সম্প্রতি একটা প্রেস রিলিস পাওয়া গেল যেটা বলছে –
“দেশ কিংবা বিদেশ থেকে সোশাল মিডিয়ায় সরকার, জনপ্রতিনিধি, সেনা কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে ‘অপপ্রচার’ বিষয়ে সতর্ক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার জন্য অসত্য ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করছে। এতে করে দেশের বিদ্যমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা, জনমনে উদ্বেগ, বিদ্বেষ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার ধৈর্যের সঙ্গে সমস্ত অপ-প্রচারকারী ও তাদের সহযোগীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এ সিদ্ধান্ত উপনীত হয়েছে যে, দেশের স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ও জনস্বার্থে এসমস্ত অপকর্ম সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।”
আসুন আমরা দেখি এখন দেশে কারা মিথ্যা অপ-প্রচার চালায়, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা করে, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রচার করছে?
আমরা উদাহরণ দিতে পারি আজ-হারির ওয়াজের, যেখানে তিনি বলেছেন করোনা ভাইরাস হল আল্লাহর সৈনিক।
আমির হামজার বক্তব্য থেকে জানা যায় মুসলমানদের করোনা হবেনা। “আল্লাহর কসম ক*রনা হবে না যদি হয় কোরআন মিথ্যা।”
কাজি ইব্রাহিম বলেন মাটির নিচে ছয়টা পৃথিবী আছে।
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের বক্তব্য নারীদের সৃষ্টি করা হয়েছে শুধু মাত্র পুরুষকে তৃপ্তি দেওয়ার জন্য।
এসব কি “অপপ্রচার” বা মিথ্যাচার নয়?
আমরা দেখতে পাই ভোলায় নবীকে গালি দেওয়ার গুজব কে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং রীতিমত পুলিশের সাথে যুদ্ধ।

