জৈবিক বিবর্তন তত্ত্ব জীব জগৎ সম্পর্কে দুইটি খুব সাহসী দাবী তোলে:
প্রথমত, “পৃথিবীর সমস্ত জীব পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত। তারা একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে বিবর্তিত হয়েছে।” (চিত্র ১) দ্বিতীয়ত, “জীবের বিবর্তন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় চলে।”
যা নিয়ে গবেষণা করা যায় এবং বোঝা যায়। কিন্তু আসলেই কি এমন কোন প্রমাণ আছে যে দুইটি দাবি সত্য? হ্যাঁ। বিভিন্ন গবেষণা ক্ষেত্র থেকে এত এত পর্যবেক্ষণযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় যে, এগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করার আগে এদের বিভিন্ন শ্রেণি বা প্রমাণের ধারায় ভাগ করে নিতে হবে। (চিত্র ২)
আলোচনার সুবিধার্থে, এখানে আমরা বিবর্তন তত্ত্বের প্রথম দাবিটির দিকে মনোনিবেশ করব: “সব জীবই পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত।”
আমরা এখানে সমগ্র জীবজগৎ নিয়ে একবারে আলোচনা করতে পারবো না। (যত যাই হোক, বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় ৮৭ লক্ষ প্রজাতি রয়েছে), তাই আমরা আজ বিবর্তন বৃক্ষের এক ছোট কিন্তু আকর্ষণীয় শাখা ‘সিটাসিয়া’ দের নিয়ে আলোচনা করবো। এই শাখাতে তিমি, ডলফিন এবং শুশুক রয়েছে। জীববিজ্ঞানী দাবি করে এই সব প্রাণী ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত, এবং এই পুরো বর্গটি এক প্রাচীন চতুষ্পদী স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে বিবর্তিত হয়েছে।
তাদের কথা নির্দ্বিধায় মেনে নেওয়ার পরিবর্তে, আসুন আমরা প্রমাণের দিকে তাকাই। শুরুতেই আমরা দেখবো “তুলনামূলক দৈহিক গঠনতন্ত্র” থেকে যেখানে জীবের মধ্যে পার্থক্য এবং মিল নিয়ে গবেষণা করা হয়।




















Pingback: ডারউইনের ভুল তত্ত্ব বনাম আদম হাওয়ার ধপাস তত্ত্ব | সত্যের সন্ধানী