হযরত মোঃ (সঃ) বলেছিলেন – তুমি যদি কোরান আর হাদিসের একটি শব্দও জানো, তবে তা প্রচার কর। এটি একটি হহিহ হাদিস।
আমি কিছু কিছু কোরান এবং হাদিস মেনে চলি। এটি হল তার মধ্যে একটি। আমি আজ কিছু জাল আর সহিহ হাদিস নিয়ে আলোচনা করব।
ছোট বেলায় আমরা অনেকেই এই গল্পটা পড়েছিলাম বা শুনেছিলাম যে এক দুষ্টু বুড়ি প্রতিদিন নবীজির পথে কাটা দিয়ে রাখতেন এবং নবীজির পা কাটার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয়ে যেত। একদিন নবীজি তার পথে কোন কাটা দেখতে না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ল এবং বুড়ির বাসায় গেল এবং গিয়ে দেখল বুড়ি অসুস্থ। নবীজি তাকে সেবা করে সুস্থ করে তুললেন ।
এই কাহিনী থেকে আমরা নবীজির মহানুভবতার প্রমাণ পেয়েছিলাম, এবং এথেকে আমরা এই শিক্ষা পেয়েছিলাম যে তোমরা তোমাদের শত্রু কে জয় কর মানবতা দিয়ে, শত্রু কে ভালোবাসো ইত্যাদি ইত্যাদি, কিন্তু অনেকেই জানেনা যে এটা একটা জাল হাদিস।
এই ধরনের অনেক জাল হাদিস নবীজির নামে প্রচলিত আছে মানুষের মুখে মুখে অথবা কোন কোন বইতেও।
আরও একটি জাল হাদিস হচ্ছে – “জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন দেশে যাও” এই বাক্য টি ব্যাপক ভাবে হাদিস হিসাবে এবং নবীজির বানী হিসাবে চালানো হয়।
অথচ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা এবং নবীজির বোরাকে চড়ে সাত আসমান পাড়ি দিয়ে আল্লাহ্র সাথে সাক্ষাতের কাহিনীটি সহিহ হাদিস।
মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। হাদিসে বর্ণিত আছে যে – “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, আমরা মিনায় রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। হঠাৎ চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হল এবং এক খণ্ড পাহাড়ের পশ্চাতে চলে গেল ও এক খণ্ড পাহাড়ের উপরে রইল। তখন রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা সাক্ষী থেকো। (সহীহ বুখারী ১/৫৪৬; সহীহ মুসলিম ২/৩৭৩)
সুতরাং দেখতেই পাচ্ছেন যে এটি সহীহ হাদিস।
আরও একটি সহিহ হাদিস হল আপনি যখনি কোন কাফের মুশরিকের কাছ থেকে কোন খবর পাবেন, সেটা আপনি যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, আপনি যদি মুসলমান হয়ে থাকেন, অবশ্যই আমার লেখা গুলির সত্যতা যাচাই করে দেখবেন।

