাহ ইবনে কাতালের একজন ক্রীতদাসী। মোহাম্মদ কুরায়বাকে হত্যা করার আদেশ দেন। কারণ তিনি মোহাম্মদ সম্পর্কে ব্যঙ্গাত্মক গান গেয়েছিলেন।

Sunan Abu Dawud 14:2677

Sunan Abu Dawud 14:2678

(আবু দাউদ, ৪র্থ খণ্ড, হাদীস নং- ২৬৭৫)

Sunan an-Nasa’i 5:37:4072

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat Rasul Allah, Page- 550-551.

Ibn Sa’ds Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2. Page- 174.

The Life of Muhammad: Al-Waqidi’s Kitab al-Maghazi. Page- 406

২০. হুয়াইরিথ ইবনে নাফিদ

এই লোককে আলী হত্যা করে এবং তাতে মোহাম্মদের সমর্থন ছিল।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 551

২১. মিকাস ইবনে সুবাবা

মিকাস একজন মুসলিমকে হত্যা করে কারন সে তার দুর্ঘটনাবশত তার ভাইকে হত্যা করে। এরপর সে মক্কায় ফিরে আসে এবং ইসলাম ত্যাগ করে। এরপর একজন মুসলিম মিকাইসকে খুন করে ।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 551.

২২. সারা

মোহম্মদ সারাকে হত্যা করার আদেশ দেন কারণ তিনি মক্কাতে তাঁকে অপমান করেছিলেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 551.

Al Tabari, Volume 8, Page- 179-180.

২৩. হারিস ইবনে হিশাম

নবী মোহাম্মদ হারিস ইবনে হিশামকে হত্যা করার জন্য বলেন। কারণ তিনি উহুদ যুদ্ধে মুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।

ইবনে সা’দ- এর মতে, জুবায়ের ইবনে আবি উমাইয়া এবং হারিস ইবনে হিশাম উভয়ে একটি মুসলিম আত্মীয় বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সে আত্মীয় মোহাম্মদের কাছে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইসলাম গ্রহন করার শর্তে মোহাম্মদ তাদের ক্ষমা করেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 551.

Ibn Sa’ds Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2. Page- 179.

২৪. জুবায়ের ইবনে আবি উমাইয়া

মোহাম্মদ মক্কা বিজয়ের পরে জুবায়ের ইবনে আবী উমাইয়া কে হত্যা করার নির্দেশ দেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 551.

২৫. আল আসওয়াদ আল আনসি

মোহাম্মদ ইয়েমেনে একজন বার্তাবাহককে পাঠান আল আসওয়াদ আল আনসিকে হত্যা করার জন্য । কারণ তিনি ছিলেন একজন ভুয়া নবী এবং মিথ্যাবাদী। আল-আসওয়াদ আল-আনসিকে মোহাম্মদের মৃত্যুর আগের দিন হত্যা করা হয়।

Sahih Bukhari 5:59:662 ,

(বুখারী, ৭ম খণ্ড, হাদীস নং-৪০৩৭)

Sahih Bukhari 4:56:817 ,

(বুখারী, ৬ষ্ঠ খণ্ড, হাদীস নং-৩৩৬২)

Tabari, Volume 9, Page- 167

২৬. ইকরিমা ইবনে আবু জাহেল

নবী মোহাম্মদ ইকরিমা ইবনে আবু জাহলকে হত্যা করতে বলেছিলেন, কেননা তিনি তাঁর পিতা আবু জেহেলের মত মোহাম্মাদকে ঘৃণা করতেন। ইবনে ইসহাক বলেছেন, তার স্ত্রী মুসলিম হয়ে যান এবং তার জন্য নিরাপত্তা চাইলে মোহাম্মদ তাকে ক্ষমা করে দেন।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 551.

Tabari, Volume 8, Page- 179-180.

