আমি কি ইসলামী কোন দেশে নাস্তিকতা বাঁ অন্য ধর্ম প্রচার করতে পারব??

আমার প্রশ্ন, কোন “রাষ্ট্র” ইসলামী হবে কেন? রাষ্ট্র হবে নিরপেক্ষ, সবার জন্য সমান।

“ঊত্তরে একজন মুমিন বলছেন ঃ আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ধর্ম ই হচ্ছে ইসলাম. বিজ্ঞানের যুগে ও তা প্রমাণিত যে ইসলামের ধর্ম গ্রন্থই মানুষকে সঠিক তত্থ দিয়েছে ১৪০০ বছর আগে, যা বিজ্ঞান জেনেছে মাত্র কয়েক যুগ আগে। তাই মুসলমানরা তাদের সন্তানদের কোনো অজ্ঞ ওস্তাদ অথবা ভুলেভরা বই দিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করাকে সম্মতি না দেয়ার ই কথা. কারণ তারা জানে ২+২=৪ কেউ যদি বলে ৫ তাহলে তার থেকে কি বা শিক্ষার আছে???”

হায় মুমিন গন, আপনি কখনো অন্য কোন ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়ে জানার চেষ্টাও করেছেন?!!! জন্ম হয়েছে মুসলিম পরিবারে, বড় হয়েছেন কট্টর মুসলিম পরিবেশে তাই আপনার এমন মন্তব্য। আপনি তো নিজের ধর্মই ঠিক মত জানেন না। আপনাদের ব্রেন অয়াস করা হয়েছে। কোরানে অসংখ্য ভুল রয়েছে এবং অনেক নীতি বর্জিত কাজকে সমর্থন করা হয়েছে যেটা আপনারা অন্ধভাবে এড়িয়ে যান বা কোন ভাবে ন্যায়সংগত বা “ঠিক হইয়াছে” বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন।

মুমিনদের কাছে ইসলাম ই একমাত্র ধর্ম এবং অন্য কোন ধর্মের চর্চা করার কারো কোন অধিকার নাই। কি ধরনের ধৃষ্টটা এটা? কোরানে যেভাবে অন্য ধর্মালম্বিদের হেয় করা হেয়েছে তাতে মুমিনদের এমন দশা হুয়ার ই কথা। আপনার কাছে যেমন আপনার ধর্ম সঠিক, আরেকজনের কাছে তাঁর ধর্ম টাও সঠিক।

যারা মনে করেন যে ইসলাম ধর্মে কোন জোর জবরদস্থি নাই বা ইসলাম অনান্য ধর্ম কে সমান ভাবে দেখে, তারা হয়তো জানেনা যে সারিয়ত আইন মোতাবেক ধর্ম ত্যাগি ও কাফেরদের শাস্তি মৃত্যু দণ্ড। মহাম্মদের নির্দেশ অমুসলিম মেয়েরা গনিমতের মাল। কাফেরদের মাল হেফাজতে রাখার জন্য তাদেরকে জিযিয়া কর  দিতে হত, এর বহু দৃষ্টান্ত হাদিস থেকে এবং মহাম্মাদের জীবন থেকে পাওয়া যায়।

“এখানে উত্তরে আরেকজন লিখেছেনঃ কল্লা থাকবে তো!!!!!!”

এখানেই মুল পার্থক্য মুসলিমগন যে কোন দেশে ইসলাম প্রচার করার সুযোগ পায় বা সেই রাষ্ট্র তাদের সে সুযোগ দিয়ে থাকে।কিন্তু কোন ইসলামি দেশে অন্য কোন ধর্ম প্রচার তো দুরের কথা ইসলাম সম্পর্কে সত্য কথা বললেই চাপাতি।মুমিনগন যতই বলুক নবী সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা করতে বলেছেন,গালিগালাজ করতে নিষেধ করেছে ,বাস্তবে এরকম হওয়ার সম্ভাবনা ০.০০ ১%।তবে যদি মুমিনগন চিপায় থাকে অর্থ্যাৎ সংখ্যায় কম বা কঠোর প্রশাসনিক ব্যাবস্থার মধ্যে থাকে।এগুলো বলার পর অনেক মুমিন গালিগালাজ করবে, এমন কি হত্যারও হুমকি দিবে।শুধু অপেক্ষার পালা।মুমিনগন লাফায়ে লাভ নাই।সত্য কথা চিরকাল সত্য।

যখন আমি এই ক্তহাগুলি বলি তখন হর হামেসাই মুমিনরা রেগে যায়, কারন তারা কোনদিন ধর্ম নিয়ে গবেষণা করেনি, এমনকি গুগলে গিয়ে সার্চ দিয়েও দেখেনি। তারা নিজেরা না খুজে আমার কাছে রেফারেন্স চায়, তাই নিচে কিছু রেফারেন্স দিলাম, দেখে নিন।

isis-beheading-six-syria-man-sword-deir-ez-zor

রেফারেন্সঃ

  1. মানবিক গ্রন্থ কোরান?

  2. ধর্মশিক্ষার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার সরল পাঠ-২

  3. ইসলাম, গনিমতের মাল এবং আমাদের মানবতা!

Leave a comment