তারকা গুলার আকার কত বড় এবং তারা কত দূরে সে ব্যাপারে আল্লাহ্র কোন ধারনা ছিলনা। তো ব্লাক হোল কিভাবে জানবে?
নিম্নের আকাশকে আমি প্রদীপসমূহ দ্বারা সুসজ্জিত ও সুরক্ষিত করিয়াছি। সূরা-৪১:হা-মীম সাজ্বদা, আয়াত: ৯-১২
তো আকাশের তারা গুলো সর্ব নিম্নে আছে। বোঝেন এবার। যারা বলে আসমানের স্তর গুলো বায়ুমণ্ডলের স্তর বুঝানো হয়েছে তারা ধরা খাইলেন।
নীচের আরও কিছু আয়াত দিলাম একটু মজা করার জন্য।
“তিনিই সে সত্তা (আল্লাহ) যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্যে যা কিছু রয়েছে জমিনে, অতঃপর তিনি মনসংযোগ করেছেন আকাশের প্রতি। বস্তুত তিনি তৈরি করেছেন সাত আসমান। আর তিনি সর্ববিষয়ে অবহিত।” [সুরা বাকারা, ০২ : ২৯]
তো দেখা যাচ্ছে আল্লাহ তা‘আলা প্রথমে যমীনকে সৃষ্টি করেন। অতঃপর আসমান সৃষ্টি করেন।
এবার এই আয়াত টা দেখেন, আল্লাহ্র কোন ধারনা নেই আকাশ কাকে বলে।
তুমি কি দেখ না যে, ভূপৃষ্টে যা আছে এবং সমুদ্রে চলমান নৌকা তৎসমুদয়কে আল্লাহ নিজ আদেশে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন এবং তিনি আকাশ স্থির রাখেন, যাতে তাঁর আদেশ ব্যতীত ভূপৃষ্টে পতিত না হয়। নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি করুণাশীল, দয়াবান। (২২ঃ৬৫)
তার মানে আকাশ আপনার মাথায় ঘেঙ্গে পড়তে পারে।