২৭. ওয়াশি ইবনে হার্ব

মোহাম্মদ উহুদ যুদ্ধের সময় তাঁর চাচাকে হত্যা করার জন্য ওয়াশি ইবনে হার্বকে হত্যা করতে বলেন। পরে তিনি ক্ষমা চেয়ে ইসলামে দীক্ষিত হলে মোহাম্মদ তাকে ক্ষমা করেন।

Ibn Sa’d, Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2, Page- 179.

২৮. কাব ইবনে জুহায়ের ইবনে আবি সুলামা

মোহাম্মদ তাঁর সম্পর্কে ব্যঙ্গাত্মক কবিতা লেখার জন্য কাব ইবনে জুহাইর ইবনে আবি সুলামাকে হত্যা করতে বলেন। ইবনে ইসহাক দ্বারা লিখিত তাঁর কবিতাগুলোর মধ্যে একটি লাইন হলোঃ

“আমাকে বলা হয়েছিল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে হুমকি দিয়েছিলেন, কিন্তু আল্লাহর রসূলের কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থনা করার আশা করছি”।

ইবনে ইসহাক লিখেছেন, যখন আনসারের একজন মোহাম্মদের কাছ থেকে কাব-কে হত্যা করার অনুমতি চেয়েছিলেন, তখন মোহাম্মদ তাকে বলেছিলেন যে, তিনি তাঁর অতীত থেকে ফিরে এসেছেন তাই তাকে ক্ষমা করা হল।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 597-601

২৯. আল হারিস বিন আল তালাতিল

এই লোকটি কবিতার মাধ্যমে মোহাম্মদকে উপহাস করত। পরে আলী তাকে হত্যা করে।

Ibn Kathir’s Sira al-Nabawiyya. Page- 57

৩০. আবদুল্লাহ ইবনে যিবারা

মোহম্মদ তাঁর সম্পর্কে অপমানজনক কবিতা লেখার জন্য আব্দুল্লাহ ইবনে যিবারাকে হত্যা করতে বলেন।

আবদুল্লাহ ইবনে যিবারা ইসলাম গ্রহণ করলে মোহাম্মদ তাকে ক্ষমা করে দেন।

Al-Waqidi’s Kitab al-Maghazi. Page- 417

Ibn Sa’d, Kitab al-tabaqat al-kabir.

Volume 2, Page- 179.

৩১. হুবায়রা

নবী মোহাম্মদ হুবায়রাকে হত্যা করতে বলেন। কারণ তিনি কবিতার মাধ্যমে মোহাম্মদকে উপহাস করতেন। মক্কা বিজয়ের পর তিনি পালিয়ে যান এবং নাজরানে গিয়ে কাফের অবস্থায় মারা যান।

Al Tabari, Volume 39, Page- 196.

Al-Waqidi’s Kitab al-Maghazi. Page- 417.

৩২. হিন্দ বিনতে উদবা

মোহাম্মদ একবার আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দ বিনতে উদবাকে হত্যা করার জন্য বলেন। আল তাবারি থেকে জানা যায় হিন্দ ইসলাম গ্রহন করলে মোহাম্মদ তাকে ক্ষমা করে দেন।

Sunan Abu Dawud 33:4153

Al Tabari, Volume 8, Page- 181.

৩৩. আমর ইবনে যিহাশ

ইবনে কাসীর এবং ইবনে ইসহাকের মতে, মোহাম্মদ একবার আমর ইবনে যিহাশ সম্পর্কে ইয়ামীন বিন উমাইরকে বললেন,

“আপনার চাচাতো ভাই আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছে তা দেখেছেন এবং সে কি প্রস্তাব দিয়েছে”? মোহম্মদ তাকে হত্যার চেষ্টা করার দায়ে অভিযুক্ত করেছিলেন । এরপর ইয়ামীন একজন মুসলিমকে আমরকে হত্যার জন্য অর্থ দেয়। এরপর সে মুসলিম আমর ইবনে যিহাশকে হত্যা করে।

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 438.

