এবার নাস্তিকদের কাছ থেকে জানতে চাই, উত্তর দিবেন প্লিজঃ এবং একটি ওপেন চ্যালেঞ্জ

বিজ্ঞান যা কিছু দিন আগে আবিষ্কার করেছে তা কোরানে ১৪০০ কছর আগেই ছিল।

যেমন চাঁদের আলোযে প্রতিফলিত আলো তা বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে কিছু দিন আগে, কিন্তু কোরানে তা ১৪০০ কছর আগেই লিখা ছিল। আর আকাশ যে সাতটি আছে তা আধুনিক বিজ্ঞান এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি।

“তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে ।” ( ৭১:১৫, ৭১:১৬ )

এখানে “আলোরূপে” বলতে আল্লাহ বুঝিয়েছেন প্রতিফলিত বা ধার করা আলোক রুপে (সুভানআল্লাহ)

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে। বুখারী ও ইবনে মাজাহ হাদীসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

“যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয় সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়। কেননা তার একটি ডানায় রোগ জীবানু রয়েছে, আর অপরটিতে রয়েছে রোগনাশক ঔষধ”(বুখারী)।

সত্যিই তিনি একজন প্রকৃত বিজ্ঞানী ছিলেন!!

জাহান্নামি নাস্তিকরা দাবি করে যে কোরান মুহম্মদের নিজের লেখা কিতাব কিন্তু কোরান আর হাদিস পড়লে যে জ্ঞান বিজ্ঞান পাওয়া যায় তা একজন নিরক্ষর অশিক্ষিত মেষপালকের ১৪০০ বছর আগে কিভাবে লিখা সম্ভব ???

পারলে কোরানের মতো একটি আয়াত লিখে দেখান তো (নিচে কমেন্ট করুন)

20246098_460577927640286_4805223148988368212_n

Leave a comment