দেশ ভেদে ১৯ থেকে ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত রোজা রাখছেন ইউরোপের মুসলমানরা। পৃথিবীর উত্তর অঞ্চলের মুসলমানরা বিশেষত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর (১. আইসল্যান্ড ২. সুইডেন ৩. নরওয়ে ৪. ডেনমার্ক ৫. ফিনল্যান্ড) অধিবাসীরা দীর্ঘ সময় রোজা রাখেন। তাদের রোজার দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ ঘন্টা। আবার আইসল্যান্ড ও গ্রীনল্যান্ডে বসবাসরত মুসলমানদের রোজার সময়ের দৈর্ঘ্য গড়ে ২১ ঘন্টা।
নরওয়ে নিশীথ সূর্যের দেশ বলে খ্যাত নরওয়েতে ২০ ঘণ্টা রোজা থাকতে হয়। এখানে রোজা শুরু ২টা ২০ মিনিটের দিকে, আর শেষ রাত ১০টা ১৫ মিনিটে।
মাত্র একঘন্টার জন্য ইফতার করেন ফিনল্যান্ডের মুসলমানরা। তো তারা ইফতারির পর তারাবি কখন পড়বে? সময় নাই। কারন এক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের আবার সেহেরি করে ফজরের নামাজ পড়তে হয়।
ল্যাপল্যান্ড এলাকায় বসবাসরত মুসলামানরা সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রোজা রাখেন। সেখানে রাত আসে মাত্র ৫৫ মিনিটের জন্য। তাদের প্রতিদিনকার রোজার দৈর্ঘ্য হয় ২৩ ঘণ্টারও বেশি।
রোজা যদি শিত কালে হত তাহলে এইসব দেশে দুই এক ঘণ্টা সূর্যের আলো থাকতো আর এই ২-১ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের রোজা কমপ্লিট হয়ে যেত। শুধু তাই নয়, তাদের ফজর, জোহর, আসর আর মাগ্রিব, এই ৪ অয়াক্তের নামাজ এই ২-১ ঘণ্টার মধ্যেই পড়া লাগতো। তার মানে ফজর পড়েই একঘণ্টার মধ্যে জোহর আর আসর পড়া লাগবে এবং তার এক ঘণ্টা পড়ে মাগরিব।
মেরু অঞ্চলে তো ৬ মাস দিন আর ৬ মাস রাত। সেখানে তো ৬ মাস করে একটা রোজা হবে। আর নামাজ তো সম্ভব না। কারন ফজর পড়ার ৬ মাস পর মাগরিব।
কিন্তু আল্লাহ পাক কোরান বা হাদিসে এসব কিছুই উল্লেখ করেনি। মানে আল্লাহ্র ভুগোলের জ্ঞান এত কম? তাহলে নামাজ রোজা সার্বজনীন কিভাব হয়? নিশ্চয়ই এটি শুধু মাত্র আরবের জন্য প্রযোজ্য কারন আল্লাহ্র ভৌগলিক জ্ঞান আরবেই সীমাবদ্ধ ।


Pingback: রোজা ও অটোফেজির মধ্যে পার্থক্য ও মুমিনদের অপপ্রচার | সত্যের সন্ধানী