৩৪. দুমারের শাসক

মোহাম্মদ খালিদ ইবন ওয়ালীদকে দুমারের শাসক উকায়দারের নিকট প্রেরণ করেন।

মূলত জিজিয়া ও গনিমতের জন্য মোহাম্মদ সেখানে আক্রমণ করার জন্য বলেন। সেখানে একজন নিহত হয় এবং দুইজনকে বন্ধী করে আনা হয়। জিজিয়া দেওয়ার শর্তে মোহাম্মদ দুমারের শাসককে মৃত্যুদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেন।

Sunan Abu Dawud 19:3031

(আবু দাউদ, ৪র্থ খন্ড, হাদীস নং-৩০২৭)

Ibn Sa’d, Kitab al-tabaqat al-kabir, Volume 2, Page- 205.

Al Tabari, Volume 9, Page- 58-59.

৩৫. উমাইয়া বিন খালাফ আবি সাফওয়ান

কোন এক অজানা কারনে মোহাম্মদ উমাইয়া বিন খালাফকে হত্যা করার জন্য বলেন। এরপর বেলাল সে লোকটিকে হত্যা করে।

Sahih Bukhari 4:56:826

(বুখারী শরীফ,৬ষ্ঠ খণ্ড, হাদীস নং-৩৩৭১)

৩৬. একজন অন্ধ লোকের স্ত্রী/দাসী

মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অপমানজনক কথা বলায় একজন অন্ধ লোক তার দাসীকে হত্যা করেন। পরে মোহাম্মদ যখন এ ব্যপারটি জানতে পারেন তখন বলেন যে এজন্য অন্ধ লোকটিকে রক্তমূল্য দিতে হবেনা এবং লোকটিকে ক্ষমা করে দেন।

Sunan Abu Dawud 38:4348

(আবু দাউদ, ৫ম খন্ড, হাদীস নং-৪৩৬১)

Sunan an-Nasa’i 5:37:4075

৩৭. ইবনে সুনায়না

মোহম্মদ তার অনুসারীদেরকে নিজ ক্ষমতাবলে যেকোন ইহুদীকে খুন করে হত্যা করার আদেশ দিয়েছিলেন। একথা শোনার পর মুহাইসা নামক এক অনুসারী বেরিয়ে যান এবং ইবনে সুনাইনা (একজন ইহুদী) কে হত্যা করেন।

Sunan Abu Dawud 19:2996

(আবু দাউদ, ৪র্থ খণ্ড, হাদীস নং-২৯৯২)

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 369.

৩৮. আবদুল্লাহ ইবনে সা’দ ইবনে আবি সা’রা

আবদুল্লাহ ইবনে সা’দ ইবনে আবি সা’রা মোহাম্মদের কাছে থেকে কোরানের আয়াত লিখে রাখতেন। পরে তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে মক্কায় পালিয়ে যান। এতে মোহাম্মদ রেগে যান এবং তাকে হত্যার আদেশ দেন। মক্কা বিজয়ের পরে তিনি পুনরায় ইসলাম গ্রহন করেন এবং তাকে মোহাম্মদের কাছে আনা হয়। মোহাম্মদ ভেবেছিলেন তাঁর অনুসারীরা ইবনে সা’দ আবি সা’রাকে হত্যা করবে এবং এটা ভেবে তিনি নিরব থাকেন। এদিকে মোহাম্মদের অনুসারীরা ভেবেছিলেন যে মোহাম্মদ সা’রাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এরপর সা’রা সেখান থেকে চলে আসার পর মোহাম্মদ তাঁর অনুসারীদের বলেন যে কেন তারা সা’রাকে হত্যা করেনি। মোহাম্মদের অনুসারীরা বলেন যে মোহাম্মদ যদি ইশারা করত তাহলে তারা সা’রাকে হত্যা করত। মুহাম্মদ বলেন, একজন নবি কখনো ইশারার মাধ্যমে কাউকে হত্যা করেনা। যাই হোক, মোহাম্মদ এবং তাঁর অনুসারীদের এই ভুল বুঝাবুঝির কারনে সা’রার জীবন বেঁচে যায়।

Sunan Abu Dawud 38:4346 ,

Sunan Abu Dawud 14:2677,

(আবু দাউদ, হাদীস নং- ৪৩৫৮ এবং ২৬৭৪)

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 550

Al-Tabari, History Vol.9, Page- 148.

