ধর্ষণের অভয়ারণ্য বাংলাদেশ

বাংলাদেশ অসাধু মাদ্রাসা শিক্ষক, মৌলভি, হুজুর, ইমাম, মোল্লাদের ধর্ষণের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে । তারা কোন ছেলে মেয়ে, শিশু, কিছুই মানেনা। কখনো জীন তাড়ানোর নামে, আর কখনো কোরান, হাদিস, সিপারা শিক্ষার নামে চলছে ধর্ষণ।

আরেক শ্রেণীর মানুষ ধর্ষণের জন্য মেয়েদেরকেই দায়ী করেন। মেয়েরা কেন বাসা থেকে বের হবে? স্কুল কলেজ, ইউনিভারসিটি “জেনার কারখানা’ বলে দাবি করছেন মোল্লারা । গার্মেন্টসের মেয়েরা বা যে কোন জায়গায় “মেয়েরা যদি চাকরি করে তো ধর্ষণ হবেই”, ইত্যাদি ইত্যাদি বলে মেয়েদের উপরেই ধর্ষণের দায় ভার চাপানো হচ্ছে।

কিন্তু একটা ৬ বছরের মেয়ে যখন ধর্ষিতা হয় তখন তার কোন পোশাক কে আপনি দায়ী করবেন?

ধর্মের নামে আমাদের দেশে যা হচ্ছে তা হল কুশিক্ষা এবং কুসংস্কারের লালন পালন। এই বিজ্ঞানের যুগেও অনেকে মনে করে যে কোরান হাদিস হল প্রকৃত শিক্ষা। কোরান “রিচারজ” করেই সব আবিষ্কার হচ্ছে। এমন কি অনেক শিক্ষিত মানুষ ও মনে করে কোরান হাদিস বিজ্ঞানে ভর্তি।

কিছু দিন আগে জাপানের এক বিজ্ঞানী টেলোফেজি আবিষ্কার করল । বাস বাংলাদেশের মুসলমানরা লাফালাফি শুরু করে দিল এটা নাকি রোজা। কিন্তু মূর্খের দল একবার টেলোফেজি কি সেটা পড়েও দেখল না। টেলোফেজি বা ফ্যাস্টিং এ যে প্রচুর পানি খেতে হয়, এবং সেটা ফ্যাস্টিং করা অবস্থায় । তা নাহলে শরীরে অনেক বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, এমন কি মস্তিষ্কে পানি কমে গিয়ে চিরস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, সেটা তারা ভেবে দেখেননা। তারা শুধু কোন অসাধু ধর্ম ব্যবসায়ী যদি কিছু একটা বলে, সেটাকেই সত্য মনে করে।

মাদ্রাসায় যে শিক্ষা, সেটা কি বর্তমান সমাজে কোন প্রয়োজন আছে? তার উপর এই সব অসাধু ধর্ম ব্যবসায়ীরা মসজিদে ,মাদ্রাসায় মৌলভি, ইমাম, মোল্লারা ছেলে মেয়ে ধর্ষণ করছে। শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত নেই তারপর আবার জ্বালিয়ে , কাউকে মাথা কেটে , মাটিতে পুতে হত্যা করছে ।

কবে আমরা এগুলোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হবো? ধর্মের কাছে কি মানুষ এতই অসহায়? কারো কোনও মাথা ব্যথা নেই কেন?, না সরকারের না সাধারণ মানুষের? কারণ এরা মৌলভি মোল্লা, আল্লার নেক বান্দা!

নামাজের পর ইমাম,মৌলভিরা বিশ্ব মুসলমান নির্যাতিত হচ্ছে বলে মাইকে গলাবাজি করে । কাশ্মীর ইস্যুতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে। তসলিমা নাসরিনকে কুকুরের মতো জবাই করার দাবি উঠে। কিন্তু নিজ দেশে এইসব ধর্ষণ নিয়ে মুখ থেকে একটা আওয়াজ বের হয় না কারণ দিন শেষে এইসব মৌলভি, ইমাম, হুজুররাই তো এইগুলা করে। ছয় বছরের শিশু হোক বা দাসী হোক, সবই হালাল।

ধর্ষণ.jpg

Leave a comment