নবীজি ধর্ষক ছিল। তিনি ৬ বছরের আয়শা কে বিয়ে করে ৯ বছরে বিছানায় তোলেন

young bride

নাস্তিকঃ নবীজি ধর্ষক ছিল। তিনি ৭ বছরের আয়শা কে বিয়ে করে ৯ বছরে বিছানায় তোলেন

মুমিনঃ ওই সময় তো এটাই তো স্বাভাবিক ছিল। তা ছাড়া গরমের দেশে মেয়েরা তাড়াতাড়ি সাবালিকা হয়ে যায়। আয়শা তো ৯ বছরে পূর্ণ যুবতি হইছিল। তাছাড়া রবিন্দ্রনাথ, শেখ মুজিবর রহমান এরাও তো বাল্য বিবাহ করেছিল। তো এদের কে কিছু না বলে শুধু নবীর পিছনে লাগেন কেন? আর এই বিয়েতে আয়শা সম্মতি দিয়েছিল তো আপনার সমস্যা কোথায়? আপনি বাল্য বিবাহ করতে না চাইলে করবেন না কিন্তু আমরা খাঁটি মুমিন। একটা মেয়ের হায়েজ হইলেই সে বিয়ের জন্য তৈরি হয়। হ।।

নাস্তিকঃ আচ্ছা একটা বাচ্চা মেয়ে বিয়ের সম্মতি দিলে কি সেটা গ্রহণযোগ্য হবে?

মুমিনঃ কেন হবে না? তার বাবা মা রাজি থাকলে আর বাচ্চার সম্মতি থাকলে বিয়ে হবে না কেন? আর এখন যে ক্লাস সিক্সের মেয়েরা প্রেম করে, সেটা নিয়ে তো কিছু বলেন না?

নাস্তিকঃ একটা মেয়ে বিয়ে করা মানে শুধু শারীরিক সম্পর্ক নয়, সেটা জানেন নিশ্চয়ই। আর বাচ্চা মেয়ে বিয়ে কাকে বলে সেটা হয়তো বুঝেনা। তার বাচ্চা বয়েসে শরীর মন, কোনটাই বিয়ের জন্য উপযুক্ত হয় না। তার পেটে বাচ্চা হলে সেই অল্প বয়েসি মায়ের এবং বাচ্চার, উভয়েরই তো ক্ষতি হতে পারে, এটা আমরা বর্তমানে বিজ্ঞান দিয়ে জেনেছি। আর তাই অনেক দেশে এখন ১৮ এর আগে বিয়ে করা বৈধ নয়।

মুমিনঃ একটা মেয়ের হায়েজ হলেই কোন সমস্যা নেই। আপনি কি জানেন আমেরিকায় অনেক জায়গায় ১৪ বছরে বিয়ে করা বৈধ? আর ওই আমলে তো সবাই এটা করতো। কারো তো কোন সমস্যা হয় নি। আর এটা তো ফরজ নয়। আপনি ইচ্ছা করলে বাচ্চা মেয়ে বিয়ে করবেন না। যার ইচ্ছা সে করবে, আপনার সমস্যা কোথায়?

নাস্তিকঃ আমার সমস্যা হচ্ছে, যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় তার বিরুদ্ধে আমি কথা বলবো। যে বয়েসে একটা মেয়ের লেখা পড়া করার কথা, সেই বয়েসে তাকে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইসলাম মেয়েদের স্বাবলম্বী হতে দেয় না। এখানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। আর ইসলাম তো শুধু সেই আমলের জন্য নয়। এটা কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিমদের জন্য জীবন বিধান। ইসলামে নবী যেটা করে গেছে সেটা সকল মানুষের জন্য কেয়ামত পর্যন্তয় অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় । শেখ মুজিবর রহমান অথবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভুল করেছে তারা তো আমাদের আদর্শ নয়। কোন হুজুর কি আজ পর্যন্ত বাচ্চা মেয়ে বিয়ে করা হারাম বলেছে?

মুমিনঃ যে কোন বয়সের মেয়ে বিয়ে করা জায়েজ তবে সেটা তার অভিভাবকের সম্মতিতে হতে হবে। এটা আল্লাহ্‌র বিধান। আল্লাহ্‌ এভাবেই মেয়েদের সৃষ্টি করেছে। তবে বাচ্চা মেয়েদের ধর্ষণ করা যাবেনা। তাদের হায়েজ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর বর্তমানে স্কুল কলেজে, অফিসে যেভাবে মেয়েদের বেপর্দা চলা ফেরা বাড়ছে, তাতে সবখানেই এখন জেনার কারখানা হয়ে গেছে। এখন মেয়েদের ঘরের বাইরে বের হওয়ারই প্রয়োজন নাই। কোন মেয়ে প্রেম করে ধর্ষিতা হলে সেটার দায়িত্ব কি আপনি নেবেন? এর চেয়ে ভালো নয় কি যে তাকে বিয়ে দিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া।

জি ভাই এটাই সঠিক ইসলাম। যে সব মডারেট মুসলিমরা এটা মানেন না, তারা ভালো ভাবে ইসলাম জেনে নিন। আর এটা না মানলে আপনি সরাসরি কোরান হাদিস এবং সুন্নার বিরোধিতা করছেন (নাউজুবিল্লাহ)। আপনি মুরতাদ হয়ে গেছেন।

রেফারেন্স ঃ আয়েশা (রা.) – এর বিয়ে নিয়ে বিতর্ক

পরিচ্ছেদঃ ৯. পূর্ব বিবাহিতার মৌখিক সম্মতি গ্রহন এবং কুমারীর নীরবতা সম্মতি হিসেবে বিবেচিত হবে

ফটো ক্রেডিটি Teen Activists In Bangladesh Working To Prevent Child Marriage Through An Org. Funded By UNICEF

Leave a comment