৩৯. ইবনে আন নাওয়াহাহ

ইবনে কাসীর এবং সুনানে আবু দাউদ- এ বর্ণিত হয়েছে যে, মোহাম্মাদ একবার ইবনে নাবাবিয়াহ সম্পর্কে বলেছিলেন যে, “আমি আপনার মাথা কেটে ফেলতাম যদি তুমি আমার দূত না হতে”। কারণ তিনি (নাওয়াহাহ) দাবি করেছিলেন যে মুসাঈলীমাহ একজন নবী ছিলেন। পরে নাওয়াহাহ যখন দূত ছিলেননা তখন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ইবনে আন নাওয়াহাকে হত্যা করেন ।

Sunan Abu Dawud 14:2756

(আবু দাউদ, ৪র্থ খণ্ড, হাদীস নং-২৭৫৩)

Al Tabari, Volume 10, Page- 107.

৪০. নামহীন গুপ্তচর

মোহাম্মদ এই লোককে তাঁর নিজের (মোহাম্মদের) বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করছে বলে সন্দেহ করেন এবং সেই লোকটিকে হত্যার জন্য তাঁর সাহাবীকে নির্দেশ দেন। এরপর সালমা ইবনে আল-আকবা এই সন্দেহভাজন গুপ্তচরকে হত্যা করে। মোহাম্মদ সে লোকের মালপত্র হত্যাকারীকে দিয়ে দেন।

Sahih Bukhari 4:52:286

(বুখারী শরীফ, ৫ম খণ্ড, হাদীস নং-২৮৩৬)

৪১. আসলাম গোত্রের এক লোক

মোহাম্মদের নির্দেশে এই লোকটিকে পাথর মেরে নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়।

Sunan Abu Dawud 38:4414.

(আবু দাউদ, ৫ম খণ্ড, হাদীস নং-৪৪২৫)

৪২. কিনানা ইবনে আল রাবি ইবনে আবু আল হুকায়েক

মোহাম্মদের নির্দেশে বনু নাদিরের গোপন ধন-সম্পদের সন্ধানে কিনারা ইবনে আল-রাবিকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এরপর তার শরীরে আগুন দিয়ে নির্যাতন করা হয় এবং পরে শিরঃশ্চেদ করা হয়।

Sunan Abu Dawud 19:3000

The life of Muhammad: a translation of Ishaq’s Sirat rasul Allah, Page- 515.

৪৩. বাহিলা ও বনু খাত্তাম অভিযান

মোহাম্মদ জারীর ইবনে-আবদুল্লাহকে ইয়েমেনের মন্দির যেখানে ধূর-আল-খালাসার মূর্তি ছিল তা ধ্বংসের জন্য পাঠায়। জারির মূর্তি ধ্বংস এবং হত্যাকাণ্ডের ব্যপারে মোহাম্মদকে অবহিত করে এবং মোহাম্মদ তা অনুমোদন করেন। ধূর-আল-খালাসার মূর্তি ধ্বংসের জন্য বাহিলার ১০০ জন পুরুষ এবং ২০০ জন বনু-খাতামকে হত্যা করা হয়েছিল।

Sahih Bukhari 5:59:641 ,

Sahih Bukhari 4:52:262 ,

Sahih Bukhari 4:52:310

Ibn al Kalbi, Hisham (1952). The book of idols: being a translation from the Arabic of the Kitāb al-asnām. Princeton University Press. Page-31–32.

কৃতজ্ঞতা ঃ আল্লামা আবু কাফের

Leave a comment