একজন নাস্তিকের কাছে সৃষ্টিকর্তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কিভাবে দিবেন

হুজুর বয়ান দিচ্ছেন – বিভাবে একজন নাস্তিকের কাছে বৈজ্ঞানিক ভাবে সৃষ্টিকর্তা, আল্লাহ সুভানবতালার অস্তিত্বের প্রমাণ দেওয়া যায়।

হুজুর বলল – নাস্তিকরা তো বিজ্ঞানে বিশ্বাস করে, তো তাদের বিজ্ঞান দিয়েই সৃষ্টিকর্তার প্রমাণ দেওয়া যায়।

যেমন, একজন নাস্তিক কে জিজ্ঞাসা করুন, এমন কোন জিনিষ যদি আপনার,সামনে আনা যায়, যা পৃথিবীর কেউ দেখেনি, তবে সেই বস্তুটির সম্পর্কে কে সর্ব প্রথম বলতে পারবে?

সেই নাস্তিক তখন উত্তর দিবে, যে এটা সম্পর্কে সর্ব প্রথম বলতে পারবে এটার সৃষ্টিকর্তা।

তো এবার দেখুন, এই যে মহাবিশ্ব, এটা কিভাবে সৃষ্টি হল? বিজ্ঞান বলে
যে এই মহাবিশ্ব প্রথমে একটি ধোয়ার কুণ্ডলী ছিল, তার পর একটি বিস্ফোরণ হয়, এবং তার থেকেই সৃষ্টি হয় গ্রহ, নক্ষত্র, আমরা আমাদের চারি পাশে যা দেখি সব কিছু। এটাকে বিজ্ঞানীরা বলে বিগ ব্যাং থিওরি। বিজ্ঞানীরা এটা আবিষ্কার করেছে ১০০ বা ২০০ বছর আগে হবে, কিন্তু আমি সেটা নিয়ে কোন তর্ক করবো না,

কিন্তু কোরান এটা ১৪০০ বছর আগেই বলেছে। সুরা আম্বিয়ার তিরিশ নম্বর আয়াতে।

তার পর তিনি আরবিতে আয়াতটি তেলাওয়াত করে শুনলেন। এরপর আবার বয়ান শুরু করলেন।

বললেন, এই বিগ ব্যাং থিওরি কোরানে ১৪০০ বছর আগে কে লিখতে পারে আল্লাহ ছাড়া?

নাস্তিকরা তো বাঁদরের দল। তারা হয়তো মানতে চাইবে না। তারা বলবে, এটা কাকতালীয় ভবে মিলে গেছে। কিন্তু তারা এত অন্ধ যে তারা এটাও বোঝেন যে এত গুলো ব্যাপার যেটা বিজ্ঞান কিছু দিন আগে জেনেছে, সেটা কোরানে উল্লেখ করা হয়েছে ১৪০০ আগে, এটা কাকতালীয় কি করে হয়?

তাদের সাথে তর্ক করবেন না, আপনি দ্বিতীয় প্রমাণে যাবেন। এই পৃথিবীর যে আকৃতি, এটা যে গোল, এটা আমরা কবে জানতে পেরেছি? এটা আবার পুর পুরি গোল নয়, এটাকে আমরা জ্যামিতির ভাষায় বলি বর্তুলাকার। অনেকটা উট পাখির ডিমের মতো।

তো নাস্তিক কে প্রশ্ন করুন, এটা আমরা কবে জেনেছি? তো নাস্তিক তখন উত্তর দিবে ১৫৯৭ সালে, যখন স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক যখন জাহাজ নিয়ে সারা পৃথিবী ঘুরে আসেন তখন তিনি প্রমাণ করেন যে পৃথিবী বর্তুলাকার।

কিন্তু কোরানে এটা ১৪০০ বছর আগেই বলা আছে। সুরা নাজিয়াতের ৩০ নম্বর আয়াতে।

এবার তিনি আবার আয়াত টি তেলাওয়াত করা শুরু করলেন। আয়াত টি হল

ঃ ওয়াল আরদা বাদা জালিকা দাহাহা …

এখানে দাহাহা মানে হল ডিম, শুধু ডিম না, উটপাখির ডিম ।

হটাত পিছন থেকে এক বেয়াদপ নাস্তিক হা হা হা করে হেসে উঠল।

হাসি চাপতে চাপতে নাস্তিক বলল, হুজুর আপনি তো বললেন যে একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই সর্ব প্রথম বলতে পারবে, তো নিউটন তো মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সম্পর্কে প্রথমে বলেছিল, তাহলে কি সে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সৃষ্টিকর্তা?

কোরানে তো কোথাও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কথা উল্লেখ নেই । আল্লাহ চন্দ্র সূর্য একে অপরকে পরিক্রমণ করে এসব না বলে বলতে পারতো যে তারা কিন্তু একে অপরকে টানে। তাহলে তো মানুষ বুঝতে পারতো যে মাধ্যাকর্ষণ আছে।

এতটুকু বলেই তাকে প্রাণ নিয়ে পালাতে হল।

images (7)

 

Leave a comment