রিতা দেওয়ান – আল্লাহ নাকি শয়তান মোনাফেক – সরাসরি এভাবেই বলল

84581176_139300844209188_3707591459839410176_n.jpg

রিতা দেওয়ান যখন গান করছিল, তখন সামনে পিছে হাজার হাজার দর্শক শ্রোতা ছিল,যাদের ৯৮% ই মুসলমান।

অথচ তারা কেউই রিতা দেওয়ানের কথার বিরুদ্ধে টু-শব্দটুকুও উচ্চারণ করেনি। কারন তারা আগাগোড়া পুরো অনুষ্টান তথা পালাগানটা দেখে তাদের কুরান হাদীসের রেফারেন্সে পক্ষে বিপক্ষে প্রশ্নগুলো শুনেছে এবং সেগুলোর প্রত্যেকটাই যৌক্তিক মনে হয়েছে। তাই তারা চুপচাপ উপভোগ করছিল।

অথচ সেই একই কথাবার্তা সোস্যাল সাইটে আসার পরেই কেন আমজনতা ক্ষেপা ধরলো?

তাহলে সামনে বসে শোনা হাজার হাজার দর্শক শ্রোতাদের সবাই ই কি আহাম্মক ছিল?

কেউ কি ছিলনা তাদের মধ্যে এই ক্ষেপাধরা আমজনতার মাঝে?
তাহলে তখন প্রশ্ন তুলেনি কেন?

কারন….

কারন তারা সেখানে আগাগোড়া পুরো কনভারসনটা শুনেছে। এবং তারা বুঝেছে যে তারা পক্ষে বিপক্ষে যে কথাগুলো বলছে তার সবটাই বা উভয়েই কুরান হাদীসকে কেন্দ্র করেই বলেছে।

তাহলে নিজের পাছায় গু নিয়ে কেন অন্যের পাছা শুকে বেড়াচ্ছে ওসব মুমিনদের দল?

ওসব শিল্পীরা কুরান হাদীস নিয়েই পক্ষে বিপক্ষে কথা বলার সুযোগ পায় কিভাবে?

কারন এই সুযোগ কুরান হাদীসেই আছে।

কুরান হাদীসেই নানানরকম কথাবার্তা আছে একই বিষয়ে।
কিন্তু সেটা কখনোই এই অন্ধ ( ধর্মান্ধ) জাতিটি জানেনি।কারন তারা কেউ ই নিজ মাতৃভাষায় কুরান হাদীস পড়ে দেখেনি।

তাই ওসব শিল্পীদের বা কোন সংশয়বাদী বা নাস্তিক মুক্তমনাদের কথা বা লেখা দেখলেই হটাত করে নিজের কাছে নতুন কিছু বা বানানো কিছু মনে হয় ধর্মের নামে।

অথচ এটা যে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থের ভুল বা দুর্বলতা সেটা কখনো জানার চেষ্টা করেনা।

কখনো ভাবার চেষ্টা করেনা যে সে যে কথাটা বলেছে ত্র হেতু কি?
কিসের জোরে সে বলল?

পরিশেষে বলতে চাই যে,প্রায় সাড়ে চার ঘন্টার কথাবার্তার মধ্যে আগামাথা কেটেছেটে ২ মিনিটের ভিডিওতে তার কথাবার্তার কি কচু বুঝবে শুনি?

তাই কারো ভিডিও সোস্যাল সাইটে প্রচার করার আগে নিজে ওভার শিওর হয়ে নিবেন যে তার কথার আগে পিছনে কি আছে?

আর অন্যের পাছার গু না চেটে আগে নিজেদের ওসব ধর্মের মাঝের গু পরিস্কার করে আসো। তাহলেই সবাই সুখে শান্তিতে থাকতে পারবে।

(সত্যের সন্ধানে নির্ভীক

 

Leave a comment